সাংবাদিকতা থেকে সরাসরি ভোটের ময়দানে নেমেছেন দেবদীপ পুরোহিত। খড়দহ থেকে তাঁকে প্রার্থী করেছে তৃণমূল। দেবদীপ অবশ্য খড়দহের ভূমিপুত্র। ২০২১ সালে এই কেন্দ্রে জিতেছিলেন তৃণমূলের কাজল সিংহ। তবে ভোটের ফলপ্রকাশের আগেই কোভিডে মৃত্যু হয় তাঁর। ওই বছরেই খড়দহ বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনে জয়ী হন রাজ্যের বিদায়ী মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। এ বার তাঁকে বালিগঞ্জে প্রার্থী করেছে রাজ্যের শাসকদল। আর খড়দহে প্রার্থী করা হয়েছে দেবদীপকে।
এ বারের বিধানসভা নির্বাচনে খড়দহে চতুর্মুখী লড়াই হতে চলেছে। এই কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী করেছে কল্যাণ চক্রবর্তীকে। সিপিএম প্রার্থী দেবজ্যোতি দাস। কংগ্রেস প্রার্থী করেছে জয়দেব ঘোষকে। ইতিমধ্যেই মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন দেবদীপ। একই সঙ্গে দাখিল করেছেন হলফনামাও। সেই হলফনামা অনুযায়ী দেবদীপের মোট অস্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ ৩ কোটি ৩৫ লক্ষ ৮৬ হাজার ৯০১ টাকা। দেবদীপ কাশীপুর-বেলগাছিয়া কেন্দ্রের ভোটার।
সম্পত্তি
হলফনামা অনুযায়ী, দেবদীপের হাতে রয়েছে ৭০ হাজার ৪৪৬ টাকা। তাঁর নামে ছ’টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট রয়েছে। দেবদীপের স্ত্রী পিয়া ভট্টাচার্য পুরোহিতের নামে রয়েছে দু’টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট। দেবদীপ হলফনামায় জানিয়েছেন, তাঁর বেশ কয়েকটি বিনিয়োগ এবং জীবনবিমা রয়েছে। রয়েছে দু’টি গাড়ি। একটি গাড়ির বাজারমূল্য ৬ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা। অপর গাড়িটির মূল্য ৩ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা। দেবদীপের স্ত্রীর মোট অস্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ ১ কোটি ৩৪ হাজার ৪৪২ টাকা। যৌথ মালিকানায় তাঁর একটি ফ্ল্যাট রয়েছে। ফ্ল্যাটটির বর্তমান বাজারমূল্য ১ কোটি ২৫ লক্ষ ১ হাজার ৩৩৬ টাকা।
আরও পড়ুন:
সোনা-গয়না
দেবদীপের কাছে মোট ২৫ গ্রাম সোনা রয়েছে, যার দাম ৩ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা। দেবদীপের স্ত্রীর কাছে রয়েছে ৫২ গ্রাম সোনা, যার বাজারমূল্য ৬ লক্ষ ৮৬ হাজার ৪০০ টাকা। গাড়ির জন্য দেবদীপের ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকার ঋণ রয়েছে।
অপরাধ
দেবদীপের বিরুদ্ধে কোথাও কোনও অপরাধের রেকর্ড নেই। কোনও থানায় তাঁর নামে এফআইআর দায়ের হয়নি। ফলে কোনও মামলাতে তাঁর বিরুদ্ধে চার্জ গঠনেরও প্রশ্ন নেই।
শিক্ষাগত যোগ্যতা
১৯৯৭ সালে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে স্নাতকোত্তর হন দেবদীপ। ২০০৩ সালে তিনি কলকাতার ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ ম্যানেজমেন্ট থেকে এমবিএ-র পাঠ শেষ করেন।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
- প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী, প্রচুর পরিমাণে ভোট পড়লে তা সাধারণত স্থিতাবস্থা বা প্রতিষ্ঠানবিরোধী হয়। অর্থাৎ, ক্ষমতাসীন সরকারের বিপক্ষে যায় জনতার রায়। তবে দীর্ঘলালিত এই ধারণার প্রতিযুক্তিও ছিল। তৃণমূলের তরফে গত লোকসভা এবং বিধানসভা ভোটের উদাহরণ দিয়ে দাবি করা হচ্ছিল, অনেক ভোট পড়লেও এ রাজ্যে তা শাসকের পক্ষেই গিয়েছে বরাবর। বিজেপির পাল্টা যুক্তিতে আবার ছিল ২০১১ সালের ‘পরিবর্তনের ভোট’। সে বারও প্রচুর ভোট পড়েছিল এবং ৩৪ বছরের বাম শাসনের অবসান ঘটিয়ে নতুন সরকার গড়েছিলেন মমতা। এ বারের ভোটে এসআইআর সুবিধা করে দিল বিজেপির।
- ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (এসআইআর) যে হয়রানিকে প্রচারে হাতিয়ার করেছিল তৃণমূল, তা কাজে এল না। পশ্চিমবঙ্গবাসী ভোট দিলেন বিজেপির পক্ষেই। ফলে এ রাজ্যেও ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকার তৈরি হতে চলেছে। পশ্চিমবঙ্গ জয় করেছে বিজেপি। গত লোকসভা নির্বাচনেও যে দল সে ভাবে দাঁত ফোটাতে পারেনি, দু’বছরের ব্যবধানে তারাই ২০০-র গণ্ডি ছুঁয়ে ফেলেছে। জেলায় জেলায় পদ্মের ঝড়ে উড়ে গিয়েছেন তৃণমূল প্রার্থীরা।
-
পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা ভেঙে দিলেন রাজ্যপাল আরএন রবি, ইস্তফা না-দিলেও মমতা এখন ‘প্রাক্তন’ মুখ্যমন্ত্রী! রাজ্য কার?
-
বিজেপি মুখ্যমন্ত্রীর শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে থাকবেন প্রধানমন্ত্রী মোদী! রাজ্যে প্রচারে এসে দিয়ে গিয়েছিলেন কথা
-
ভোট-পরবর্তী গোলমালে রুজু ২০০ এফআইআর! কেউ কেউ পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে অশান্তি পাকাতে চাইছেন: ডিজি সিদ্ধনাথ
-
‘কমিশন ১০টি গণনাকেন্দ্রের ছয় ঘণ্টার ফুটেজ দিক, দেখাক কিছু হয়নি, আমি মেনে নেব এটাই জনাদেশ’! চ্যালেঞ্জ অভিষেকের
-
৪৫ শতাংশের বেশি ভোট পেয়ে রাজ্যে ২০৭টি আসনে জয় পেল বিজেপি! ৮০টি আসনে জয়ী তৃণমূল, তাদের ভোটের হার কত