দীপিকা পাড়ুকোন, কিয়ারা আডবাণীদের পর তালিকায় নাম লেখালেন কৃতি সেননও। পেশাজীবনে প্রথম বার বিকিনি পরে গানের দৃশ্য শুট করলেন ‘ককটেল ২’ ছবির জন্য। সদ্য মুক্তি পাওয়া ট্রেলারে তাঁর ‘বিকিনি বডি’ দেখে মুগ্ধ অনুরাগীমহল। কিন্তু লক্ষ্য পূরণের জন্য পরিশ্রম নেহাত কম করেননি বলিউডের নায়িকা।
ছবিতে কোনও বিশেষ চরিত্রের জন্য অভিনেতা-অভিনেত্রীদের শরীরের গঠন বা আকার বদলে ফেলার গল্প নতুন নয়। কখনও ওজন বাড়াতে হয়, কখনও আবার কমাতে হয়। তবে এখন ফিটনেস জগতে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এসেছে। শুধু রোগা হওয়া নয়, বরং মজবুত ও সুস্থ শরীর গড়ে তোলার উপরই জোর দিচ্ছেন ফিটনেস প্রশিক্ষকেরাও।
কৃতি সেননের নতুন চেহারা। ছবি: সংগৃহীত
কৃতির ক্ষেত্রেও তেমনটাই হয়েছে। ‘জ়িরো ফিগার’ নয়, বরং এমন তন্বী চেহারা বানাতে চেয়েছিলেন, যাতে তাঁকে অসুস্থ না মনে হয়। আর সম্প্রতি সে কথা প্রকাশ করলেন তাঁর ফিটনেস প্রশিক্ষক কর্ণ সহনে। সম্প্রতি একটি ভিডিয়ো পোস্ট করে তিনি কৃতির কসরতের নমুনা দেখিয়েছেন তিনি। প্রশিক্ষকের কথায়, কৃতির শারীরচর্চার পরিকল্পনা এমন ভাবে করা হয়েছিল যাতে তিনি স্বাভাবিক ভাবেই ছিপছিপে দেখান, শক্তি বা স্বাস্থ্য কোনও ভাবেই যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয়। কিন্তু একই সঙ্গে মাথায় রাখতে হয়েছিল, পরিচালক ঠিক কী ভাবে চরিত্রটিকে দেখতে চাইছেন, সেই বিষয়টিও।
প্রত্যেক দিন শারীরচর্চা করতে গিয়েছেন তিনি। ইচ্ছে না করলেও নিয়মভঙ্গ হয়নি তাঁর। কারণ পরিচালকের দাবি ছিল, কৃতিকে একেবারে রোগ হয়ে যেতে হবে, সম্পূর্ণ টোনড চেহারা পেতে হবে। পেটের পেশি অর্থাৎ অ্যাব্স যেন ক্যামেরায় স্পষ্ট দেখা যায়। কিন্তু অনেক সময়ে এক ধাক্কায় রোগা হয়ে গেলে ত্বকের জেল্লা চলে যায়। সেটা হলেও চলবে না। গাল যেন ভেঙে না যায়। ফলে কৃচ্ছ্রসাধনের পন্থা বেছে নেওয়ার সুযোগ ছিল না। তাই খুব ভেবেচিন্তে এক এক ধাপে এগিয়ে লক্ষ্যভেদ করতে হয়েছে তাঁকে।
কী ভাবে শারীরচর্চা করতে হয় কৃতিকে?
· সপ্তাহে ৬ দিন ব্যায়াম করতে হত নায়িকাকে।
· পেশিক্ষয় না করেই মেদ ঝরাতে হত, তাই ট্রেডমিলেই উতরাই পথ তৈরি করে হাঁটতে হত।
· কার্ডিয়ো করে বিপাকীয় স্বাস্থ্যকে ঠিক রাখতে হত।
· গাল যাতে ভেঙে না যায়, তার জন্য পর্যাপ্ত পুষ্টির জোগান থাকত।
· শক্তিবৃদ্ধি করার ব্যায়াম করতে হত।
· প্রোটিনে ভরা খাবার খেতে হত।
· ঘুম এবং পুষ্টির দিকে বিশেষ নজর দিতে হত।