রাত পোহালেই ভোট। তার আগে পূর্ব বর্ধমানের খাগড়াগড়ে মঙ্গলবার গেল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআইএ)। কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে এলাকায় ঘুরলেন এনআইএ আধিকারিকেরা। স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে তাঁরা কথা বলেন। ভোটের আগে কাউকে ভয় দেখানো হচ্ছে কি না, কেউ হুমকি দিচ্ছেন কি না, খোঁজ নেওয়া হয়েছে।
২০১৪ সালের ২ অক্টোবর খাগড়াগড়ের একটি বাড়িতে প্রবল বিস্ফোরণ হয়েছিল। তাতে দু’জনের মৃত্যু হয় এবং এক জন জখম হন। অভিযোগ, বোমা তৈরির কাজ চলছিল ওই বাড়িতে। পুলিশ সেখান থেকে বিস্ফোরক পদার্থ, আরডিএক্স, হত ঘড়ির ডায়াল এবং সিম কার্ড উদ্ধার করে। সেই ঘটনার তদন্ত করছে এনআইএ। এর আগে একাধিক বার তারা খাগড়াগড়ে গিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। মঙ্গলবার এনআইএ-র তিন সদস্যের দল ওই বাড়ির সামনে গিয়েছিল। তবে বাড়িতে তারা ঢুকতে পারেনি।
আরও পড়ুন:
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বাড়ির মালিক নুরুল হাসান চৌধুরীর কাছে চাবি চেয়েছিলেন কেন্দ্রীয় আধিকারিকেরা। কিন্তু দীর্ঘ ক্ষণ অপেক্ষার পরেও চাবি পাওয়া যায়নি। এর পর তাঁরা লাকুড্ডি জলকল মাঠের দিকে যান। সেখানে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন। কাঞ্চননগর, আঞ্জিরবাগান, বাজেপ্রতাপপুরেও যান এনআইএ-র প্রতিনিধিরা। সর্বত্রই স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে তাঁদের আশ্বস্ত করা হয়। ভোটের আগের দিন খাগড়াগড়ে এনআইএ-র এই তৎপরতা নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছে। বুধবার রাজ্যের সাত জেলার ১৪২টি আসনে দ্বিতীয় তথা শেষ দফায় ভোটগ্রহণ হবে। অবাধ, সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ভোট নিশ্চিত করতে বদ্ধ পরিকর কমিশন। দিকে দিকে কেন্দ্রীয় বাহিনীর বাড়তি তৎপরতা চোখে পড়ছে। চলছে টহলদারি, ধরপাকড়ও। কলকাতা হাই কোর্ট জানিয়েছে, ধরপাকড়ের সময় ব্যক্তিস্বাধীনতার বিষয়টি মাথায় রাখতে হবে কমিশনকে। নিরপেক্ষ ভাবে কাজ করতে হবে।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
- রবিবার মধ্যরাত থেকে শুরু হয়েছিল। রাজ্যের বেশ কয়েক জন আমলা এবং পুলিশ আধিকারিককে তাঁদের পদ থেকে অপসারণ করে নির্বাচন কমিশন। বুধবার রাত পর্যন্ত তা অব্যাহত ছিল। সেই সব পদে নতুন আধিকারিকও নিয়োগ করে দেওয়া হয়। শুধু তা-ই নয়, কমিশন স্পষ্ট জানায়, যাঁদের অপসারণ করা হচ্ছে, তাঁদের এ রাজ্যে নির্বাচন সংক্রান্ত কোনও কাজে আপাতত আর নিয়োগ করা যাবে না!
- পশ্চিমবঙ্গের ভোটের ক্ষেত্রে কমিশনের এই ‘সক্রিয়তা’ নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন তুলেছে শাসকদল তৃণমূল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এ ভাবে অপসারণের পদক্ষেপে অসন্তোষ প্রকাশ করে দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠিও লেখেন। চিঠিতে তিনি অভিযোগ করেন, রাজ্য সরকারের সঙ্গে আগাম কোনও আলোচনা না-করে বা কোনও মতামত না-নিয়ে বদলি করা হচ্ছে। তিনি আরও জানান, অতীতে নির্বাচন চলাকালীন কোনও গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা আধিকারিককে সরানোর প্রয়োজন হলে কমিশনের পক্ষ থেকে সাধারণত রাজ্য সরকারের কাছে তিন জনের একটি প্যানেল চাওয়া হত। সেই তালিকা থেকে কমিশন নিজেই এক জনকে বেছে নিত। মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, এ বার সেই প্রচলিত রীতির সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম ঘটেছে। প্রার্থিতালিকা ঘোষণার আগেও কমিশনকে এ বিষয়ে তোপ দাগেন মমতা। নিশানা করেন কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকেও।
-
২২:৩১
ছাব্বিশের ‘নন্দীগ্রাম’ ভবানীপুর! পাঁচ বছর পর ফের মমতা-শুভেন্দু দ্বৈরথ, এগোনো-পিছোনোর অঙ্ক জুড়ে রয়েছে যুযুধান দুই শিবিরেই -
২২:১৯
বহুতলের বুথগুলিতে রাতেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর দু’জন করে জওয়ান আর পুলিশ পাঠাতে হবে! জরুরি নির্দেশ কমিশনের -
২১:৪৮
দক্ষিণ ২৪ পরগনা, বীরভূমের অতিরিক্ত জেলাশাসককে সরিয়ে দিল কমিশন! করতে পারবেন না ভোটের কোনও কাজ -
২১:২৬
ভোট মিটে যাওয়ার পর আরও দু’মাস পশ্চিমবঙ্গে থেকে যাবে কেন্দ্রীয় বাহিনী, ঘোষণা শাহের, সিদ্ধান্ত বলবৎ নিয়ে শুরু জল্পনা -
২১:০৮
‘ভোটারদের আস্থা বৃদ্ধি করতেই মন্তব্য অজয়ের’! ‘সিংহম’ বিতর্কে বললেন সিইও মনোজ, মঙ্গলবারও রাতভর দফতরে