যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের স্টার্ট-আপ শুরু করার পরামর্শ দিয়ে গেলেন ইসরো-র প্রাক্তন চেয়ারম্যান এসপি সোমনাথ।
শনিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘লেসন ফ্রম স্পেস, অপরচুনিটিস ইন স্পেস’ শীর্ষক এক আলোচনাসভায় যোগ দেন সোমনাথ। মঞ্চে তাঁর পাশেই ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন অধ্যাপক ও ত্রিপুরার প্রাক্তন রাজ্যপাল তথাগত রায়। ছিলেন উপাচার্য চিরঞ্জীব ভট্টাচার্যও। টেকিপ ভবনের ২০২৯ নম্বর ঘরে পড়ুয়াদের উপচে পড়া ভিড়। তারই মধ্যে সোমনাথ বলেন, “অপ্রতুল সরকারি বরাদ্দেই মহাকাশ গবেষণার কাজ করতে হয় ইন্ডিয়ান স্পেস রিসার্চ অরগ্যানাইজেশন বা ইসরো-কে, কর্মী সঙ্কট। তবু ভারতের সাফল্য তাক লাগিয়ে দেয় বিশ্বকে। বিদেশি বিজ্ঞানীরা জিজ্ঞেস করেন এর রহস্য কী? আমি বলি, এর নেপথ্যে রয়েছে বলিষ্ঠ নেতৃত্ব আর কর্মীদের অদম্য মনোবল।”
তিনি দাবি করেন, ভারতের মেধাকে কাজে লাগিয়ে প্রযুক্তিকে উন্নত করে ‘চন্দ্রযান ৩’–এর মতো সফল অভিযান চালিয়েছে ইসরো। সাফল্যের নেপথ্যে প্রয়াত প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি এপিজে আব্দুল কালাম-সহ অন্য বিজ্ঞানীদের কথা উল্লেখ করেন তিনি। তাঁদের অনুপ্রেরণা ইসরোর সকলের মনে শক্তি দিয়েছে বলেও জানান সোমনাথ।
তিনি দাবি করেন, সব কাজই সরকারি ভাবে হয় না। ইসরো-র জন্য রকেট তৈরি করে বেসরকারি সংস্থা। তাই পড়ুয়ারা সুযোগের সদ্ব্যাবহার করতেই পারেন। তিনি বলেন, “এই ক্ষেত্রে কাজের যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে। স্টার্ট-আপের মাধ্যমে প্রযুক্তিকে আরও উন্নত করে দেশের কাজে তাকে ব্যবহার করা যেতেই পারে।”