E-Paper

গ্রাম থেকেও হারাচ্ছে হাতপাখা

শহর হোক কিংবা গ্রাম, গরম পড়তেই এক সময় হাতপাখার কদর বাড়ত। গ্রাম থেকে শহর, মুদির দোকান থেকে চায়ের দোকান সব জায়গায় পাওয়া যেত হাতপাখা। প্রবীণেরা জানিয়েছেন, বিদ্যুৎ সংযোগ চলে এলেও হাতপাখার গুরুত্ব কমেনি।

সাগর হালদার  

শেষ আপডেট: ০৬ জুলাই ২০২৬ ০১:০৫

— প্রতীকী চিত্র।

চাহিদা কমেছে তালপাতার হাতপাখার। ফলে পাখা প্রস্তুতকারীদের অবস্থাও খারাপ। হাতে গোনা কয়েক জন এই পেশায় টিকে রয়েছেন। গ্রীষ্মের সময়েও বদলাতে হচ্ছে পেশা।

শহর হোক কিংবা গ্রাম, গরম পড়তেই এক সময় হাতপাখার কদর বাড়ত। গ্রাম থেকে শহর, মুদির দোকান থেকে চায়ের দোকান সব জায়গায় পাওয়া যেত হাতপাখা। প্রবীণেরা জানিয়েছেন, বিদ্যুৎ সংযোগ চলে এলেও হাতপাখার গুরুত্ব কমেনি। লোডশেডিংয়ে নির্ভর করে থাকতে হত হাতপাখার উপর। তবে সময় ও প্রযুক্তির দৌলতে এক সময় শহরে হাতপাখার চাহিদা কমতে থাকে। চার-পাঁচ বছর আগেও হাতপাখার চাহিদা ছিল প্রান্তিক এলাকায়। তবে বিগত কয়েক বছরে গ্রামীণ এলাকা থেকেও যেন তা হারিয়ে যেতে বসেছে।

সাধারণ মানুষ থেকে দোকানদার সকলেই জানিয়েছেন, আগে গরম কিংবা লোডশেডিং থেকে বাঁচতে হাতপাখার একচেটিয়া বাজার ছিল। কিন্তু এখন বৈদ্যুতিক পাখা, এসি, কুলারের দৌলতে তালপাতার পাখা হারিয়ে যাচ্ছে। লোডশেডিংয়ের সময়েও বিকল্প প্রযুক্তির কল্যাণে হাতপাখার প্রয়োজন পড়ছে কম। পাখা প্রস্তুতকারী বার্নিয়ার আজাদ মণ্ডল, ফারুক শেখরা জানান, চাহিদা একদমই নেই। আগে তেহট্ট, শ্যামনগর-সহ বিভিন্ন হাটে কয়েক ঘণ্টায় সব বিক্রি হয়ে যেত। আর এখন হাটে পাখা নিয়ে যাওয়াই প্রায় বন্ধ। হাতপাখা পরিবর্তে চাষবাসে শুরু করেছেন তারা। রতন সাহা, দিলীপ বিশ্বাসেরা জানান, কিছু কিছু দোকানে গিয়ে হাতে গোনা কয়েকটা পাখা বেচাকেনা হয়েছে। তা ছাড়া গ্রামে তালগাছের সংখ্যাও কমেছে। তাই পাখা বানানোও কমেছে।

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

fan

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy