Advertisement

নবান্ন অভিযান

ফলতা-সহ ছ’টি বিধানসভা এলাকায় অশান্তির আশঙ্কা, বাড়তি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত কমিশনের

দফায় রাজ্যের সাত জেলায় মোট ১৪২টি আসনে ভোটগ্রহণ হবে। সূত্রের খবর, তার মধ্যে অশান্তির আশঙ্কা রয়েছে এমন ছ’টি কেন্দ্রে বাড়তি বাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে নির্বাচন কমিশনের তরফে।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৮ এপ্রিল ২০২৬ ২০:৪৫
Election Commission to deploy additional central forces in some constituencies for second phase of assembly election in West Bengal

রাস্তায় রাস্তায় চলছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর টহল। ছবি: এএফপি।

বুধবার দ্বিতীয় দফায় ভোটগ্রহণের আগে ছ’টি বিধানসভা আসনে বাড়তি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিল নির্বাচন কমিশন। এই দফায় রাজ্যের সাত জেলায় মোট ১৪২টি আসনে ভোটগ্রহণ হবে। সূত্রের খবর, তার মধ্যে অশান্তির আশঙ্কা রয়েছে এমন ছ’টি কেন্দ্রকে বেছে নেওয়া হয়েছে কমিশনের তরফে।

রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের (সিইও) দফতর সূত্রের খবর, দ্বিতীয় দফার নির্বাচনে বাড়তি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হবে দুই জেলায়। এর মধ্যে রয়েছে পূর্ব বর্ধমানের দু’টি এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনার চারটি কেন্দ্র। পূর্ব বর্ধমানের নাদনঘাট এবং কেতুগ্রাম এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভাঙড়, মগরাহাট পূর্ব, মগরাহাট পশ্চিম ও ফলতায় অতিরিক্ত বাহিনী রাখছে নির্বাচন কমিশন। তিনি আরও জানান, এই দফার ভোটে ৩০ শতাংশ অতিস্পর্শকাতর বুথ রয়েছে। প্রথমে যা ঠিক করা হয়েছিল, সার্বিক ভাবে তার থেকে বেশি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন। এই দফায় মোট ২৩৪৩ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন থাকবে বলে জানা গিয়েছে।\

ঘটনাচক্রে, মঙ্গলবার ফলতার যুগ্ম বিডিও সৌরভ হাজরাকে সরিয়ে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। তাঁকে পুরুলিয়ায় পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। কমিশন সূত্রে খবর, তাঁর বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ রয়েছে। তাঁর জায়গায় ফলতার নতুন যুগ্ম বিডিও করা হয়েছে রম্য ভট্টাচার্যকে। ফলতাতেই মঙ্গলবার পুলিশ পর্যবেক্ষক অজয়পাল শর্মার কনভয় ঘিরে বিক্ষোভ দেখিয়েছে তৃণমূল। শাসকদলের প্রার্থী জাহাঙ্গির খানের নেতৃত্বে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান তোলা হয়েছে।

সংক্ষেপে
  • রবিবার মধ্যরাত থেকে শুরু হয়েছিল। রাজ্যের বেশ কয়েক জন আমলা এবং পুলিশ আধিকারিককে তাঁদের পদ থেকে অপসারণ করে নির্বাচন কমিশন। বুধবার রাত পর্যন্ত তা অব্যাহত ছিল। সেই সব পদে নতুন আধিকারিকও নিয়োগ করে দেওয়া হয়। শুধু তা-ই নয়, কমিশন স্পষ্ট জানায়, যাঁদের অপসারণ করা হচ্ছে, তাঁদের এ রাজ্যে নির্বাচন সংক্রান্ত কোনও কাজে আপাতত আর নিয়োগ করা যাবে না!
  • পশ্চিমবঙ্গের ভোটের ক্ষেত্রে কমিশনের এই ‘সক্রিয়তা’ নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন তুলেছে শাসকদল তৃণমূল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এ ভাবে অপসারণের পদক্ষেপে অসন্তোষ প্রকাশ করে দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠিও লেখেন। চিঠিতে তিনি অভিযোগ করেন, রাজ্য সরকারের সঙ্গে আগাম কোনও আলোচনা না-করে বা কোনও মতামত না-নিয়ে বদলি করা হচ্ছে। তিনি আরও জানান, অতীতে নির্বাচন চলাকালীন কোনও গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা আধিকারিককে সরানোর প্রয়োজন হলে কমিশনের পক্ষ থেকে সাধারণত রাজ্য সরকারের কাছে তিন জনের একটি প্যানেল চাওয়া হত। সেই তালিকা থেকে কমিশন নিজেই এক জনকে বেছে নিত। মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, এ বার সেই প্রচলিত রীতির সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম ঘটেছে। প্রার্থিতালিকা ঘোষণার আগেও কমিশনকে এ বিষয়ে তোপ দাগেন মমতা। নিশানা করেন কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকেও।
সর্বশেষ
২৯ মিনিট আগে
CAPF central forces Assembly Election ECI CEO Election Commission
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy