নন্দীগ্রামের পুলিশ পর্যবেক্ষককে এ বার সরিয়ে দিল নির্বাচন কমিশন। ২৩ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার এই বিধানসভা কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ রয়েছে। তার ৪৮ ঘণ্টা আগে ওই কেন্দ্রের পুলিশ পর্যবেক্ষক বদল করল কমিশন। নতুন পুলিশ পর্যবেক্ষক হিসাবে নিয়োগ করা হয়েছে অখিলেশ সিংহকে।
নন্দীগ্রামে পুলিশ পর্যবেক্ষক হিসাবে হিতেশ চৌধরিকে নিয়োগ করেছিল কমিশন। কিন্তু সেই কমিশনই এ বার তাঁকে সরিয়ে নতুন পুলিশ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করল। কেন এই বদল তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে কমিশন জানিয়েছে, অবিলম্বে বদলির নির্দেশ কার্যকর করতে হবে। নন্দীগ্রামে পুলিশ পর্যবেক্ষক হিসাবে দায়িত্ব নিতে হবে অখিলেশকে।
২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে নজরে নন্দীগ্রাম। সেই কেন্দ্রে এ বারও বিজেপির প্রার্থী বিদায়ী বিধায়ক তথা পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর বিপক্ষে তৃণমূল প্রার্থী করছে পবিত্র করকে। প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনে বিজেপির প্রতীকে বয়াল গ্রাম পঞ্চায়েতের ভোটে জিতে পঞ্চায়েত সদস্য হয়েছিলেন তিনি। কিন্তু ১৭ মার্চ কলকাতার ক্যামাক স্ট্রিটের দফতরে এসে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরে তৃণমূলে যোগ দেন। সেই দিনই নন্দীগ্রামে প্রার্থী হিসাবে তাঁর নাম ঘোষণা করে তৃণমূল।
আরও পড়ুন:
গত বার নন্দীগ্রামে তৃণমূলের হয়ে লড়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে ১৯৫৬ ভোটে হেরে গিয়েছিলেন শুভেন্দুর কাছে। পরে ভবানীপুর থেকে লড়ে জিতেছিলেন মমতা। এ বারের ভোটেও মমতা, শুভেন্দু দ্বৈরথ দেখবে পশ্চিমবঙ্গ। তবে এ বার নন্দীগ্রাম নয়, লড়াই হবে ভবানীপুরে। ওই কেন্দ্রেও বিজেপির প্রার্থী শুভেন্দু। তৃণমূলের টিকেটে লড়ছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা।
কেন ভোটের ঠিক দু’দিন আগে পুলিশ পর্যবেক্ষককে সরাল কমিশন? মনে করা হচ্ছে, ভোটের সময় ওই কেন্দ্রের আইনশৃঙ্খলা আরও আঁটোসাঁটো করতে, নজরদারি বাড়াতেই এই সিদ্ধান্ত। যদিও কমিশনের তরফে বদলির কোনও কারণ জানানো হয়নি।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
- রবিবার মধ্যরাত থেকে শুরু হয়েছিল। রাজ্যের বেশ কয়েক জন আমলা এবং পুলিশ আধিকারিককে তাঁদের পদ থেকে অপসারণ করে নির্বাচন কমিশন। বুধবার রাত পর্যন্ত তা অব্যাহত ছিল। সেই সব পদে নতুন আধিকারিকও নিয়োগ করে দেওয়া হয়। শুধু তা-ই নয়, কমিশন স্পষ্ট জানায়, যাঁদের অপসারণ করা হচ্ছে, তাঁদের এ রাজ্যে নির্বাচন সংক্রান্ত কোনও কাজে আপাতত আর নিয়োগ করা যাবে না!
- পশ্চিমবঙ্গের ভোটের ক্ষেত্রে কমিশনের এই ‘সক্রিয়তা’ নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন তুলেছে শাসকদল তৃণমূল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এ ভাবে অপসারণের পদক্ষেপে অসন্তোষ প্রকাশ করে দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠিও লেখেন। চিঠিতে তিনি অভিযোগ করেন, রাজ্য সরকারের সঙ্গে আগাম কোনও আলোচনা না-করে বা কোনও মতামত না-নিয়ে বদলি করা হচ্ছে। তিনি আরও জানান, অতীতে নির্বাচন চলাকালীন কোনও গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা আধিকারিককে সরানোর প্রয়োজন হলে কমিশনের পক্ষ থেকে সাধারণত রাজ্য সরকারের কাছে তিন জনের একটি প্যানেল চাওয়া হত। সেই তালিকা থেকে কমিশন নিজেই এক জনকে বেছে নিত। মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, এ বার সেই প্রচলিত রীতির সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম ঘটেছে। প্রার্থিতালিকা ঘোষণার আগেও কমিশনকে এ বিষয়ে তোপ দাগেন মমতা। নিশানা করেন কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকেও।
-
১৫:২৮
৫ তারিখের পর শুধু বাংলা নয়, দেশ থেকে সব অনুপ্রবেশকারীকে তাড়িয়ে ছাড়ব! শালবনি থেকে তোপ শাহের -
১৪:৫৯
সহকারী অধ্যাপকদের নিয়োগ করা যাবে প্রিসাইডিং অফিসার হিসাবে! সিঙ্গল বেঞ্চের রায় স্থগিত করে নির্দেশ ডিভিশন বেঞ্চের -
১৪:২২
‘পুলিশকে কোনওদিন দেখিনি বিজেপির হয়ে কাজ করতে, সকলে এক হয়ে কাজ করছে’! হলদিয়ার সভা থেকে বললেন মমতা -
১৩:৫০
১ জুন থেকে সরকারি বাসে মহিলারা বিনামূল্যে সফর করতে পারবেন, কুলটির সভা থেকে ঘোষণা অমিত শাহের -
১৩:১৬
ভোটের দু’দিন আগে থেকেই বাইক চালানোয় বিধিনিষেধ জারি করে দিল নির্বাচন কমিশন! কোন কোন ক্ষেত্রে মিলবে ছাড়