পূর্ব মেদিনীপুরের পরে এ বার বীরভূম এবং মুর্শিদাবাদ সফরে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (সিইও) মনোজকুমার অগ্রবাল। নির্বাচন কমিশন সূত্রের খবর, শুক্রবার বীরভূম যাচ্ছেন সিইও। শনিবার তাঁর মুর্শিদাবাদ যাওয়ার কথা। পূর্ব মেদিনীপুরের মতোই আগামী ২৩ এপ্রিল প্রথম দফায় ভোটগ্রহণ হবে বীরভূম এবং মুর্শিদাবাদে।
সিইও দফতর সূত্রের খবর, দুই জেলায় নির্বাচনের দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠকের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সঙ্গেও কথা বলতে পারেন মনোজ। প্রসঙ্গত, বিধানসভা ভোটের আগে জেলা সফরের শুরুতেই গত শনিবার পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রামে গিয়েছিলেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক। সেই পর্বে তিনি বিভিন্ন এলাকায় ঘুরেছিলেন। কথা বলেছিলেন সাধারণ মানুষের সঙ্গে। মনোজের নন্দীগ্রাম সফরের পরেই একটি ছবি প্রকাশ করে তৃণমূল দাবি করেছিল, স্থানীয় এক বিজেপি নেতাকে সঙ্গে নিয়ে ঘুরেছেন তিনি।
আরও পড়ুন:
রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য এবং তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ একটি ছবি সাংবাদিক বৈঠকে প্রকাশ করে জানান, মনোজের পাশে যে ব্যক্তিকে দেখা যাচ্ছে, তাঁর নাম তপনকুমার মহাপাত্র। শাসকদলের এ-ও দাবি, তপন নন্দীগ্রামের কালীচরণপুর অঞ্চলের বিজেপির আহ্বায়ক। শুধু তা-ই নয়, তিনি বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারীর অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ। মনোজের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্ব ও আদর্শ আচরণবিধি লঙ্ঘনের গুরুতর অভিযোগ তুলে সরাসরি ভারতের নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থও হয়েছে তৃণমূল। রাজ্যের শাসকদলের রাজ্যসভার দলনেতা ডেরেক ও’ব্রায়েন একটি বিস্তারিত অভিযোগপত্র পাঠিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের কাছে, যেখানে সিইও-র বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে। তৃণমূলের দাবি, মনোজের আচরণ অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনী প্রক্রিয়ার পরিপন্থী এবং জনপ্রতিনিধিত্ব আইন (আরপিএ), ১৯৫১ অনুযায়ী এটি ‘দুর্নীতিমূলক আচরণ’-এর পর্যায়ে পড়তে পারে।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
- প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী, প্রচুর পরিমাণে ভোট পড়লে তা সাধারণত স্থিতাবস্থা বা প্রতিষ্ঠানবিরোধী হয়। অর্থাৎ, ক্ষমতাসীন সরকারের বিপক্ষে যায় জনতার রায়। তবে দীর্ঘলালিত এই ধারণার প্রতিযুক্তিও ছিল। তৃণমূলের তরফে গত লোকসভা এবং বিধানসভা ভোটের উদাহরণ দিয়ে দাবি করা হচ্ছিল, অনেক ভোট পড়লেও এ রাজ্যে তা শাসকের পক্ষেই গিয়েছে বরাবর। বিজেপির পাল্টা যুক্তিতে আবার ছিল ২০১১ সালের ‘পরিবর্তনের ভোট’। সে বারও প্রচুর ভোট পড়েছিল এবং ৩৪ বছরের বাম শাসনের অবসান ঘটিয়ে নতুন সরকার গড়েছিলেন মমতা। এ বারের ভোটে এসআইআর সুবিধা করে দিল বিজেপির।
- ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (এসআইআর) যে হয়রানিকে প্রচারে হাতিয়ার করেছিল তৃণমূল, তা কাজে এল না। পশ্চিমবঙ্গবাসী ভোট দিলেন বিজেপির পক্ষেই। ফলে এ রাজ্যেও ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকার তৈরি হতে চলেছে। পশ্চিমবঙ্গ জয় করেছে বিজেপি। গত লোকসভা নির্বাচনেও যে দল সে ভাবে দাঁত ফোটাতে পারেনি, দু’বছরের ব্যবধানে তারাই ২০০-র গণ্ডি ছুঁয়ে ফেলেছে। জেলায় জেলায় পদ্মের ঝড়ে উড়ে গিয়েছেন তৃণমূল প্রার্থীরা।
-
পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা ভেঙে দিলেন রাজ্যপাল আরএন রবি, ইস্তফা না-দিলেও মমতা এখন ‘প্রাক্তন’ মুখ্যমন্ত্রী! রাজ্য কার?
-
বিজেপি মুখ্যমন্ত্রীর শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে থাকবেন প্রধানমন্ত্রী মোদী! রাজ্যে প্রচারে এসে দিয়ে গিয়েছিলেন কথা
-
ভোট-পরবর্তী গোলমালে রুজু ২০০ এফআইআর! কেউ কেউ পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে অশান্তি পাকাতে চাইছেন: ডিজি সিদ্ধনাথ
-
‘কমিশন ১০টি গণনাকেন্দ্রের ছয় ঘণ্টার ফুটেজ দিক, দেখাক কিছু হয়নি, আমি মেনে নেব এটাই জনাদেশ’! চ্যালেঞ্জ অভিষেকের
-
৪৫ শতাংশের বেশি ভোট পেয়ে রাজ্যে ২০৭টি আসনে জয় পেল বিজেপি! ৮০টি আসনে জয়ী তৃণমূল, তাদের ভোটের হার কত