Advertisement
E-Paper

সুপারিশপত্রে উল্লেখ থাকা স্কুলে শূন্যপদই নেই, ভোগান্তির অভিযোগ একাদশ–দ্বাদশের শিক্ষক পদপ্রার্থীদের

বিশেষ ভাবে সক্ষম এক শিক্ষক পদপ্রার্থী অভিযোগ করেছেন, সুপারিশপত্রে উল্লিখিত স্কুলে গিয়ে তিনি শুনেছেন ওই স্কুলে তাঁর বিষয়ের কোনও শূন্যপদ নেই। কোথায় যোগ দেবেন তিনি, তা নিয়ে উৎকণ্ঠায় দিন কাটছে ওই শিক্ষক পদপ্রার্থীর। ইতিমধ্যে বিষয়টি জানিয়ে কমিশনকে চিঠি দিয়েছেন।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২০ এপ্রিল ২০২৬ ১৫:৪৪

— প্রতীকী চিত্র।

সুপারিশপত্রে যে স্কুলের নাম উল্লেখ করেছে স্কুল সার্ভিস কমিশন, সেখানে আসলে ফাঁকাই নেই শিক্ষক পদ। অভিযোগ, দ্বিতীয় বার পরীক্ষা দিয়ে যোগ্যতা প্রমাণ করেও নাজেহাল শিক্ষকেরা।

বিশেষ ভাবে সক্ষম এক শিক্ষক পদপ্রার্থী অভিযোগ করেছেন, সুপারিশপত্রে উল্লিখিত স্কুলে গিয়ে তিনি শুনেছেন ওই স্কুলে তাঁর বিষয়ের কোনও শূন্যপদ নেই। কোথায় যোগ দেবেন তিনি, তা নিয়ে উৎকণ্ঠায় দিন কাটছে ওই শিক্ষক পদপ্রার্থীর। ইতিমধ্যে বিষয়টি জানিয়ে কমিশনকে চিঠি দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘‘যে স্কুলের নাম সুপারিশপত্রে রয়েছে সেই স্কুলে যেতে প্রধানশিক্ষক জানালেন যে কোনও শূন্যপদ নেই।’’

একাদশ-দ্বাদশে শ্রেণির জন্য শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া চলছে। স্কুল সার্ভিস কমিশনের তরফে কাউন্সেলিংয়ে শূন্যপদের তালিকায় গোলমাল ছিল বলে অভিযোগ। গত ২৩ মার্চ থেকে একাদশ-দ্বাদশ স্তরে ১০টি বিষয়ের শিক্ষক নিয়োগের জন্য কাউন্সেলিং শুরু হয়। অল পোস্ট গ্র্যাজুয়েট টিচার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের রাজ্য সম্পাদক চন্দন গড়াই অভিযোগ করেছিলেন, তালিকায় বিস্তর ত্রুটি রয়েছে। বহু স্কুলে যে বিষয়েও শূন্যপদ নেই, সেগুলিই তালিকায় রয়ে গিয়েছে। এমনকি প্রকাশিত তালিকার উপরে ভরসা না করে প্রার্থীরাই নিজে থেকে কোন স্কুলে কোন বিষয়ের শূন্যপদ রয়েছে সেগুলি খতিয়ে দেখা শুরু করেন।

Advertisement

এর পরই জেলা স্কুল পরিদর্শকদের ফের তথ্য যাচাইয়ের পরামর্শ দিয়েছিল পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদ। কিন্তু তার পরও সুপারিশপত্রে ভুল থেকেই যাচ্ছে বলে অভিযোগ। পর্ষদ সূত্রে আগেই জানানো হয়েছিল যে ইতিমধ্যে বেশ কয়েকটি জেলা থেকে দফতরে নানা তথ্য এসেছে।

সূত্রের খবর, সাধারণত জেলা স্কুল পরিদর্শকদের থেকে শূন্যপদের তালিকা পৌঁছয় স্কুলশিক্ষা কমিশনারেটে। তার পর সেটি পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদ অফিস থেকে স্কুল সার্ভিস কমিশনের দফতরে পৌঁছয়। তার ভিত্তিতেই কাউন্সেলিং করে সুপারিশপত্র দেয় কমিশন। সেই সুপারিশের ভিত্তিতে পর্ষদ নিয়োগপত্র দেয়। প্রাথমিক ভাবে স্কুলভিত্তিক যে শূন্যপদের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছিল, তাতে ত্রুটির অভিযোগ ওঠে। সেগুলি সংশোধন করে কাউন্সেলিংয়ের আগেই পরিবর্তন করা হয়েছে বলে দাবি কমিশনের। কিন্তু কোনও কোনও ক্ষেত্রে দেখা গিয়েছে, সুপারিশপত্র পাওয়ার পরেও ভুল থেকে গিয়েছে। সে ভুলের মাসুল গুনতে হচ্ছে শিক্ষক পদপ্রার্থীদের। শিক্ষানুরাগী ঐক্যমঞ্চের তরফে সাধারণ সম্পাদক কিংকর অধিকারী জানান, এই বিষয়ে কমিশনে অভিযোগ করে দ্রুত সমস্যা সমাধানের আবেদন জানানো হয়েছে।

স্কুলশিক্ষা দফতর সূত্রের খবর, নিয়োগপত্র হাতে না পাওয়া পর্যন্ত স্কুল কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে কিছুই জানতে পারেন না। ফলে তাঁদের কিছু করার থাকে না। এই সমস্যার কথা জানতে পারলে স্কুল কর্তৃপক্ষ স্কুলশিক্ষা দফতর বা পর্ষদকে বিষয়টি জানাতে পারেন। তারপরেই সমস্যার সমাধান সম্ভব।

এ প্রসঙ্গে কিংকর বলেন, ‘‘সুপারিশপত্রে ভুল থেকে যাওয়ার কারণে অযথা যেমন দেরি হচ্ছে তেমনই শিক্ষক পদপ্রার্থীদের ভোগান্তি বাড়ছে। দ্রুত এই সমস্যার সমাধান হওয়া প্রয়োজন।’’

SSC Vacancy Teacher
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy