যাদবপুর কেন্দ্র থেকে এ বার আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যকে বিধানসভা নির্বাচনের প্রার্থী করেছে সিপিএম। এর আগে ওই কেন্দ্র থেকে ২০১৯ সালে লোকসভা ভোটে লড়েছিলেন তিনি। কিন্তু তৃণমূলের মিমি চক্রবর্তীর কাছে পরাজিত হন। গত ৮ এপ্রিল সিপিএম প্রার্থী হিসাবে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন রাজ্যসভার এই প্রাক্তন সাংসদ।
যাদবপুর থেকে এ বার তৃণমূল প্রার্থী করেছে বিদায়ী বিধায়ক দেবব্রত মজুমদারকে। বিজেপির টিকিটে লড়বেন অভিনেত্রী শর্বরী মুখোপাধ্যায়। তাঁদের বিরুদ্ধে বিকাশও পুরোদমে প্রচার চালাচ্ছেন। আগামী ২৯ এপ্রিল দ্বিতীয় দফায় যাদবপুরে ভোটগ্রহণ হবে। ফল জানা যাবে ৪ মে।
আরও পড়ুন:
অপরাধের রেকর্ড
বর্ষীয়ান আইনজীবী বিকাশের বিরুদ্ধে পুলিশের খাতায় কোনও অভিযোগ নেই। তাঁর নামে কোনও এফআইআর হয়নি।
সম্পত্তি ও অর্থ
হাতে ৬৭ হাজার ৩৯১ টাকা নগদ নিয়ে ভোটের লড়াইয়ে নামছেন বিকাশ। স্থায়ী আমানত, পিপিএফ-সহ ব্যাঙ্কে তাঁর মোট সাতটি অ্যাকাউন্ট রয়েছে। তার মধ্যে রাজ্যসভার সাংসদ তহবিলের অ্যাকাউন্টও রয়েছে। এ ছাড়া কিছু জায়গায় বিনিয়োগ রয়েছে বিকাশের। তাঁর স্ত্রী ইভা ভট্টাচার্যের মোট চারটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট। আপাতত তাঁর হাতে নগদ রয়েছে ২২ হাজার ৮৫০ টাকা।
২০১৫ সালে ৩ লক্ষ টাকার একটি গাড়ি কিনেছিলেন বিকাশ। এর পর ২০২৫ সালে ৭২ লক্ষ টাকা দিয়ে একটি অডি কেনেন। এই দু’টি গাড়িই তিনি ব্যবহার করেন। বিকাশের স্ত্রীর কাছে মোট ৬০০ গ্রাম গয়না রয়েছে, হলফনামা অনুযায়ী যার আনুমানিক বাজারদর ১২ লক্ষ ৯ হাজার ৮০০ টাকা। বিকাশের মোট অস্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ ১৪ কোটি ২৩ লক্ষ ৪৬ হাজার ২৮৮ টাকা। তাঁর স্ত্রীর অস্থাবর সম্পত্তি রয়েছে ২ কোটি ৫৭ লক্ষ ৫২ হাজার ৬৪৯ টাকার।
বিকাশের স্থাবর সম্পত্তি শূন্য। নিজের নামে বাড়িও নেই। তবে তাঁর স্ত্রীর নামে দু’টি বাড়ি রয়েছে। স্ত্রীর মোট স্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ ৫ কোটি ১৪ লক্ষ ৮৬ হাজার ৯৮০ টাকা। এ ছাড়া, তাঁর কাছ থেকে তাঁর স্ত্রী তিন কোটি টাকা ঋণ নিয়েছেন বলে হলফনামায় জানিয়েছেন বিকাশ।
শিক্ষাগত যোগ্যতা
বিকাশ পেশায় আইনজীবী। তাঁর স্ত্রী খাদ্য বিষয়ক পরামর্শদাতা (ডায়েট কনসালট্যান্ট)। ১৯৬৭ সালে কালীঘাট হাই স্কুল থেকে বিকাশ উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেন। ১৯৭১ সালে আশুতোষ কলেজ থেকে বিজ্ঞান বিভাগে স্নাতক পাশ করেন (বিএসসি)। ১৯৭৫ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন পাশ করেন।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
- প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী, প্রচুর পরিমাণে ভোট পড়লে তা সাধারণত স্থিতাবস্থা বা প্রতিষ্ঠানবিরোধী হয়। অর্থাৎ, ক্ষমতাসীন সরকারের বিপক্ষে যায় জনতার রায়। তবে দীর্ঘলালিত এই ধারণার প্রতিযুক্তিও ছিল। তৃণমূলের তরফে গত লোকসভা এবং বিধানসভা ভোটের উদাহরণ দিয়ে দাবি করা হচ্ছিল, অনেক ভোট পড়লেও এ রাজ্যে তা শাসকের পক্ষেই গিয়েছে বরাবর। বিজেপির পাল্টা যুক্তিতে আবার ছিল ২০১১ সালের ‘পরিবর্তনের ভোট’। সে বারও প্রচুর ভোট পড়েছিল এবং ৩৪ বছরের বাম শাসনের অবসান ঘটিয়ে নতুন সরকার গড়েছিলেন মমতা। এ বারের ভোটে এসআইআর সুবিধা করে দিল বিজেপির।
- ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (এসআইআর) যে হয়রানিকে প্রচারে হাতিয়ার করেছিল তৃণমূল, তা কাজে এল না। পশ্চিমবঙ্গবাসী ভোট দিলেন বিজেপির পক্ষেই। ফলে এ রাজ্যেও ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকার তৈরি হতে চলেছে। পশ্চিমবঙ্গ জয় করেছে বিজেপি। গত লোকসভা নির্বাচনেও যে দল সে ভাবে দাঁত ফোটাতে পারেনি, দু’বছরের ব্যবধানে তারাই ২০০-র গণ্ডি ছুঁয়ে ফেলেছে। জেলায় জেলায় পদ্মের ঝড়ে উড়ে গিয়েছেন তৃণমূল প্রার্থীরা।
-
পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা ভেঙে দিলেন রাজ্যপাল আরএন রবি, ইস্তফা না-দিলেও মমতা এখন ‘প্রাক্তন’ মুখ্যমন্ত্রী! রাজ্য কার?
-
বিজেপি মুখ্যমন্ত্রীর শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে থাকবেন প্রধানমন্ত্রী মোদী! রাজ্যে প্রচারে এসে দিয়ে গিয়েছিলেন কথা
-
ভোট-পরবর্তী গোলমালে রুজু ২০০ এফআইআর! কেউ কেউ পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে অশান্তি পাকাতে চাইছেন: ডিজি সিদ্ধনাথ
-
‘কমিশন ১০টি গণনাকেন্দ্রের ছয় ঘণ্টার ফুটেজ দিক, দেখাক কিছু হয়নি, আমি মেনে নেব এটাই জনাদেশ’! চ্যালেঞ্জ অভিষেকের
-
৪৫ শতাংশের বেশি ভোট পেয়ে রাজ্যে ২০৭টি আসনে জয় পেল বিজেপি! ৮০টি আসনে জয়ী তৃণমূল, তাদের ভোটের হার কত