মালদহের কালিয়াচকে ভোটার তালিকা থেকে ‘নাম বাদ যাওয়া’কে কেন্দ্র করে বিক্ষোভ শুরু করলেন এলাকাবাসীরা। রাস্তা অবরোধ করে চলছে বিক্ষোভ। এমনকি বিক্ষোভের জেরে কালিয়াচক-২ ব্লকে সাত জন বিচারবিভাগীয় আধিকারিক আটকে রয়েছেন। ব্লক অফিসে তাঁদের ঘেরাও করে রাখা হয়েছে। ইতিমধ্যে বিক্ষোভস্থলে পুলিশকর্মীদের মোতায়েন করা হয়েছে। তবে বিক্ষোভকারীদের এখনও হটানো যায়নি।
ভোটার তালিকা থেকে কোনও বৈধ ভোটারের নাম বাদ গেলে তাঁরা ট্রাইবুনালে আবেদন করতে পারেন। কিন্তু বিক্ষোভকারীদের দাবি, তাঁদের সমস্যার চটজলদি সুরাহা করতে হবে। আগে সমস্যার সমাধান করতে হবে, তার পরে ভোট হবে। এই দাবিতে বুধবার সকাল থেকে মালদহের বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষোভ শুরু হয়। মোথাবাড়ি এবং সুজাপুর এলাকায় সকাল থেকে বিক্ষোভ শুরু করেন এলাকাবাসীদের একাংশ। ১২ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন তাঁরা। প্রাথমিক ভাবে জানা যাচ্ছে, বুধবার সকাল ১১টা থেকে অবরোধ বিক্ষোভ শুরু হয়। এবং তা গভীর রাত পর্যন্ত চলছে।
জানা যাচ্ছে, এরই মধ্যে কালিয়াচক-২ ব্লক অফিসের বাইরেও ঘেরাও এবং বিক্ষোভ শুরু হয়। ওই ব্লক অফিসে তখন এসআইআর-এর কাজে নিযুক্ত সাত জন বিচারবিভাগীয় আধিকারিক ছিলেন। তাঁদের মধ্যে তিন মহিলাও রয়েছেন। জানা যাচ্ছে, ঘেরাও এবং বিক্ষোভের জেরে ওই বিচারবিভাগীয় আধিকারিকেরাও আটকে পড়েন ব্লক অফিসে।
আরও পড়ুন:
বিক্ষোভস্থলের যে ভিডিয়োগুলি প্রকাশ্যে এসেছে, তাতে দেখা যাচ্ছে প্রচুর মানুষ ভিড় করে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন। মাইক প্রচার করে প্রতিবাদ বিক্ষোভ চলছে। এলাকায় মোতায়েন রয়েছেন পুলিশকর্মীরাও।
সূত্রের খবর, ঘটনাস্থলে মোতায়েন পুলিশকর্মী এবং প্রশাসনের আধিকারিকেরা দফায় দফায় অবরোধ তোলার জন্য অনুরোধ করেন বিক্ষোভকারীদের। তবে এখনও পর্যন্ত বিক্ষোভকারীদের সরানো যায়নি। সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে মালদহের পুলিশ সুপার অনুপম সিংহ জানান, পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে এখনই এ বিষয়ে বিশদে কোনও মন্তব্য করছে না পুলিশ।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
- রবিবার মধ্যরাত থেকে শুরু হয়েছিল। রাজ্যের বেশ কয়েক জন আমলা এবং পুলিশ আধিকারিককে তাঁদের পদ থেকে অপসারণ করে নির্বাচন কমিশন। বুধবার রাত পর্যন্ত তা অব্যাহত ছিল। সেই সব পদে নতুন আধিকারিকও নিয়োগ করে দেওয়া হয়। শুধু তা-ই নয়, কমিশন স্পষ্ট জানায়, যাঁদের অপসারণ করা হচ্ছে, তাঁদের এ রাজ্যে নির্বাচন সংক্রান্ত কোনও কাজে আপাতত আর নিয়োগ করা যাবে না!
- পশ্চিমবঙ্গের ভোটের ক্ষেত্রে কমিশনের এই ‘সক্রিয়তা’ নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন তুলেছে শাসকদল তৃণমূল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এ ভাবে অপসারণের পদক্ষেপে অসন্তোষ প্রকাশ করে দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠিও লেখেন। চিঠিতে তিনি অভিযোগ করেন, রাজ্য সরকারের সঙ্গে আগাম কোনও আলোচনা না-করে বা কোনও মতামত না-নিয়ে বদলি করা হচ্ছে। তিনি আরও জানান, অতীতে নির্বাচন চলাকালীন কোনও গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা আধিকারিককে সরানোর প্রয়োজন হলে কমিশনের পক্ষ থেকে সাধারণত রাজ্য সরকারের কাছে তিন জনের একটি প্যানেল চাওয়া হত। সেই তালিকা থেকে কমিশন নিজেই এক জনকে বেছে নিত। মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, এ বার সেই প্রচলিত রীতির সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম ঘটেছে। প্রার্থিতালিকা ঘোষণার আগেও কমিশনকে এ বিষয়ে তোপ দাগেন মমতা। নিশানা করেন কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকেও।
-
১৭:২৪
জাহাঙ্গিরের ঘনিষ্ঠদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়েরের নির্দেশ কমিশনের! না-হলে পুলিশের বিরুদ্ধেই পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি -
১৭:২০
ভোটগণনায় অতিরিক্ত ১৬৫ জন গণনা পর্যবেক্ষক নিয়োগ করল কমিশন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ৭৭ পুলিশ পর্যবেক্ষক -
১৬:৫২
‘কেন্দ্রীয় বাহিনীর অত্যাচার যাঁরা সয়েছেন, তাঁরা পুরস্কৃত হবেন’! বড় জয় নিয়ে প্রত্যয়ী মমতা ও অভিষেকের বার্তা দলীয় বৈঠকে -
১৫:৪০
আবার অশান্ত ফলতা! দফায় দফায় উত্তেজনা, পুনর্নির্বাচনের দাবি তুললেন গ্রামবাসীদের একাংশ, রিপোর্ট তলব কমিশনের -
১৩:৩২
পোস্টাল ব্যালট বাছাইয়ে বিধি ভেঙেছেন ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রের রিটার্নিং অফিসার! কমিশনে ফের নালিশ তৃণমূলের