Advertisement
E-Paper

শূন্যপদের তালিকায় ভুল! কমিটি গঠন করে সংশোধনের প্রস্তাব শিক্ষকদের একাংশের

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে বহু অযোগ্য প্রার্থীর চাকরি গিয়েছে। ফলে বিভিন্ন স্কুলে সেই সব স্থান শূন্য থেকে গিয়েছে। কিন্তু সম্প্রতি যে তালিকা প্রকাশিত হয়েছে, সেখানে সেই সব শূন্যপদের কোনও উল্লেখ নেই। এমনকি প্রকাশিত তালিকার উপরে ভরসা না করে প্রার্থীরাই নিজে থেকে কোন স্কুলে কোন বিষয়ের শূন্যপদ রয়েছে সেগুলি খতিয়ে দেখা শুরু করেন।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৩ এপ্রিল ২০২৬ ১৮:৩২

— প্রতীকী চিত্র।

শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে শূন্যপদের বিভ্রান্তি এড়াতে স্কুলশিক্ষা দফতর, কমিশনার, মধ্যশিক্ষা পর্ষদ এবং স্কুল সার্ভিস কমিশনের তরফে যৌথ ভাবে কমিটি গঠনের দাবি জানালেন শিক্ষকদের একাংশ।

বৃহস্পতিবার স্কুলশিক্ষা দফতরে এই আবেদন জানিয়েছেন অল পোস্ট গ্র্যাজুয়েট টিচার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের রাজ্য সম্পাদক চন্দন গড়াই। সম্প্রতি একাদশ ও দ্বাদশ স্তরে শিক্ষক নিয়োগের তালিকায় শূন্যপদের একের পর এক বিভ্রান্তি ধরা পড়েছে। নাজেহাল হচ্ছেন শিক্ষক পদপ্রার্থীরা। এর সুরাহা করতেই শিক্ষকদের পক্ষ থেকে এই দাবি তোলা হয়েছে।

বিকাশ ভবনের এক কর্তা জানান, কমিটি গঠনের বিষয়ে কিছু বলা সম্ভব নয়। ওই কর্তা বলেন, ‘‘আমি ইতিমধ্যেই শূন্যপদের তালিকায় বিভ্রান্তি এড়াতে যথাযথ পদক্ষেপের কথা বলেছি। ভুল যেটা হচ্ছে সেটা তো ঠিক করতেই হবে।’’ গত ২৩ মার্চ থেকে একাদশ-দ্বাদশ স্তরে ১০টি বিষয়ের শিক্ষক নিয়োগের জন্য কাউন্সেলিং শুরু হয়। কিন্তু প্রথম থেকেই ওই শূন্যপদ নিয়ে একের পর এক অভিযোগ উঠতে থাকে।

Advertisement

চন্দন অভিযোগ করেছিলেন, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে বহু অযোগ্য প্রার্থীর চাকরি গিয়েছে। ফলে বিভিন্ন স্কুলে সেই সব স্থান শূন্য থেকে গিয়েছে। কিন্তু সম্প্রতি যে তালিকা প্রকাশিত হয়েছে, সেখানে সেই সব শূন্যপদের কোনও উল্লেখ নেই। এমনকি প্রকাশিত তালিকার উপরে ভরসা না করে প্রার্থীরাই নিজে থেকে কোন স্কুলে কোন বিষয়ের শূন্যপদ রয়েছে সেগুলি খতিয়ে দেখা শুরু করেন। এমনকি যে স্কুলে যতগুলি শূন্যপদ দেখানো হয়েছে সেখানে সেই শূন্যপদই নেই।

বিশেষ ভাবে সক্ষম এক শিক্ষক পদপ্রার্থী অভিযোগ করেছেন, সুপারিশপত্রে উল্লিখিত স্কুলে গিয়ে তিনি শুনেছেন ওই স্কুলে তাঁর বিষয়ের কোনও শূন্যপদ নেই। কোথায় যোগ দেবেন তিনি, তা নিয়ে উৎকণ্ঠায় দিন কাটছে ওই শিক্ষক পদপ্রার্থীর। ইতিমধ্যে বিষয়টি জানিয়ে কমিশনকে চিঠি দিয়েছেন। কিন্তু কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে যে তালিকা কমিশন তৈরি করে না। সাধারণত জেলা স্কুল পরিদর্শকদের থেকে শূন্যপদের তালিকা পৌঁছয় স্কুলশিক্ষা কমিশনারেটে। তার পর সেটি পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদ অফিস থেকে স্কুল সার্ভিস কমিশনের দফতরে পৌঁছয়। তার ভিত্তিতেই কাউন্সেলিং করে সুপারিশপত্র দেয় কমিশন। সেই সুপারিশের ভিত্তিতে পর্ষদ নিয়োগপত্র দেয়। ফলে বিকাশ ভবন থেকে কোনও ভুল তালিকা পর্ষদে পৌঁছলে সেটিই কমিশনে চলে আসবে। তাই স্কুলশিক্ষা কমিশনারেট থেকেই এই বিষয়ে তৎপরতা প্রয়োজন বলেই মনে করছে শিক্ষকেরা। চন্দন বলেন, ‘‘বিকাশ ভবনের ওই কর্তা অবশ্য উপযুক্ত পদক্ষেপের আশ্বাস দিয়েছেন। ফের তালিকায় কোনও বিভ্রান্তি থাকে কিনা, সেটাই দেখার।’’

WB Teachers SSC
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy