স্বাস্থ্যবিজ্ঞানের সঙ্গে কারিগরিবিদ্যার মেলবন্ধন ঘটছে দ্রুত লয়ে। বিভিন্ন ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ ধরনের নানা বিষয়ে স্নাতক স্তর থেকে পড়াশোনার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। বায়োমেডিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং তার মধ্যে অন্যতম। সম্প্রতি ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি (আইআইটি), খড়্গপুরের তরফে ওই বিষয়টিতে স্নাতক স্তরের কোর্স চালু করার কথা ঘোষণা করা হয়েছে।
বিষয়টি আসলে কী?
বিভিন্ন ধরনের যন্ত্র ব্যবহার করে রোগ নির্ণয়ের কী ভাবে করা যেতে পারে, তা শেখার সুযোগ দেয় বায়োমেডিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং। এ ছাড়াও প্রযুক্তি ব্যবহার করে কী ভাবে রোগ নিরাময় করা যেতে পারে, সেই সম্পর্কিত কৌশলও পড়ুয়াদের শেখানো হয়ে থাকে। সংশ্লিষ্ট বিষয়টি নিয়ে পড়াশোনার পর গবেষণা এবং চাকরি— দু’ধরনের কাজেই রয়েছে সুযোগ।
কারা পড়তে পারবেন?
বিজ্ঞান বিভাগে উচ্চ মাধ্যমিক কিংবা সমতুল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ পড়ুয়ারা বায়োমেডিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে পড়াশোনা করতে পারেন। এর জন্য তাঁদের দ্বাদশে গণিত কিংবা জীববিদ্যা, রসায়ন, পদার্থবিদ্যা থাকা প্রয়োজন। তাঁদের ওই পরীক্ষায় অন্তত ৫৫ শতাংশ নম্বর থাকা প্রয়োজন।
কোনও প্রবেশিকা দিতে হয় কি?
দ্বাদশ উত্তীর্ণেরা রাজ্য কিংবা সর্বভারতীয় স্তরের প্রবেশিকার মাধ্যমে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পেতে পারেন। এ জন্য তাঁদের জয়েন্ট এন্ট্রানস্ এগ্জ়ামিনেশন মেন এবং অ্যাডভান্সড, ওয়েস্ট বেঙ্গল জয়েন্ট এন্ট্রান্স এগ্জ়ামিনেশন-এর মতো পরীক্ষায় পাশ করতে হবে।
কোথায় পড়ানো হয়?
আইআইটি বোম্বে, আইআইটি মাদ্রাজ,আইআইটি খড়্গপুরের মতো প্রতিষ্ঠানগুলিতে এই বিষয়টিতে উচ্চশিক্ষা গ্রহণের সুযোগ রয়েছে। এ ছাড়াও ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি (এনআইটি), রাউরকেলা; এমস দিল্লি, জওহরলাল নেহরু টেকনোলজিক্যাল ইউনিভার্সিটি থেকেও বায়োমেডিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে পড়তে পারবেন।
খরচ:
এই বিষয় নিয়ে সরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে পড়াশোনার জন্য ২ থেকে ৬ লক্ষ টাকা খরচ হতে পারে। বেসরকারি কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ে ৬ লক্ষ টাকা থেকে ১৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বার্ষিক ফি ধার্য করা হয়ে থাকে।