বদলেছে রাজ্যের ক্ষমতা। এ বার কলেজে কলেজে হবে ছাত্রসংসদ নির্বাচন, এমনই দাবি বিজেপি বিধায়ক সজল ঘোষের। শনিবার নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে এক শিক্ষামেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসে ছাত্র সংসদ নির্বাচনের পক্ষেই সওয়াল করলেন বরাহনগরের বিধায়ক।
এ দিনের অনুষ্ঠানে বিধায়ক দাবি করেন, ছাত্র সংসদ নির্বাচনের যোগ দেওয়া পড়ুয়াদের অধিকার। কিন্তু তৃণমূল সরকার সেটা ইচ্ছে করেই বন্ধ করে রেখেছিল। কারণ হিসেবে তাঁর ব্যাখ্যা, “তৃণমূলের এক দলের সঙ্গে অন্য দলের গোলমালের কারণেই এই নির্বাচন করানো হয়নি এত দিন।” সজল প্রথমে দাবি করেন, তিনি নির্বাচনের দাবি জানাবেন। পরে অবশ্য বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ছাত্র রাজনীতি থেকে উঠে আসা মানুষ। তাই তাঁর কাছে আবেদন করতে হবে না। নিজে থেকেই ছাত্র সংসদ নির্বাচন হবে।”
সম্প্রতি ছাত্র সংগঠন অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ বা এবিভিপি-র তরফে জানানো হয়েছিল যে ২০১৭-র পর থেকে কোথাও ছাত্র সংসদ নির্বাচন হয়নি। এই ন’বছরে যাঁরা পড়াশোনা করেছেন, তাঁরা ছাত্র রাজনীতির সঙ্গে কোনও ভাবেই সম্পর্কিত হতে পারলেন না। তৃণমূল স্বাভাবিক রাজনৈতিক পরিবেশ ধ্বংস করেছে বলেও অভিযোগ করে এবিভিপি। পাশাপাশি লিংডো কমিশনের সুপারিশ মেনে যত দ্রুত সম্ভব ও নিয়মিত ছাত্র সংসদ নির্বাচন করানোর দাবি তুলছে তারা।
অন্য দিকে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিসি নির্বাচন নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হওয়ার পরেই শিক্ষক সংগঠন জুটার তরফেও সংসদ নির্বাচনের দাবি জানানো হয়েছে।