Advertisement
E-Paper

খরচের হিসাব না দেখালে কেন্দ্র টাকা পাঠাবে না! মিড-ডে মিলের তথ্য দিতেই পারছে না স্কুল শিক্ষা দফতর

প্রতি মাসের ১০ তারিখের মধ্যে জমা-খরচের হিসাব দেওয়া যায়। কিন্তু নতুন অর্থবর্ষের প্রথম মাসে পুরো হিসাব দিতে হয়। ওই আধিকারিক জানান, ২০২৩-এ কেন্দ্র যে অর্থ বরাদ্দ করেছিল, তা দিয়েই ২০২৬-এর মার্চ পর্যন্ত মিড-ডে মিল চালানো হয়েছে। এই পুরো খরচের হিসাব অর্থাৎ ‘ইউসি’ (ইউটিলাইজ়েশন সার্টিফিকেট) দাখিল করতে হবে। তবে মিলবে পরবর্তী বরাদ্দ।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৩ এপ্রিল ২০২৬ ১৩:১০

— প্রতীকী চিত্র।

মিড-ডে মিল চালানোর মতো টাকা নেই হাতে। কেন্দ্রে তরফে বরাদ্দ দাবি করতে গেলে আগে দাখিল করতে হবে ব্যয়ের হিসাব। কিন্তু কোথায় হবে সে সব কাজ? কেন্দ্রের পোর্টালই তো খারাপ!

দুশ্চিন্তায় রাজ্যের স্কুলশিক্ষা দফতর। এক আধিকারিক জানান, যে পোর্টালের মাধ্যমে কেন্দ্র সরকারকে মিড-ডে মিলের সব খরচের হিসাব দাখিল করেতে হয়, তা কাজ করছে না। বহু বার জানিয়েও লাভ হয়নি। তাই কাজটি করতে হচ্ছে পুরনো পদ্ধতিতে। ফলে, অযথা দেরি হচ্ছে।

জানা গিয়েছে, প্রতি মাসের ১০ তারিখের মধ্যে জমা-খরচের হিসাব পেশ করে দেওয়া যায়। কিন্তু নতুন অর্থবর্ষের প্রথম মাসে পুরো হিসাব দিতে হয়। ওই আধিকারিক জানান, ২০২৩-এ কেন্দ্রীয় সরকার যে অর্থ বরাদ্দ করেছিল, তা দিয়েই ২০২৬-এর মার্চ পর্যন্ত মিড-ডে মিল চালানো হয়েছে। এই পুরো খরচের হিসাব অর্থাৎ ‘ইউসি’ (ইউটিলাইজ়েশন সার্টিফিকেট) দাখিল করতে হয়। তিনি বলেন, ‘‘সম্পূর্ণ হিসেব অর্থাৎ ‘ইউসি’ না দেওয়া পর্ষন্ত পরবর্তী বরাদ্দ অর্থ মিলবে না। অথচ তথ্য আপলোড করাই যাচ্ছে না। কেন্দ্রকে বেশ কয়েকবার জানানো হয়েছে। সমস্যা মিটে যাওয়ার আশ্বাস দিলেও সোমবার সকাল পর্ষন্ত পোর্টাল (এমআইএস) কাজ করছে না।’’

Advertisement

তিনি জানান, রাজ্যের ‘অটোমেটেড মেসেজ সিস্টেম’ (এএমএস) নামের একটি পৃথক পোর্টাল রয়েছে। সেখানে রাজ্যের সব জেলার দায়িত্ব প্রাপ্ত আধিকারিকেরা প্রতিদিন তথ্য আপলোড করেন। পাশাপাশি তাঁরা কেন্দ্রের এমআইএস পোর্টালে মাসিক ভিত্তিতে তথ্য আপলোড করেন। এর পর দফতরের তরফ থেকে প্রতিটি জেলা থেকে পাওয়া তথ্য একত্র করে পোর্টালে আপলোড করা হয়। কিন্তু চলতি মাসে তা করা যায়নি।

হিসাব বলছে, যে পরিমাণ অর্থ দফতরের হাতে রয়েছে, তা দিয়ে এপ্রিল মাসের মিড-ডে মিল চালিয়ে নেওয়া যাবে। কিন্তু মে মাস থেকে আর তা চলবে না। এ দিকে ২০২৬ অর্থবর্ষের বরাদ্দ অর্থ হাতে পেতে হলে গত তিন বছরের হিসাব দিতে হবে। কিন্তু ১০ এপ্রিলের মধ্যে সে হিসাব দেওয়া যায়নি পোর্টাল কাজ না করায়। ফলে মে মাসের মধ্যে বরাদ্দ অর্থ হাতে আসার সম্ভাবনা কম।

দফতর সূত্রের খবর, কেন্দ্রের সঙ্গে আলোচনা চলেছে। ই-মেল করে হলেও রিপোর্ট দেওয়া হবে। আপাতত সব তথ্য একত্র করার কাজ করছেন কর্তৃপক্ষ। কিন্তু এতে অনেক বেশি সময় ব্যয় হচ্ছে। তবে এপ্রিলের মধ্যে টাকা না পাওয়া গেলে সমস্যায় পড়বে স্কুলগুলি। দফতরের ওই কর্তা জানান, যে ভাবেই হোক তথ্য কেন্দ্রের কাছে শীঘ্রই রিপোর্ট পাঠাবেন তাঁরা।

Portal Mid Day Meal
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy