ব্যবসায় উন্নতি করতে গেলে মানসিক এবং শারীরিক পরিশ্রম-ই যথেষ্ট নয়। তথ্যপ্রযুক্তি নির্ভরতার যুগে ব্যবসায় সাফল্য পেতে নিত্য নতুন বিষয়ের সংযোজনও প্রয়োজন। এখন যে কোনও পণ্য বা পরিষেবা ঘরে ঘরে পৌঁছে দেওয়ার জন্য বিজ্ঞাপনের নির্ভরযোগ্য মাধ্যম অনলাইন। সমাজমাধ্যমে নিয়মিত ভাবে প্রচার চালায় ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলি
সেই কাজে কৃত্রিম মেধাকে কী ভাবে ব্যবহার করা যেতে পারে, তা একটি বিশেষ ক্লাসে হাতেকলমে শেখার সুযোগ পেলেন কলকাতার বিভিন্ন ক্ষেত্রের ব্যবসায়ী, উদ্যোগপতি, বিভিন্ন সংস্থার কর্ণাধারেরা। কলকাতার এক বেসরকারি সংস্থার উদ্যোগে আয়োজিত ওই অনুষ্ঠানে কৃত্রিম মেধা বিশেষজ্ঞ অমিত সীতারাম যাদব দাবি করেন, কৃত্রিম মেধা যে কোনও ব্যবসায়ী ব্যবহার করতে পারেন। এ জন্য কোডিং জানা আবশ্যক নয়। সাধারণ ব্যবসায়িক কাজে ওই প্রযুক্তি ব্যবহারের সুযোগ সুবিধা কোথায়, তা তিনি ব্যাখ্যা করেন।
তিনি জানান, ব্যবসায়ী বা উদ্যোগপতিরা তাঁদের পরিষেবা অনুযায়ী, কৃত্রিম মেধাকে বিজ্ঞাপনের মানোন্নয়নে ব্যবহার করতে পারেন। এ জন্য তাঁদের নিয়মিত কাজ করে যেতে হবে। যেমন, আকর্ষণীয় পোস্টার, ভিডিয়ো, ছবি তৈরি করে তা সমাজমাধ্যমে পোস্ট করতে হবে।
আরও পড়ুন:
গুগল কিংবা অন্য সার্চ ইঞ্জিনে কোন কোন শব্দ লিখলে ব্যবসায়ীদের পণ্য বা পরিষেবা বেশিরভাগ মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করবে, তা নিয়ে চর্চা করতে হয়। এই কাজটি কৃত্রিম মেধার সাহায্যে করা সম্ভব।
প্রতিদ্বন্দ্বী সংস্থা বা ব্যবসায়িক সংগঠন কী ভাবে নিজেদের প্রচার করছে, কত সংখ্যক মানুষের কাছে সেই তথ্য পৌঁছে যাচ্ছে— তা জেনে নেওয়ার সুযোগ রয়েছে কৃত্রিম মেধার মাধ্যমে। বিশেষ প্রম্পট বা নির্দেশ দিলেই নির্দিষ্ট ওয়েবসাইট থেকে ওই তথ্য জেনে নেওয়া সম্ভব। ওই তথ্যের উপর নির্ভর করেই ব্যবসায়ীরা নিজেদের প্রচারকৌশল স্থির করতে পারবেন।
ক্লাস শেষে যোগদানকারীরা জানিয়েছেন, বর্তমান সময়ের নিরিখে পুরোনো পন্থায় ভাল পরিষেবা দেওয়া বা পণ্য উৎপাদন করে লক্ষ্মীলাভ যথেষ্ট নয়। নতুন প্রযুক্তিকে সঠিক ভাবে পুরোনো কাজে ব্যবহার করতে পারলে দীর্ঘ সময়ের জন্য লাভবান হওয়া যেতে পারে।