Advertisement
E-Paper

ফুসফুসে চোট নিয়ে নিট দিলেন সৃষ্টি! এনটিএ-র কাছে কৃতজ্ঞ বাবা, মনে করতে চান না দুর্ঘটনার কথা

রবিবার বেলা দেড়টা নাগাদ অ্যাম্বুল্যান্সে ওই ছাত্রী ঢাকুরিয়ার স্কুলে পৌঁছন। একতলার একটি ঘরে সব ব্যবস্থা করাই ছিল। পৃথক ভাবে হাসপাতালের বেডের ব্যবস্থা করেছিল স্কুল। যদিও শিক্ষিকা জানান চেয়ার-টেবিলে বসেই পরীক্ষা দিয়েছিলেন তিনি। নেননি কারও সাহায্য। পরীক্ষা কক্ষের বাইরে ছিলেন নার্স। বিকেল ৫টা ১৫ পর্যন্তই পরীক্ষা দেন সৃষ্টি।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২১ জুন ২০২৬ ২৩:০৬

— প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র।

২১ জুন সারা দেশের বিভিন্ন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হল নিট ইউজি-র পুনঃপরীক্ষা। গত ৩ মে এই পরীক্ষার আয়োজন করেছিল ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি (এনটিএ)। কিন্তু প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ ওঠায় ১২ মে ওই পরীক্ষা বাতিল ঘোষণা করেন কর্তৃপক্ষ।

রবিবার সারা দেশের সঙ্গে কলকাতায় দুপুর ২টো থেকে শুরু হয় পরীক্ষা। যদিও সকাল থেকেই পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছতে শুরু করেন পরীক্ষার্থীরা। এরই মধ্যে সকাল ১১টা ২২ মিনিট নাগাদ এনটিএ তাদের এক্স হ্যান্ডলে একটি পোস্ট করে জানায়, ‘পাঁজরের ন’টি হা়ড় ভাঙা, অস্ত্রোপচার। কৃত্রিম উপায়ে অক্সিজেন নিয়ে চলছে শ্বাস-প্রশ্বাস। তবু, নিট (ইউজি) ২০২৬-এ বসার সঙ্কল্প। সৃষ্টি দুবের অভিভাবকেরা কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রী শ্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন। এনটিএ-র তরফে পৃথক ঘর, চিকিৎসা সহায়তার ব্যবস্থা করেছে, একটি অ্যাম্বুল্যান্স পরীক্ষাকেন্দ্রের বাইরে দাঁড়িয়ে রয়েছে। আজ, সৃষ্টি পরীক্ষায় লিখছে। কারও কারও মনোবল একটু যত্নের দাবিদার।’

এরই সঙ্গে পোস্ট করা হয় একটি ভিডিয়ো। সেখানে দেখা যায় নিজের কার্যালয়ে বসে ফোনে কথা বলছেন শিক্ষা মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। সৃষ্টি নামের এক নিট পরীক্ষার্থীর বাবা-মা তাঁকে ধন্যবাদ জানাচ্ছেন। আর শিক্ষামন্ত্রী বলছেন, “সবই মা কালীর আশীর্বাদ।”

রবিবার বিকেলে জানা যায়, এই ছাত্রী পরীক্ষা দিয়েছেন দক্ষিণ কলকাতার ঢাকুরিয়া এলাকার বিনোদিনী বালিকা বিদ্যালয় থেকে। গত ১৪ জুন সৃষ্টি দুর্ঘটনার কবলে পড়েন বলে দাবি। এনটিএ জানিয়েছে, তাঁর পাঁজরের ৯টি হাড় ভেঙেছে।

নিজের কার্যালয় থেকে সৃষ্টির সঙ্গে ফোনে কথা বলার মুহূর্তে ধর্মেন্দ্র।

নিজের কার্যালয় থেকে সৃষ্টির সঙ্গে ফোনে কথা বলার মুহূর্তে ধর্মেন্দ্র। ছবি: সংগৃহীত।

ঠিক কী ঘটেছে সৃষ্টির সঙ্গে?

জানা গিয়েছে, সৃষ্টি আদতে হাওড়ার লিলুয়ার বাসিন্দা। রবিবার রাতে তাঁর বাবা শ্রীরাম সিদ্ধি দুবের সঙ্গে কথা হয় এ দিন বিনোদিনী বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধানশিক্ষিকা সুস্মিতা বসাকের সঙ্গেও কথা বলে আনন্দবাজার ডট কম। তিনি জানান, শনিবারে ওই ছাত্রীর বাবা তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তিনি এনটিএ-কে করা ই-মেল এর প্রতিলিপি দেখান। তার পর স্কুলের তরফে যোগাযোগ করা হয় এনটিএ-র সিটি কোঅর্ডিনেটরের সঙ্গে। রাজ্যের নোডাল অফিসারের সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় নথিপত্রের কাজ সেরে ফেলা হয় এনটিএ-র অনুমতি নিয়ে।

রবিবার বেলা দেড়টা নাগাদ অ্যাম্বুল্যান্সে ওই ছাত্রী ঢাকুরিয়ার স্কুলে পৌঁছন। একতলার একটি ঘরে সব ব্যবস্থা করাই ছিল। পৃথক ভাবে হাসপাতালের বেডের ব্যবস্থা করেছিল স্কুল। যদিও শিক্ষিকা জানান চেয়ার-টেবিলে বসেই পরীক্ষা দিয়েছিলেন তিনি। নেননি কারও সাহায্য। পরীক্ষা কক্ষের বাইরে ছিলেন নার্স। বিকেল ৫টা ১৫ পর্যন্তই পরীক্ষা দেন সৃষ্টি।

NEET UG
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy