রাজ্যের স্কুলে স্কুলে পৌঁছে গিয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। তাই নির্ধারিত দিনের বদলে ‘বিশ্ব ধরিত্রী দিবস’ পালন হবে পরের মাসে। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে এমনই জানা গিয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষক জানান, কেন্দ্রীয় সরকারের ভূ-বিজ্ঞান মন্ত্রকের সহায়তায় গত চার বছর ধরেই ২২ এপ্রিল ধরিত্রী দিবস পালন করছেন তাঁরা। বিভিন্ন স্কুলে পড়ুয়াদের সঙ্গে নিয়ে নানা কর্মসূচি পালন করে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূ-বিজ্ঞান বিভাগ। গত বারের মতো এ বারও মন্ত্রক থেকে ওই অনুষ্ঠান করার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে চিঠি আসে। কিন্তু আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের ফলে পড়েছে বাধা। পরের দিনই প্রথম দফা ভোট। তাই স্কুলগুলি ভোটকেন্দ্রে পরিণত হবে। ভূ-বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক অনুপম ঘোষ বলেন, ‘‘ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় বাহিনী ঢুকে পড়েছে স্কুলগুলিতে। ওই দিন কোনও স্কুলেই কর্মসূচি পালন সম্ভব নয়। তাই স্কুলে ধরিত্রী দিবস পালন করা হবে ১৫ মে।’’ । তিনি জানান, সোনারপুরের কামরাবাদ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় হাইস্কুল, কামরাবাদ উচ্চ বিদ্যালয় তাদের প্রাথমিক বিভাগের পড়ুয়াদের নিয়ে নানা প্রতিযোগিতা আয়োজন করবে এবং স্কুলচত্বর থেকে প্লাস্টিক পরিষ্কারেরও কাজও করা হবে।
এক শিক্ষক বলেন, ‘‘মন্ত্রকের তরফ থেকে সাফ জানানো হয়েছে, নির্বাচনের সব দিক মেনে তবেই এই অনুষ্ঠান করতে হবে। সে কারণে নির্বাচনের ফলাফল ষোঘণার প্রায় ১১ দিন পরে এই অনুষ্ঠান করা হবে।’’ মন্ত্রকের নির্দেশ অনুযায়ী, গ্রামীণ এলাকার স্কুলেই এই কর্মসূচি পালন করতে হয়। সে কারণে দক্ষিণ ২৪ পরগনার সোনারপুর এলাকার স্কুলগুলিকে বেছে নেওয়া হয়েছে।
তবে ২২ এপ্রিল অনলাইন প্রশ্নোত্তর পর্বের আয়োজন করেছেন কর্তৃপক্ষ। সেখানে অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন করে যে কেউ ওই অনুষ্ঠানে যোগ দিতে পারবেন বলে জানানো হয়েছে। ২০২৬-এর ধরিত্রী দিবসের মূল ভাবনা— ‘আমাদের শক্তি, আমাদের পৃথিবী।’ তবে আপাতত ভোটের ঠেলায় প্রায় তিন সপ্তাহ পরেই পালিত হবে ধরিত্রী দিবস।