প্রার্থী হতে চেয়েছিলেন নন্দীগ্রামে। মনোনয়নপত্র জমাও দিয়েছিলেন নির্দল প্রার্থী হিসাবে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্তবদল। নন্দীগ্রাম আসন থেকে মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নিলেন কলকাতার বাসিন্দা সেই নির্দল শুভেন্দু অধিকারী।
আগামী ২৩ এপ্রিল রাজ্যে প্রথম দফার ভোট রয়েছে। ওই দিন নন্দীগ্রাম-সহ পশ্চিমবঙ্গের ১৫২ আসনে ভোটগ্রহণ হবে। বিদায়ী বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর আসন নন্দীগ্রাম। এ বারও নিজের নন্দীগ্রাম আসন থেকেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু। তাঁর বিপরীতে তৃণমূলের টিকিটে ভোটে লড়ছেন পবিত্র কর। এরই মধ্যে বিজেপি নেতার এক সমনামীও নন্দীগ্রামে মনোনয়ন জমা দেন। ওই সমনামী নির্দল প্রার্থী হয়ে ভোটে লড়তে চেয়েছিলেন নন্দীগ্রাম থেকে।
তবে সেই মনোনয়নপত্র এ বার প্রত্যাহার করে নিয়েছেন নির্দল শুভেন্দু। তিনি নন্দীগ্রাম বা পূর্ব মেদিনীপুরের অন্য কোনও প্রান্তের বাসিন্দা নন। হলফনামা অনুযায়ী, তাঁর বাড়ি কলকাতায়। গরফা থানা এলাকার বাসিন্দা এই নির্দল শুভেন্দু। কলকাতার সেই শুভেন্দু মনোনয়ন জমা দিয়েছিলেন নন্দীগ্রামের প্রার্থী হতে চেয়ে। বৃহস্পতিবার জানা যায়, ওই নির্দল শুভেন্দু নন্দীগ্রামের লড়াই থেকে নাম তুলে নিয়েছেন।
আরও পড়ুন:
নির্বাচন কমিশনের হিসাব অনুযায়ী, নন্দীগ্রাম আসনের জন্য মোট ২৩টি মনোনয়নপত্র (একই প্রার্থীর একাধিক মনোনয়নপত্র ধরে) জমা পড়ে। প্রার্থী হতে চান মোট ১২ জন। তাঁদের মধ্যে কলকাতার বাসিন্দা ওই শুভেন্দু-সহ পাঁচ জন নির্দল প্রার্থী ছিলেন। নির্দল শুভেন্দু মনোনয়ন প্রত্যাহার করায় এখন সেখানে মোট ১১ জন প্রার্থী রইলেন। তালিকায় আছেন বিজেপির শুভেন্দু, তৃণমূলের পবিত্র, সিপিআইয়ের শান্তিগোপাল গিরি, কংগ্রেসের শেখ জারিয়াতুল হোসেনের পাশাপাশি লড়ছেন আইএসএফ, আমজনতা উন্নয়ন পার্টি, এসইউসিআইয়ের প্রার্থীরা। রয়েছেন অপর চার নির্দল প্রার্থীও।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
- প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী, প্রচুর পরিমাণে ভোট পড়লে তা সাধারণত স্থিতাবস্থা বা প্রতিষ্ঠানবিরোধী হয়। অর্থাৎ, ক্ষমতাসীন সরকারের বিপক্ষে যায় জনতার রায়। তবে দীর্ঘলালিত এই ধারণার প্রতিযুক্তিও ছিল। তৃণমূলের তরফে গত লোকসভা এবং বিধানসভা ভোটের উদাহরণ দিয়ে দাবি করা হচ্ছিল, অনেক ভোট পড়লেও এ রাজ্যে তা শাসকের পক্ষেই গিয়েছে বরাবর। বিজেপির পাল্টা যুক্তিতে আবার ছিল ২০১১ সালের ‘পরিবর্তনের ভোট’। সে বারও প্রচুর ভোট পড়েছিল এবং ৩৪ বছরের বাম শাসনের অবসান ঘটিয়ে নতুন সরকার গড়েছিলেন মমতা। এ বারের ভোটে এসআইআর সুবিধা করে দিল বিজেপির।
- ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (এসআইআর) যে হয়রানিকে প্রচারে হাতিয়ার করেছিল তৃণমূল, তা কাজে এল না। পশ্চিমবঙ্গবাসী ভোট দিলেন বিজেপির পক্ষেই। ফলে এ রাজ্যেও ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকার তৈরি হতে চলেছে। পশ্চিমবঙ্গ জয় করেছে বিজেপি। গত লোকসভা নির্বাচনেও যে দল সে ভাবে দাঁত ফোটাতে পারেনি, দু’বছরের ব্যবধানে তারাই ২০০-র গণ্ডি ছুঁয়ে ফেলেছে। জেলায় জেলায় পদ্মের ঝড়ে উড়ে গিয়েছেন তৃণমূল প্রার্থীরা।
-
পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা ভেঙে দিলেন রাজ্যপাল আরএন রবি, ইস্তফা না-দিলেও মমতা এখন ‘প্রাক্তন’ মুখ্যমন্ত্রী! রাজ্য কার?
-
বিজেপি মুখ্যমন্ত্রীর শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে থাকবেন প্রধানমন্ত্রী মোদী! রাজ্যে প্রচারে এসে দিয়ে গিয়েছিলেন কথা
-
ভোট-পরবর্তী গোলমালে রুজু ২০০ এফআইআর! কেউ কেউ পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে অশান্তি পাকাতে চাইছেন: ডিজি সিদ্ধনাথ
-
‘কমিশন ১০টি গণনাকেন্দ্রের ছয় ঘণ্টার ফুটেজ দিক, দেখাক কিছু হয়নি, আমি মেনে নেব এটাই জনাদেশ’! চ্যালেঞ্জ অভিষেকের
-
৪৫ শতাংশের বেশি ভোট পেয়ে রাজ্যে ২০৭টি আসনে জয় পেল বিজেপি! ৮০টি আসনে জয়ী তৃণমূল, তাদের ভোটের হার কত