বৃহস্পতিবার পূর্ব মেদিনীপুরের হলদিয়ায় জনসভা রয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর। তার ঠিক আগের দিনই হলদিয়ায় এক বিজেপি কর্মীকে খুনের অভিযোগ উঠল। নিহতের নাম মহাদেব বিশ্বাস। বুধবার হলদিয়ার বালুঘাটায় হলদি নদীর ধারে তাঁর রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার হয়। কী ভাবে তাঁর মৃত্যু হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে পরিবারের দাবি, খুনই করা হয়েছে মহাদেবকে।
প্রাথমিক ভাবে জানা যাচ্ছে, মঙ্গলবার থেকেই নিখোঁজ ছিলেন মহাদেব। নিহতের স্ত্রী জানান, প্রতিদিনের মতো মঙ্গলবারও বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন। কিন্তু আর ফেরেননি। তিনি বলেন, “এটা খুনই হয়েছে। গলা ফুলে আছে। হাতে কাটা আছে।” স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, একটি পরিকল্পিত খুন। এটি একটি স্বাভাবিক মৃত্যু বলে মানতে নারাজ তাঁরা।
দেহ উদ্ধারের ঘটনার পরে নিহতের স্ত্রী তাঁদের রাজনৈতিক পরিচয় প্রকাশ করতে চাইছেন না। তবে জানা যাচ্ছে, মঙ্গলবারও এলাকায় বিজেপির পতাকা লাগাতে দেখা গিয়েছে মহাদেবকে। বিজেপির শিবিরের দাবি, মহাদেব বিজেপি কর্মী ছিলেন। এবং তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরাই নির্বাচনের আগে ভয়ের বাতাবরণ তৈরির জন্য মহাদেবকে খুন করেছে বলে অভিযোগ বিজেপির।
আরও পড়ুন:
যদিও এই ঘটনার সঙ্গে কোনও রাজনৈতিক যোগ নেই বলেই দাবি তৃণমূলের স্থানীয় কর্মী-সমর্থকদের। তাঁদের দাবি, “নিহতের স্ত্রী কখনওই বলেননি তাঁরা বিজেপি করেন। বিজেপি-ই বার বার বলছে, ওই ব্যক্তিকে খুন করা হয়েছে।”
তবে বুধবার এই দেহ উদ্ধারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় বেশ চাপানউতর সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে মোদীর সভার ঠিক আগেই এই দেহ উদ্ধারের ঘটনায় রাজনৈতিক উত্তেজনাও বৃদ্ধি পেয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে হলদিয়ায় সভা করার কথা রয়েছে মোদীর।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
- রবিবার মধ্যরাত থেকে শুরু হয়েছিল। রাজ্যের বেশ কয়েক জন আমলা এবং পুলিশ আধিকারিককে তাঁদের পদ থেকে অপসারণ করে নির্বাচন কমিশন। বুধবার রাত পর্যন্ত তা অব্যাহত ছিল। সেই সব পদে নতুন আধিকারিকও নিয়োগ করে দেওয়া হয়। শুধু তা-ই নয়, কমিশন স্পষ্ট জানায়, যাঁদের অপসারণ করা হচ্ছে, তাঁদের এ রাজ্যে নির্বাচন সংক্রান্ত কোনও কাজে আপাতত আর নিয়োগ করা যাবে না!
- পশ্চিমবঙ্গের ভোটের ক্ষেত্রে কমিশনের এই ‘সক্রিয়তা’ নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন তুলেছে শাসকদল তৃণমূল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এ ভাবে অপসারণের পদক্ষেপে অসন্তোষ প্রকাশ করে দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠিও লেখেন। চিঠিতে তিনি অভিযোগ করেন, রাজ্য সরকারের সঙ্গে আগাম কোনও আলোচনা না-করে বা কোনও মতামত না-নিয়ে বদলি করা হচ্ছে। তিনি আরও জানান, অতীতে নির্বাচন চলাকালীন কোনও গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা আধিকারিককে সরানোর প্রয়োজন হলে কমিশনের পক্ষ থেকে সাধারণত রাজ্য সরকারের কাছে তিন জনের একটি প্যানেল চাওয়া হত। সেই তালিকা থেকে কমিশন নিজেই এক জনকে বেছে নিত। মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, এ বার সেই প্রচলিত রীতির সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম ঘটেছে। প্রার্থিতালিকা ঘোষণার আগেও কমিশনকে এ বিষয়ে তোপ দাগেন মমতা। নিশানা করেন কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকেও।
-
১৯:৪৬
‘মেদিনীপুরের মাটি গদ্দারদের কখনও সমর্থন করে না, মানুষের উচ্ছ্বাসই তার প্রমাণ’! শুভেন্দুর গড়ে দাঁড়িয়ে কটাক্ষ অভিষেকের -
১৯:৪২
নন্দীগ্রামের তৃণমূল প্রার্থীর বিরুদ্ধে এখনই কড়া পদক্ষেপ করতে পারবে না পুলিশ, নির্দেশ কলকাতা হাই কোর্টের -
১৮:৪০
‘যুবশক্তি কার্ডের’ বদলে যুবদের হাতে ‘মাতৃশক্তি কার্ড’ তুলে দিয়েছে বিজেপি! লিয়েন্ডারদের কর্মসূচিকে কটাক্ষ তৃণমূলের -
১৬:৫৯
আজ আমার চেয়ে খুশি কেউ নয়! বাতিল ভোটার নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের রায়ে উচ্ছ্বসিত মমতা, দলের কর্মীদের বিশেষ নির্দেশ -
১৬:২৫
ভবানীপুর শুভেন্দুকে জেতালে বাড়ি কিনে বিধায়ক কার্যালয় গড়ে পরিষেবা দেব, জানিয়ে দিলেন পিতা শিশির