আইআইটি প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হওয়ার জন্য জয়েন্ট এন্ট্রানস্ এগ্জ়ামিনেশন (জেইই) অ্যাডভান্সড-এ পাশ করা আবশ্যক। ওই পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে জয়েন্ট সিট অ্যালোকেশন অথরিটি (জোসা) কাউন্সেলিং-এ নিজের পছন্দের সিট বেছে নিতে পারেন পড়ুয়ারা। মোট ২০ হাজার আসন আইআইটি প্রতিষ্ঠানগুলি বরাদ্দ করে থাকে। এর মধ্যে কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং, ইলেকট্রনিক্স অ্যান্ড কমিউনিকেশন, ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং, মেকানিক্যাল এবং সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং থাকে প্রথম সারিতে।
চলতি বছরে দেশের ২৩টি আইআইটি প্রতিষ্ঠানে কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং-এর জন্য আসনের মোট সংখ্যা বৃদ্ধি করা হয়েছে। ২০২৫-এ ২,১২৯ থেকে ২০২৬-এ তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২,১৮৩ তে, অর্থাৎ মোট ৫৪টি আসন বৃদ্ধি করা হয়েছে। এর মধ্যে আইআইটি বোম্বে-তে রয়েছে ১৯৯টি, আইআইটি বিএইচইউ বারাণসী-তে ১৫৫, আইআইটি ধানবাদে ১৪৫ এবং আইআইটি খড়্গপুরে রয়েছে ১৪০টি আসন।
আরও পড়ুন:
জোসা কাউন্সেলিং মারফত অল ইন্ডিয়া র্যাঙ্ক-এর ভিত্তিতে ইঞ্জিনিয়ারিং শাখার বিষয়গুলি বেছে নেওয়া যায়। এ ক্ষেত্রে যাঁরা আইআইটি প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন না, তাঁরা ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি (এনআইটি) কিংবা ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ ইনফরমেশন টেকনোলজি (আইআইআইটি) প্রতিষ্ঠানও বেছে নিতে পারবেন। এ ছাড়াও স্কুল অফ প্ল্যানিং অ্যান্ড আর্কিটেকচার, আইআইইএসটি, শিবপুর থেকে জেইই অ্যাডভান্সড উত্তীর্ণেরা স্নাতকে পড়তে পারবেন।
এ ক্ষেত্রে পড়ুয়ারা নিজেদের পছন্দ বেছে নেওয়ার সুযোগ পাবেন। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তাঁদের ‘চয়েজ় লক’ করে ফেলতে হবে। কারণ এক বার নিজের পছন্দ বাছাই করার পরে আর তা বদলানোর সুযোগ থাকে না। পছন্দের বিষয়ে আসন সুনিশ্চিত হওয়ার পরে ফি জমা দিতে হয়। পরে ওই টাকা ফেরত দেওয়া হয়ে থাকে। তথ্য জমা দেওয়ার জন্য ১১ জুন পর্যন্ত পোর্টাল চালু থাকছে।
এ ছাড়াও পড়ুয়ারা যে কোনও একটি প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হওয়ার জন্য পছন্দের সিট বেছে নিতে পারবেন। অর্থাৎ আইআইটি এবং এনআইটি-র প্রতিষ্ঠান একসঙ্গে বেছে নেওয়ার সুযোগ নেই। সাধারণত পাঁচটি পর্বে কাউন্সেলিং সম্পূর্ণ হয়। তবে, এনআইটি, আইআইটি কিংবা সমতুল প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে তা আরও বেশি হতে পারে। জয়েন্ট সিট অ্যালোকেশন অথরিটি-র দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ১৩ জুন থেকে ২১ জুলাই পর্যন্ত প্রক্রিয়াটি চলবে।