মেডিক্যালে স্নাতকোত্তরে ভর্তির যোগ্যতা নির্ণায়ক পরীক্ষায় আবেদনের নিয়মে রদবদল। ন্যাশনাল বোর্ড অফ এগ্জ়ামিনেশনস ইন মেডিক্যাল সায়েন্সেস (এনবিইএমএস) জানিয়েছে, এ বার থেকে আগে আবেদন করলেই পছন্দের কেন্দ্র পাবেন না পরীক্ষার্থীরা। তাঁদের আলাদা করে পছন্দের কেন্দ্র বেছে নেওয়ার জন্য তিনটি শহরের নাম জমা দিতে হবে।
চলতি বছরের নিট ইউজি-র প্রশ্নফাঁস কেলেঙ্কারির কথা মাথায় রেখে স্নাতকোত্তরের পরীক্ষার জন্য একাধিক নিয়ম জারি করছে এনবিইএমএস। জানা দিয়েছে, এর আগে ২০২৫ পর্যন্ত ‘আগে এলে আগে পাবেন’ পদ্ধতিতে আবেদন জমা দিলে পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষাকেন্দ্র নির্ধারণ করা হত। কিন্তু চলতি বছর থেকে আয়োজক সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, পরীক্ষার্থীদের নিজস্ব ঠিকানার উপর ভিত্তি করে একটি নিজের রাজ্যের কেন্দ্র এবং দু’টি প্রতিবেশী রাজ্যের কেন্দ্র বেছে নিতে হবে। এ ক্ষেত্রে পরে নিজ রাজ্যের কেন্দ্র কিংবা নিজস্ব ঠিকানার তথ্য বদলানো যাবে না।
এনবিইএমএস সূত্রে খবর, পরীক্ষার্থীদের তিন মাসের মধ্যে তোলা ছবি, বর্তমান স্বাক্ষর এবং অন্যান্য নথির ছবি আবেদনপত্রে জমা দিতে হবে। এ ক্ষেত্রে কোনও নথি জাল করার অভিযোগ প্রমাণিত হলে, আবেদন খারিজ করা হবে। ৩০ অগস্ট ওই পরীক্ষা নেওয়া হবে। ফল প্রকাশিত হবে ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে।
চলতি বছর থেকে পরীক্ষার্থীদের তথ্য যাচাই করার জন্য বায়োমেট্রিক ভেরিফিকেশন করা হবে। তাই নাম নথিভুক্তিকরণের সময় আধার কার্ডের তথ্য ‘আপ-টু-ডেট’ থাকা আবশ্যক। এ ক্ষেত্রে ফোন নম্বর সংযোজন করিয়ে নিতে হবে পরীক্ষার্থীদের। পরীক্ষার দিন বায়োমেট্রিক ভেরিফিকেশনের সময় হাতে মেহেন্দি কিংবা কোনও কালির দাগ থাকলে চলবে না। ওই তথ্য যাচাই না করা গেলে পরীক্ষার্থীরা পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ পাবেন না।
এ ছাড়াও নাম নথিভুক্তিকরণের সময় যে ই-মেল আইডি এবং ফোন নম্বর ব্যবহার করা হবে, ফল প্রকাশিত হওয়ার পরেও তা সক্রিয় রাখতে হবে। ওই তথ্য পুনরায় বদলানোর সুযোগ দেবে না এনবিইএমএস। আবেদনের শর্ত, পরীক্ষার সূচি-সহ যে কোনও তথ্যের জন্য শুধুমাত্র আয়োজক সংস্থার ওয়েবসাইট, সমাজমাধ্যমের পাতায় নজর রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পরীক্ষার্থীরা যেন কোনও গুজবে কান না দেন, সেই পরামর্শ দিয়েছে এনবিইএমএস।