আবার রাজ্য পুলিশে রদবদল। ভোটের মুখে বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেটের কমিশনারকে সরিয়ে দিল নির্বাচন কমিশন। ওই পদে ছিলেন মুরলীধর। তাঁর জায়গায় বিধাননগরের নতুন পুলিশ কমিশনার হলেন ত্রিপুরারি অথর্ব। শনিবার সকাল ১১টার মধ্যে দায়িত্ব নিতে বলা হয়েছে তাঁকে।
এর আগে মুরলীধরকে ভোটের পর্যবেক্ষক হিসাবে তামিলনাড়ুতে পাঠানোর কথা বলেছিল কমিশন। পরে সেই নির্দেশে স্থগিতাদেশ দেয় তারা। বিধাননগরের পুলিশ কমিশনার পদেই থেকে যান মুরলী। যদিও অপসারিত ১৩ জন আইপিএস আধিকারিকের জন্য পুরনো নির্দেশই বহাল রেখে দেওয়া হয়। তাঁদের কেরল এবং তামিলনাড়ুতে ভোটের পর্যবেক্ষক হিসাবে পাঠানো হয়।
২০২৬ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি মুরলীধরকে বিধাননগরের পুলিশ কমিশনার পদে নিয়োগ করেছিল রাজ্য। ১৫ মার্চ ভোট ঘোষণার পরে রাজ্যে একঝাঁক পুলিশ আধিকারিককে বদলি করে নির্বাচন কমিশন। যদিও মুরলী এত দিন বিধাননগরের কমিশনার পদেই ছিলেন। এ বার তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হল।
যুবভারতীতে বিশৃঙ্খলার সময় বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেটের কমিশনার (সিপি) ছিলেন মুকেশ। ঘটনার পর পরই তাঁকে শো কজ় করেছিলেন রাজ্যের তৎকালীন মুখ্যসচিব মনোজ পন্থ। ফেব্রুয়ারি মাসে বিধাননগর থেকে তাঁকে সরিয়ে মুর্শিদাবাদ-জঙ্গিপুর রেঞ্জের আইজি করা হয়। তার পরেই ওই পদে বসানো হয়েছিল মুরলীকে।
আরও পড়ুন:
-
‘বদলি এই প্রথম নয়’! রাজ্যের আধিকারিক-অপসারণ নিয়ে কমিশনের সিদ্ধান্তে হস্তক্ষেপ করল না সুপ্রিম কোর্টও
-
‘জয়ের মার্জিন আরও বাড়ল’! প্রায় ১৫ ঘণ্টা ধরে আয়কর তল্লাশির পর বাড়ি থেকে বেরিয়ে আত্মবিশ্বাসী দেবাশিস
-
‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উদার, আমি এত উদার নই’! তারিখ দিয়ে ‘অত্যাচারের হিসাব’ নেওয়ার হুঁশিয়ারি অভিষেকের
পশ্চিমবঙ্গের ভোটের ক্ষেত্রে কমিশনের এই ‘সক্রিয়তা’ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে শাসকদল তৃণমূল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এ ভাবে অপসারণের পদক্ষেপে অসন্তোষ প্রকাশ করে দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠিও লেখেন। চিঠিতে তিনি অভিযোগ করেন, রাজ্য সরকারের সঙ্গে আগাম কোনও আলোচনা না-করে বা কোনও মতামত না-নিয়ে বদলি করা হচ্ছে। এই বিষয় নিয়ে হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয় তৃণমূল। সেই মামলা খারিজ হয়ে যায় হাই কোর্টে। আদালত জানায়, সুষ্ঠু এবং অবাধ নির্বাচন সুনিশ্চিত করতে নির্বাচন কমিশন পদক্ষেপ করেছে। তৃণমূল সু্প্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়। হাই কোর্টের নির্দেশে হস্তক্ষেপ করেনি সুপ্রিম কোর্ট। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত জানান, আসন্ন নির্বাচনের কথা মাথায় রেখে এখনই আদালত মামলাটি শুনতে আগ্রহী নয়। তবে আইনগত প্রশ্নে মামলাটি বিচারাধীন রাখা হল।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
- রবিবার মধ্যরাত থেকে শুরু হয়েছিল। রাজ্যের বেশ কয়েক জন আমলা এবং পুলিশ আধিকারিককে তাঁদের পদ থেকে অপসারণ করে নির্বাচন কমিশন। বুধবার রাত পর্যন্ত তা অব্যাহত ছিল। সেই সব পদে নতুন আধিকারিকও নিয়োগ করে দেওয়া হয়। শুধু তা-ই নয়, কমিশন স্পষ্ট জানায়, যাঁদের অপসারণ করা হচ্ছে, তাঁদের এ রাজ্যে নির্বাচন সংক্রান্ত কোনও কাজে আপাতত আর নিয়োগ করা যাবে না!
- পশ্চিমবঙ্গের ভোটের ক্ষেত্রে কমিশনের এই ‘সক্রিয়তা’ নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন তুলেছে শাসকদল তৃণমূল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এ ভাবে অপসারণের পদক্ষেপে অসন্তোষ প্রকাশ করে দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠিও লেখেন। চিঠিতে তিনি অভিযোগ করেন, রাজ্য সরকারের সঙ্গে আগাম কোনও আলোচনা না-করে বা কোনও মতামত না-নিয়ে বদলি করা হচ্ছে। তিনি আরও জানান, অতীতে নির্বাচন চলাকালীন কোনও গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা আধিকারিককে সরানোর প্রয়োজন হলে কমিশনের পক্ষ থেকে সাধারণত রাজ্য সরকারের কাছে তিন জনের একটি প্যানেল চাওয়া হত। সেই তালিকা থেকে কমিশন নিজেই এক জনকে বেছে নিত। মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, এ বার সেই প্রচলিত রীতির সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম ঘটেছে। প্রার্থিতালিকা ঘোষণার আগেও কমিশনকে এ বিষয়ে তোপ দাগেন মমতা। নিশানা করেন কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকেও।
-
২০:৩১
‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উদার, আমি এত উদার নই’! তারিখ দিয়ে ‘অত্যাচারের হিসাব’ নেওয়ার হুঁশিয়ারি অভিষেকের -
১৯:৩৩
পাহাড়ের জনতাকে ভোটমুখী করতে ‘হাতিয়ার’ টয় ট্রেন, দার্জিলিঙে যাত্রা শুরু করল ‘ডেমোক্রেসি এক্সপ্রেস’! -
১৮:১০
টিকিট না-পাওয়া রবীন্দ্রনাথকে নিজের গাড়িতে বসিয়ে সভায় মমতা, অভিমান ভুলে লড়াইয়ের বার্তা প্রাক্তন মন্ত্রীর গলায় -
১৮:০০
তৃণমূলের প্রচারে নামছেন সস্ত্রীক হেমন্ত সোরেন! শনিবার থেকেই কর্মসূচি শুরু, চার জেলায় যাবেন ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী -
১৫:১৩
দেবাশিস কুমারের শাশুড়ির ফ্ল্যাটে প্রায় ৯ ঘণ্টা ধরে চলল আয়কর তল্লাশি! ভোর থেকে শুরু হয়েছিল অভিযান