জ্যোতিষশাস্ত্র অনুযায়ী, বাড়ির নেতিবাচক শক্তির স্থান হিসাবে গণ্য করা হয় শৌচালয়কে। বাড়ির এই স্থানে রাহু এবং কেতুর প্রভাব বেশি থাকে বলে মনে করা হয়। শৌচালয়ে দীর্ঘ ক্ষণ বসে ফোন ঘাঁটলে সময়ের অপচয় হওয়ার পাশাপাশি তা সংসারে বয়ে আনে কুপ্রভাব। পারিবারিক অশান্তি থেকে শুরু করে তার নেতিবাচক প্রভাব পড়ে ব্যক্তিজীবনেও। জ্যোতিষশাস্ত্র অনুযায়ী, শৌচালয়ে দীর্ঘ ক্ষণ ফোন ব্যবহার করলে তার ফলে কী কী ক্ষতি হতে পারে তা নিয়ে নীচে আলোচনা করা হল—
জ্যোতিষশাস্ত্রে শৌচালয়কে রাহুর স্থান হিসাবে মনে করা হয়। অন্য দিকে, মোবাইল বা বৈদ্যুতিন কোনও গ্যাজেটও রাহুর কারক। শৌচালয়ে ফোনের দীর্ঘ ব্যবহারে রাহুর প্রভাব বহু গুণ বেড়ে যায়। তার ফলে অকারণ দুশ্চিন্তা, অনিদ্রা এবং মানসিক অস্থিরতা তৈরি হতে পারে। রাহুর নেতিবাচক প্রভাবে মানুষের বিচারবুদ্ধি লোপ পেতে পারে, যার ফলে আপনি ভুল সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।
আরও পড়ুন:
বাস্তুমতে, শৌচালয় থেকে নির্গত হওয়া রাহুর কুপ্রভাব ফোনের মাধ্যমে আপনার সঙ্গে সব সময় থেকে যায়। আপনি হাতমুখ ধুয়ে শৌচালয় থেকে বেরিয়ে গেলেও অধিকাংশ সময় ফোন পরিষ্কার করেন না। জ্যোতিষশাস্ত্র অনুসারে, এই নেতিবাচক শক্তি ফোনের মাধ্যমে আপনার শোয়ার ঘর বা রান্নাঘর পর্যন্ত পৌঁছে যায়। তা পরিবারের সকলের ভাগ্যের উপর খারাপ প্রভাব ফেলে।
শাস্ত্রমতে, শৌচালয়ে বসে দীর্ঘ ক্ষণ ফোন ব্যবহার করলে বা গান শুনলে লক্ষ্মী দেবী অসন্তুষ্ট হন বলে মনে করা হয়। এর ফলে কাজে মনঃসংযোগের ক্ষমতা কমে যায়। মেজাজ খিটখিটে হয়ে যাওয়ার কারণে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে বিবাদ হতে পারে। অকারণে পারিবারিক শান্তি বিঘ্নিত হয়। জ্যোতিষশাস্ত্র অনুসারে, শৌচালয়ে ফোন ব্যবহারের ফলে কাজে বাধা সৃষ্টি হয় এবং আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়।