রাজ্যে দ্বিতীয় দফায় ১৪২ আসনে ভোটগ্রহণ বুধবার। লড়াইয়ের ময়দানে থাকা কেউ কেউ পোড়খাওয়া রাজনীতিবিদ, কেউ আবার নবাগত। কারও নামের পাশে অনায়াসেই বসানো যায় ‘অপরাজিত’ শব্দবন্ধ। আবার কেউ কেউ আগে নির্বাচনে হেরেও লড়াইয়ে রয়েছেন। তরুণ প্রজন্মের রাজনীতিকও রয়েছেন দ্বিতীয় দফার ভোটযুদ্ধে। অন্য দিকে, ভোটে জিতে মন্ত্রিত্ব সামলানোর অভিজ্ঞতাও রয়েছে অনেকের। দ্বিতীয় দফার ভোটে নজরে থাকবেন ৬৬ জন প্রার্থী।
বুধবার দ্বিতীয় দফায় ভোট হবে পূর্ব বর্ধমান, হাওড়া, হুগলি, কলকাতা, উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং নদিয়ায়। দ্বিতীয় দফার ভোটে সকলের নজর ভবানীপুরের দিকে। এ বার এই কেন্দ্রে লড়াই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বনাম শুভেন্দু অধিকারীর। ২০২১ সালের ভোটেও এই দ্বৈরথ দেখেছিল পশ্চিমবঙ্গ। পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রামে। তবে এ বার আসন বদলেছে। ভবানীপুর মুখ্যমন্ত্রী মমতার কেন্দ্র। এ বার সেই কেন্দ্রেই বিজেপির টিকিটে লড়ছেন শুভেন্দুও।
শুধু ভবানীপুর নয়, কলকাতার বাকি ১০ আসনের দিকেও নজর থাকবে বুধবার। কলকাতা বন্দরে এ বারও তৃণমূলের প্রার্থী ফিরহাদ হাকিম। মমতার মন্ত্রিসভার ‘স্থায়ী’ সদস্য তিনি। অপ্রতিরোধ্য ফিরহাদের বিপক্ষে বিজেপির ‘বাজি’ রাকেশ সিংহ। এ বারের নির্বাচনে প্রার্থী হিসাবে তাঁর নামই শেষ ঘোষণা করেছিল বিজেপি। তার পরেই রয়েছে রাসবিহারী বিধাসভা কেন্দ্র। এই কেন্দ্রে তৃণমূল বিদায়ী বিধায়ক দেবাশিস কুমারকেই টিকিট দিয়েছে। তাঁর বিপক্ষে বিজেপির হয়ে লড়ছেন স্বপন দাশগুপ্ত। বালিগঞ্জ আসনে এ বার প্রার্থী বদল করেছে তৃণমূল। গত বার এই কেন্দ্রের উপনির্বাচনে তৃণমূলের টিকিটে জিতেছিলেন বাবুল সুপ্রিয়। তবে তাঁকে আগেই তৃণমূল রাজ্যসভায় পাঠিয়েছে। আর বালিগঞ্জ কেন্দ্রে টিকিট দেওয়া হয়েছে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে। তিনিও বিদায়ী মন্ত্রী। ওই বালিগঞ্জ কেন্দ্রে সিপিএমের প্রার্থী আরফিন বেগম (শিল্পী)। বাম রাজনীতিতে নতুন মুখ।
চৌরঙ্গী বিধানসভায় লড়াই তৃণমূলের নয়না বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বিজেপির সন্তোষ পাঠকের মধ্যে। নয়না এই কেন্দ্রের বিদায়ী বিধায়ক। আর ভোটের মুখে সন্তোষ কংগ্রেসের হাত ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন। এন্টালি বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী প্রিয়ঙ্কা টিবরেওয়ালের দিকেও নজর থাকবে দ্বিতীয় দফায়। পাশাপাশি, বেলেঘাটা, জোড়াসাঁকো, শ্যামপুকুর, মানিকতলা, কাশীপুর-বেলগাছিয়ার তৃণমূল প্রার্থীদের দিকেও নজর থাকবে। বেলেঘাটায় লড়ছেন কুণাল ঘোষ, জোড়াসাঁকোয় বিজয় উপাধ্যায়, শ্যামপুকুরে শশী পাঁজা এবং মানিকতলায় শ্রেয়া পাণ্ডে। তাঁদের মধ্যে শশী বিদায়ী মন্ত্রীও বটে। মানিকতলায় শ্রেয়ার লড়াই বিজেপির তাপস রায়ের সঙ্গে। তাপসও এক সময় তৃণমূলেই ছিলেন। কাশীপুর-বেলগাছিয়ায় তৃণমূলের প্রার্থী কলকাতা পুরসভার ডেপুটি মেয়র অতীন ঘোষ।
হাওড়ার শিবপুরে নজর থাকবে বিজেপির রুদ্রনীল ঘোষের দিকে। ভোটের ময়দানে তিনি নতুন নয়। তবে এখনও জেতা হয়নি তাঁর। অভিনয়ের পাশাপাশি রাজনীতিও করেন সক্রিয় ভাবে। রুদ্রনীলের মতো হিরন্ময় চট্টোপাধ্যায়ও (হিরণ) অভিনয় থেকে রাজনীতিতে আসেন। এ বার তাঁকে শ্যামপুর থেকে টিকিট দিয়েছে বিজেপি। উলুবেড়িয়া পূর্বে তৃণমূল প্রার্থী ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিকেও নজর থাকবে। তিনি তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ ছিলেন।
দ্বিতীয় দফার ভোটে অন্যতম নজরকাড়া কেন্দ্র উত্তরপাড়া। এই কেন্দ্রে তৃণমূলের প্রার্থী শীর্ষাণ্য বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি তৃণমূল সাংসদ তথা আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুত্র। শীর্ষাণ্য নিজেও আইনজীবী। ভোটের ময়দানে তিনি নতুন। তাঁর বিরুদ্ধে সিপিএমের টিকিটে লড়ছেন মিনাক্ষী মুখোপাধ্যায়। গত বার নন্দীগ্রামের প্রার্থী ছিলেন তিনি। উত্তরপাড়া থেকে বিজেপির প্রার্থী দীপাঞ্জন চক্রবর্তীর দিকেও নজর থাকবে।
শ্রীরামপুর বিধানসভা কেন্দ্রের শুভঙ্কর সরকারকে ‘বাজি’ ধরেছে কংগ্রেস। তিনি পশ্চিমবঙ্গের প্রদেশ কংগ্রেসের সভাপতি। এ ছাড়াও সিঙ্গুর, চন্দননগর, সপ্তগ্রাম এবং মন্তেশ্বরের তৃণমূল প্রার্থীর দিকে নজর থাকবে। সিঙ্গুরের এ বারের প্রার্থী বেচারাম মান্না। বিদায়ী মন্ত্রিসভার কৃষিমন্ত্রী তিনি। মন্তেশ্বর এবং চন্দননগর থেকে লড়ছেন আরও দুই বিদায়ী মন্ত্রী। সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী এবং ইন্দ্রনীল সেন। আর সপ্তগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থী বিদেশ বসুর দিকেও নজর থাকছে বুধবার।
আরও পড়ুন:
অভিনেতা-বিধায়ক সোহম চক্রবর্তীর এ বার বিধানসভা ভোটে আসন বদল হয়েছে। ২০২১ সালে তিনি লড়েছিলেন চণ্ডীপুর থেকে। এ বার তাঁকে করিমপুর থেকে প্রার্থী করেছে তৃণমূল। দ্বিতীয় দফার ভোটে নজরে থাকবে পলাশিপাড়া বিধানসভা কেন্দ্রও। এই কেন্দ্রের বিদায়ী বিধায়ক মানিক ভট্টাচার্য শিক্ষা দুর্নীতির দায়ে জেল খেটেছেন। এ বার তাঁকে আর প্রার্থী করেনি তৃণমূল। তাঁর জায়গায় প্রার্থী হয়ছেন রুকবানুর রহমান। বাগদাও নজরকাড়া কেন্দ্র। এই কেন্দ্রে লড়াই ঠাকুরবাড়ির দুই সদস্যের মধ্যে। তৃণমূলের মধুপর্ণা ঠাকুর বনাম বিজেপির সোমা ঠাকুর। মধুপর্ণা প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ মমতাবালা ঠাকুরের কন্যা। তিনি ওই কেন্দ্রের বিদায়ী বিধায়কও। আর সোমা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুরের স্ত্রী।
হাবড়ায় এ বারও তৃণমূলের প্রার্থী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক (বালু)। রেশন দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হয়েছিলেন। ১৪ মাস জেল খাটতে হয়েছে তাঁকে। তবে জেল থেকে বেরিয়েও রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন তিনি। এ বার তাই তাঁর দিকে নজর থাকবে। জগদ্দলের তৃণমূল প্রার্থী সোমনাথ শ্যাম আইচিনিও নজরকাড়া প্রার্থী। নোয়াপাড়া বিধানসভা কেন্দ্রের দিকে নজর থাকবে বুধবার। এই কেন্দ্রে লড়াই তৃণমূলের তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্য এবং বিজেপির অর্জুন সিংহের মধ্যে। তৃণাঙ্কুর যুব তৃণমূল সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। অন্য দিকে, বিজেপির প্রার্থী অর্জুনও নজরকাড়া প্রার্থীদের মধ্যে অন্যতম। বার বার তিনি ফুল বদল করে এখন বিজেপিতে ‘থিতু’। ব্যারাকপুরের বিদায়ী বিধায়ক রাজু চক্রবর্তীকে (রাজ) এ বারও টিকিট দিয়েছে তৃণমূল। এ বার তাঁর ভোটের ফল কী হবে, নজর থাকবে সে দিকে। বুধবারের নজরকাড়া প্রার্থীদের তালিকায় তিনি অন্যতম।
খড়দহের তৃণমূল প্রার্থী দেবদীপ পুরোহিত। রাজনীতি এবং ভোটের ময়দান, দু’ক্ষেত্রেই তিনি নবাগত। দমদম উত্তরে লড়াইয়ে রয়েছেন তৃণমূলের চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, সিপিএমের দীপ্সিতা ধর। চন্দ্রিমা বিদায়ী মন্ত্রিসভার সদস্য। দীপ্সিতাও ভোটের ময়দানে নতুন নন। গত বার বিধানসভা লড়ছেন, প্রার্থী হয়েছিলেন ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনেও। তবে দু’বারই জিততে পারেননি। পানিহাটি বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপির এ বারের প্রার্থী আরজি করের নির্যাতিতার মা। ভোটের মুখেই তিনি বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন। আরজি কর আন্দোলনের সামনের সারিতে থাকা কলতান দাশগুপ্ত সেই পানিহাটিতেই সিপিএমের প্রার্থী। কামারহাটিতে তৃণমূল এ বারও ভরসা রেখেছে মদন মিত্রের উপর। তাঁর বিপক্ষে সিপিএমের প্রার্থী মানস মুখোপাধ্যায়। বরাহনগর কেন্দ্রে তৃণমূলের সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিপক্ষে লড়ছেন বিজেপির সজল ঘোষ। দমদমে এ বারও তৃণমূলের প্রার্থী ব্রাত্য বসু। তিনি রাজ্যের বিদায়ী শিক্ষামন্ত্রী। রাজারহাট-নিউ টাউনে তৃণমূলের প্রার্থী তাপস চট্টোপাধ্যায়। আর সিপিএমের সপ্তর্ষি দেব। দু’জনই এ বারও নজরকাড়া প্রার্থী।
আরও পড়ুন:
বিধাননগর বিধানসভা কেন্দ্রে তৃণমূলের সুজিত বসুর দিকেও নজর থাকছে। তিনিও বিদায়ী মন্ত্রিসভার সদস্য। রাজারহাট-গোপালপুর কেন্দ্রে এ বারের লড়াই তৃণমূলের অদিতি মুন্সি এবং বিজেপির তরুণজ্যোতি তিওয়ারির মধ্যে। তরুণজ্যোতি পেশায় আইনজীবী। এ বার ভোটের ময়দানে তিনি নতুন। মধ্যমগ্রাম, বারাসতের দুই তৃণমূল প্রার্থী রথীন ঘোষ এবং সব্যসাচী দত্ত। রথীনও রাজ্যের মন্ত্রী। তাঁর ভাগ্যনির্ধারণ বুধবার। হিঙ্গলগঞ্জে বিজেপি প্রার্থী করেছে রেখা পাত্রকে। সন্দেশখালিকাণ্ডে তিনি প্রকাশ্যে এসেছিলেন। তার পরে তাঁকে গত লোকসভা ভোটে প্রার্থী করেছিল বিজেপি। এ বার বিধানসভা ভোটে টিকিট দিয়েছে। বারুইপুর পশ্চিমে তৃণমূলের প্রার্থী সেই বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়ই। বিদায়ী বিধানসভার অধ্যক্ষ তিনি।
সোনারপুর দক্ষিণ এবং ভাঙড়ও দ্বিতীয় দফায় অন্যতম নজরকাড়া কেন্দ্র। সোনারপুর দক্ষিণে মূলত দুই অভিনেত্রীর লড়াই। তৃণমূলের অরুন্ধতী (লাভলি) মৈত্র এবং বিজেপির রূপা গঙ্গোপাধ্যায়। অরুন্ধতীকে লাভলী মৈত্র নামেই পরিচিত। ওই কেন্দ্রের বিদায়ী বিধায়কও তিনি। ভাঙড়ে লড়াইয়ে আইএসএফের নওশাদ সিদ্দিকি এবং তৃণমূলের শওকত মোল্লা। নওশাদ ভাঙড়ের বিদায়ী বিধায়ক। কসবা বিধানসভা কেন্দ্রে এ বারও তৃণমূলের প্রার্থী জাভেদ খান। চমক রয়েছে যাদবপুরে। সিপিএম এ বার এই কেন্দ্রে প্রার্থী করেছে বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যকে। টালিগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্রে এ বারের লড়াই অরূপ বিশ্বাস এবং পাপিয়া দে অধিকারীর মধ্যে। অরূপ ক্রীড়ামন্ত্রী ছিলেন। কিন্তু যুবভারতীকাণ্ডের পর সেই পদ থেকে ইস্তফা দেন তিনি। তবে তাঁর হাতে ছিল বিদ্যুৎ দফতর। বেহালা পশ্চিমের রত্না চট্টোপাধ্যায়ও এ বার তৃণমূলের প্রার্থী। গত বার এই আসন থেকে জিতেছিলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। তবে তিনি এখন তৃণমূল থেকে কয়েক যোজন দূরে। নজরকাড়া প্রার্থীদের তালিকায় রয়েছেন বজবজের তৃণমূলের প্রার্থী অশোককুমার দেব। এই ৬৬ জনের মধ্যে শেষ পর্যন্ত কে জিতবেন, কে হারবেন— ফল যন্ত্রবন্দি হবে বুধবার।
উল্লেখ্য, দ্বিতীয় দফায় যে ১৪২টি আসনে ভোটগ্রহণ হচ্ছে, তার মধ্যে গত বারের নির্বাচনে তৃণমূল জিতেছিল ১২৩টি আসন। বিজেপির ঝুলিতে ছিল ১৮টি। আর আইএসএফ জিতেছিল একটি আসনে।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
- রবিবার মধ্যরাত থেকে শুরু হয়েছিল। রাজ্যের বেশ কয়েক জন আমলা এবং পুলিশ আধিকারিককে তাঁদের পদ থেকে অপসারণ করে নির্বাচন কমিশন। বুধবার রাত পর্যন্ত তা অব্যাহত ছিল। সেই সব পদে নতুন আধিকারিকও নিয়োগ করে দেওয়া হয়। শুধু তা-ই নয়, কমিশন স্পষ্ট জানায়, যাঁদের অপসারণ করা হচ্ছে, তাঁদের এ রাজ্যে নির্বাচন সংক্রান্ত কোনও কাজে আপাতত আর নিয়োগ করা যাবে না!
- পশ্চিমবঙ্গের ভোটের ক্ষেত্রে কমিশনের এই ‘সক্রিয়তা’ নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন তুলেছে শাসকদল তৃণমূল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এ ভাবে অপসারণের পদক্ষেপে অসন্তোষ প্রকাশ করে দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠিও লেখেন। চিঠিতে তিনি অভিযোগ করেন, রাজ্য সরকারের সঙ্গে আগাম কোনও আলোচনা না-করে বা কোনও মতামত না-নিয়ে বদলি করা হচ্ছে। তিনি আরও জানান, অতীতে নির্বাচন চলাকালীন কোনও গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা আধিকারিককে সরানোর প্রয়োজন হলে কমিশনের পক্ষ থেকে সাধারণত রাজ্য সরকারের কাছে তিন জনের একটি প্যানেল চাওয়া হত। সেই তালিকা থেকে কমিশন নিজেই এক জনকে বেছে নিত। মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, এ বার সেই প্রচলিত রীতির সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম ঘটেছে। প্রার্থিতালিকা ঘোষণার আগেও কমিশনকে এ বিষয়ে তোপ দাগেন মমতা। নিশানা করেন কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকেও।
-
২০:৪৫
দুই জেলার ছ’টি বিধানসভা আসনে অশান্তির আশঙ্কা, বাড়তি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত কমিশনের -
২০:৩০
তৃণমূলের ‘নিউক্লিয়াসে’ নির্বাচন দ্বিতীয় দফায়, সাত জেলার মধ্যে চারটিতেই বিজেপি ছিল ‘শূন্য’! নতুন জমি তৈরির লক্ষ্যে পদ্মফুল -
২০:১৯
অযথা কাউকে গ্রেফতার নয়! কমিশনকে নিরপেক্ষ ভাবে কাজ করতে বলল হাই কোর্ট, তবে খারিজ তৃণমূলের এক আর্জিও -
১৯:৫৭
প্রথম দফায় ৯৯ শতাংশ ভোট পড়েছে রাজ্যের ১৮২টি বুথে! সবচেয়ে বেশি রানিনগর এবং চোপড়া বিধানসভা কেন্দ্রে -
১৯:৫৪
গভীর রাতে ফিরহাদের বাড়িতে পুলিশ পর্যবেক্ষক, কেন্দ্রীয় বাহিনী! মেয়র জানান, ‘ভবানীপুর নিয়ে হুঁশিয়ারি’ দেওয়া হয়েছে