Advertisement

নবান্ন অভিযান

‘মাস্টারমশাই আপনি কিন্তু...’! ভোটারদের ভয় দেখানোর অভিযোগে কমিশন সতর্ক করল রাজারহাটের শিক্ষক-নেতাকে

রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের (সিইও) দফতর সূত্রের খবর, ওই শিক্ষক একটি রাজনৈতিক দলের স্থানীয় নেতা। তাঁর বিরুদ্ধে এলাকা থেকেই ভোটারদের ভয় দেখানোর অভিযোগ এসেছিল।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৮ এপ্রিল ২০২৬ ২২:১৮
জাতীয় নির্বাচন কমিশন।

জাতীয় নির্বাচন কমিশন। —ফাইল চিত্র।

রাজারহাট-গোপালপুরের এক অঙ্কের শিক্ষকের কাছে মঙ্গলবার গেল নির্বাচন কমিশনের ফোন। কমিশনের এক আধিকারিক ফোন করে তাঁকে বলেন, ‘‘আপনার বিরুদ্ধে অভিযোগ জমা পড়েছে। এলাকার ভোটারদের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠছে আপনার বিরুদ্ধে।’’

রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের (সিইও) দফতর সূত্রের খবর, ওই শিক্ষক একটি রাজনৈতিক দলের স্থানীয় নেতা। তাঁর বিরুদ্ধে এলাকার ভোটারদের ভয় দেখানোর অভিযোগ এসেছিল। কমিশনের আধিকারিক সরাসরি অভিযুক্তকে ফোনে বলেন, ‘‘আপনি মাস্টারমশাই। আপনার সামাজিক সম্মান রয়েছে। আমরাও আপনাকে সম্মান করি। এই ধরনের ঘটনায় বাড়িতে গিয়ে পুলিশ গ্রেফতার করে। গ্রেফতার করা নিয়ম। তাই কাউকে হুমকি দেবেন না।’’

এর পরেই ওই অঙ্ক-শিক্ষককে সাবধান করে দিয়ে কমিশনের প্রতিনিধি বলেন, ‘‘পুলিশকে দিয়ে গ্রেফতার করাতে বাধ্য করবেন না।’’ ফোনে কথোপকথনে ওই শিক্ষকের কাছে এলাকায় কয়েক জন দুষ্কৃতীর নাম উল্লেখ করেন কমিশনের ওই আধিকারিক। একটি রাজনৈতিক দলের মদতপুষ্ট ওই দুষ্কৃতীদের সকলকেই চেনেন বলে স্বীকার করে নেন অঙ্কের শিক্ষক। তবে সক্রিয় রাজনীতির সঙ্গে জড়িত থাকলেও কোনও ভোটারকে তিনি হুমকি দেননি বলে দাবি করেন ওই শিক্ষক।

সংক্ষেপে
  • রবিবার মধ্যরাত থেকে শুরু হয়েছিল। রাজ্যের বেশ কয়েক জন আমলা এবং পুলিশ আধিকারিককে তাঁদের পদ থেকে অপসারণ করে নির্বাচন কমিশন। বুধবার রাত পর্যন্ত তা অব্যাহত ছিল। সেই সব পদে নতুন আধিকারিকও নিয়োগ করে দেওয়া হয়। শুধু তা-ই নয়, কমিশন স্পষ্ট জানায়, যাঁদের অপসারণ করা হচ্ছে, তাঁদের এ রাজ্যে নির্বাচন সংক্রান্ত কোনও কাজে আপাতত আর নিয়োগ করা যাবে না!
  • পশ্চিমবঙ্গের ভোটের ক্ষেত্রে কমিশনের এই ‘সক্রিয়তা’ নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন তুলেছে শাসকদল তৃণমূল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এ ভাবে অপসারণের পদক্ষেপে অসন্তোষ প্রকাশ করে দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠিও লেখেন। চিঠিতে তিনি অভিযোগ করেন, রাজ্য সরকারের সঙ্গে আগাম কোনও আলোচনা না-করে বা কোনও মতামত না-নিয়ে বদলি করা হচ্ছে। তিনি আরও জানান, অতীতে নির্বাচন চলাকালীন কোনও গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা আধিকারিককে সরানোর প্রয়োজন হলে কমিশনের পক্ষ থেকে সাধারণত রাজ্য সরকারের কাছে তিন জনের একটি প্যানেল চাওয়া হত। সেই তালিকা থেকে কমিশন নিজেই এক জনকে বেছে নিত। মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, এ বার সেই প্রচলিত রীতির সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম ঘটেছে। প্রার্থিতালিকা ঘোষণার আগেও কমিশনকে এ বিষয়ে তোপ দাগেন মমতা। নিশানা করেন কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকেও।
সর্বশেষ
৩৯ মিনিট আগে
Election Commission of India Rajarhat CEO ECI Election Commission
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy