Advertisement
E-Paper

প্রতিটি সরকার পোষিত স্কুলে প্রশাসক নিয়োগের নির্দেশ স্কুলশিক্ষা দফতরের, সাময়িক স্বস্তিতে স্কুল কর্তৃপক্ষ

ডিডিও-র যেমন কাজের কিছু সীমাবদ্ধতা ছিল এক্ষেত্রে এসআইয়ের তেমন কোনও বাধা-নিষেধ নেই। পরিচালন সমিতির সভাপতির যাবতীয় কাজই করতে পারবেন স্কুল ইন্সপেক্টর বা এসআই।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৭ মে ২০২৬ ১৯:১১

— প্রতীকী চিত্র।

বিজেপি ক্ষমতায় আসার পরেই সরকারি পোষিত স্কুলের পরিচালন সমিতি ভেঙে দিয়েছিল রাজ্য সরকার। তারপরে আপাতত কাজ চালানোর জন্য নিয়োগ করা হয়েছিল ড্রয়িং অ্যান্ড ডিসবার্সিং অফিসার বা ডিডিও। এ বারে সেই সব ক্ষেত্রে প্রশাসক নিয়োগ করার নির্দেশ দিল স্কুলশিক্ষা দফতর। বুধবার বিকেলে সব জেলা স্কুল পরিদর্শক সহ জেলা শাসকদের এই সংক্রান্ত এক নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে।

শিক্ষামহলের অভিযোগ ছিল, বিগত সরকারের আমলে অধিকাংশ স্কুলেরই পরিচালন সমিতিতে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব সামলাতেন তৃণমূলের বা তৃণমূল ঘনিষ্ঠ কোনও ব্যক্তি। কোনও কোনও ক্ষেত্রে শাসকদলের স্থানীয় নেতারাও ওই পদে বসতেন। তাঁদের একটা বড় অংশ নানা দুর্নীতিতে যুক্ত থাকতেন বলেও অভিযোগ। বিজেপি রাজ্যে ক্ষমতায় আসার পরে স্কুলের এই সব পরিচালন সমিতির সভাপতিদের বিরুদ্ধে সরকারের কাছে নানা অভিযোগ জমা পড়ে বলেও খবর। তার পরেই নির্দেশিকা জারি করে সব সরকার পোষিত স্কুলের পরিচালন সমিতি ভেঙে দেওয়া হয়। কিন্তু তার পরেও কিছু জটিলতা থেকে গিয়েছিল। কারণ এই ডিডিওদের ক্ষমতা ছিল সীমিত। অবসরকালীন আর্থিক বিষয়ে কোনও হস্তক্ষেপ তাঁরা করতে পারতেন না। পাশাপাশি, সরকারের আর্থিক সাহায্যের সব কিছুর মধ্যেও হস্তক্ষেপ করার অধিকার নেই ডিডিওদের। সে কারণে বহু ক্ষেত্রে আর্থিক লেনদেনের বিষয় নিয়ে চিন্তায় পড়েছিলেন স্কুল কর্তৃপক্ষ। সেই সমস্যা সমাধানে এ বারে সরাসরি প্রশাসক নিয়োগ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেই খবর।

দক্ষি‌ণবঙ্গের এক জেলাস্কুল পরিদর্শক অফিস সূত্রে খবর, এক জন স্কুল ইন্সপেক্টর বা এসআই-এর অধীনে থাকে বেশ কয়েকটি স্কুল। সেটি নির্ভর করে জেলার আয়তনের উপরে। ফলে নির্দেশ অনুযায়ী এক জন এসআই একাধিক স্কুলের প্রশাসকের দায়িত্ব পালন করবেন। ডিডিও-র যেমন কাজের কিছু সীমাবদ্ধতা ছিল, এ ক্ষেত্রে এসআইয়ের তেমন কোনও বাধা-নিষেধ নেই। পরিচালন সমিতির সভাপতির যাবতীয় কাজই করতে পারবেন এসআই। ফলে স্কুলের যে কোনও আর্থিক লেনদেনের বিষয়ে অসুবিধা হবে না। একটি স্কুলের প্রধান শিক্ষক বলেন, ‘‘আগামী ১ জুন স্কুল চালু হচ্ছে। তার আগেই এই নির্দেশে কিছুটা স্বস্তি পেলাম।’’ বঙ্গীয় শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী সমিতির সাধারণ সম্পাদক স্বপন মণ্ডল বলেন, ‘‘সরকার পরিবর্তনের পরেই আমরা শিক্ষা দফতরের কাছে আবেদন করেছিলাম দ্রুত পরিচালন সমিতি ভেঙে দিয়ে প্রশাসক বসানো হোক। প্রথমে ডিডিও বসানোর নির্দেশ দেওয়াতে স্কুলগুলোর অসুবিধা হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল। আজকের এই নির্দেশকে স্বাগত জানাচ্ছি। তবে কিছু দিনের মধ্যেই যাতে নতুন পরিচালন সমিতি তৈরি হয়, তার ব্যবস্থা করার অনুরোধ জানাচ্ছি।’’

DI
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy