পশ্চিমবঙ্গে দ্বিতীয় দফায় ভোটগ্রহণ শুরু হতেই সমাজমাধ্যমে পোস্ট করে ‘রেকর্ড সংখ্যক ভোটদানের’ আবেদন জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় সকলকে অংশগ্রহণ করার আহ্বান জানান তিনি। রাজ্যের মহিলা এবং যুব সম্প্রদায়কে ভোটাধিকার প্রয়োগের জন্য বিশেষ আবেদন করেছেন প্রধানমন্ত্রী।
বাংলা এবং ইংরেজি, দু’ভাষাতেই সকাল সকাল পোস্ট করেন মোদী। প্রধানমন্ত্রী পোস্টে প্রথমেই লেখেন, ‘আজ রেকর্ড সংখ্যায় ভোট দিন। আমাদের গণতন্ত্রকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলার আহ্বান জানাচ্ছি।’’ শেষে মোদীর বার্তা, ‘‘অত্যন্ত জরুরি যে পশ্চিমবঙ্গের নারী ও যুব সম্প্রদায় বিপুল সংখ্যায় তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করুন।’’
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও ‘রেকর্ড হারে ভোটদানের’ আবেদন করেছেন। তিনি লেখেন, ‘আপনার একটি ভোট বাংলার গৌরবকে পুনরায় ফিরিয়ে আনার সঙ্গে সঙ্গে মহিলাদের সুরক্ষাকে নিশ্চিত করবে।’
আরও পড়ুন:
ভোটপ্রচার করতে বার বার পশ্চিমবঙ্গে ছুটে এসেছেন মোদী। সোমবার ভোটপ্রচারের শেষ দিনেও জনসভা করেন তিনি। প্রতি জনসভা থেকেই নারীর ক্ষমতায়ন, মহিলা শক্তির কথা বলেছেন মোদী। একই সঙ্গে সকলকে ভোটাধিকার প্রয়োগ করার আবেদন জানিয়েছেন।
পশ্চিমবঙ্গের প্রথম দফার ভোটদানের হার সব রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে। গত ২৩ এপ্রিল রাজ্যের ১৬টি জেলার ১৫২টি আসনে ভোটগ্রহণ হয়েছে। বুথের সংখ্যা ছিল ৪৪ হাজার ৩৭৬। কমিশন জানিয়েছে, মোট ৩ কোটি ৩৬ লক্ষ জন ভোটদান করেছেন। অর্থাৎ, ৯৩.১৯ শতাংশ ভোট পড়েছে।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
- প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী, প্রচুর পরিমাণে ভোট পড়লে তা সাধারণত স্থিতাবস্থা বা প্রতিষ্ঠানবিরোধী হয়। অর্থাৎ, ক্ষমতাসীন সরকারের বিপক্ষে যায় জনতার রায়। তবে দীর্ঘলালিত এই ধারণার প্রতিযুক্তিও ছিল। তৃণমূলের তরফে গত লোকসভা এবং বিধানসভা ভোটের উদাহরণ দিয়ে দাবি করা হচ্ছিল, অনেক ভোট পড়লেও এ রাজ্যে তা শাসকের পক্ষেই গিয়েছে বরাবর। বিজেপির পাল্টা যুক্তিতে আবার ছিল ২০১১ সালের ‘পরিবর্তনের ভোট’। সে বারও প্রচুর ভোট পড়েছিল এবং ৩৪ বছরের বাম শাসনের অবসান ঘটিয়ে নতুন সরকার গড়েছিলেন মমতা। এ বারের ভোটে এসআইআর সুবিধা করে দিল বিজেপির।
- ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (এসআইআর) যে হয়রানিকে প্রচারে হাতিয়ার করেছিল তৃণমূল, তা কাজে এল না। পশ্চিমবঙ্গবাসী ভোট দিলেন বিজেপির পক্ষেই। ফলে এ রাজ্যেও ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকার তৈরি হতে চলেছে। পশ্চিমবঙ্গ জয় করেছে বিজেপি। গত লোকসভা নির্বাচনেও যে দল সে ভাবে দাঁত ফোটাতে পারেনি, দু’বছরের ব্যবধানে তারাই ২০০-র গণ্ডি ছুঁয়ে ফেলেছে। জেলায় জেলায় পদ্মের ঝড়ে উড়ে গিয়েছেন তৃণমূল প্রার্থীরা।
-
পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা ভেঙে দিলেন রাজ্যপাল আরএন রবি, ইস্তফা না-দিলেও মমতা এখন ‘প্রাক্তন’ মুখ্যমন্ত্রী! রাজ্য কার?
-
বিজেপি মুখ্যমন্ত্রীর শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে থাকবেন প্রধানমন্ত্রী মোদী! রাজ্যে প্রচারে এসে দিয়ে গিয়েছিলেন কথা
-
ভোট-পরবর্তী গোলমালে রুজু ২০০ এফআইআর! কেউ কেউ পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে অশান্তি পাকাতে চাইছেন: ডিজি সিদ্ধনাথ
-
‘কমিশন ১০টি গণনাকেন্দ্রের ছয় ঘণ্টার ফুটেজ দিক, দেখাক কিছু হয়নি, আমি মেনে নেব এটাই জনাদেশ’! চ্যালেঞ্জ অভিষেকের
-
৪৫ শতাংশের বেশি ভোট পেয়ে রাজ্যে ২০৭টি আসনে জয় পেল বিজেপি! ৮০টি আসনে জয়ী তৃণমূল, তাদের ভোটের হার কত