দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে এ রাজ্যে ‘সক্রিয়’ জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআইএ)। কলকাতা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হুগলি, নদিয়া-সহ বিভিন্ন জেলার একাধিক জায়গায় তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছে তারা। ছোট ছোট দলে ভাগ হয়ে বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে পড়েছে এনআইএ। সূত্রের খবর, মূলত স্পর্শকাতর এলাকাগুলিতে হানা দিচ্ছে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা।
কেন এই তল্লাশি? তদন্তকারী সংস্থার এক আধিকারিক জানান, ভোটের মুখে তাজা বোমা, বেআইনি অস্ত্র বা গোলাবারুদ উদ্ধারের ঘটনাগুলির তদন্ত করছে এনআইএ। সেই সূত্র ধরেই ভোটের আগের দিন এনআইএ-র এই অভিযান। ওই আধিকারিক আরও জানান, ভোটের আগে বা ভোটের দিন বা ভোটের পরে অস্ত্র উদ্ধার সংক্রান্ত কোনও অভিযোগ পেলে, তা খতিয়ে দেখতে তৎপর এনআইএ।
ভোট ঘোষণার পরের দিন থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে তল্লাশি অভিযানের নির্দেশ দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। সেই মতো দিকে দিকে তল্লাশিতে নেমেছে পুলিশের বিভিন্ন দল। তাদের সঙ্গে রয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনীও। শুধু নাকা চেকিং নয়, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে বিভিন্ন ঠিকানাতেও হানা দিচ্ছে পুলিশ।
আরও পড়ুন:
ইতিমধ্যেই কোথাও আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার হয়েছে, কোথাও থেকে আবার গোলাগুলি, তাজা বোমাও। সম্প্রতি কলকাতা পুলিশের একটি দল গোপন সূত্রে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে উত্তর কাশীপুর থানা এলাকার মাঝেরহাটের একটি পরিত্যক্ত বাড়িতে হানা দেয়। সেখান থেকে ৭৯টি তাজা বোমা উদ্ধার হয়। মেলে বোমা তৈরির নানা কাঁচামাল, পাটের দড়ি ইত্যাদি। কয়েক জন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি নিষিদ্ধ জিনিসগুলো জড়ো করেছিলেন। ভোটের আগে সেই ঘটনার ‘গুরুত্ব’ বিচার করে তদন্তভার এনআইএ-র হাতে দেয় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
- রবিবার মধ্যরাত থেকে শুরু হয়েছিল। রাজ্যের বেশ কয়েক জন আমলা এবং পুলিশ আধিকারিককে তাঁদের পদ থেকে অপসারণ করে নির্বাচন কমিশন। বুধবার রাত পর্যন্ত তা অব্যাহত ছিল। সেই সব পদে নতুন আধিকারিকও নিয়োগ করে দেওয়া হয়। শুধু তা-ই নয়, কমিশন স্পষ্ট জানায়, যাঁদের অপসারণ করা হচ্ছে, তাঁদের এ রাজ্যে নির্বাচন সংক্রান্ত কোনও কাজে আপাতত আর নিয়োগ করা যাবে না!
- পশ্চিমবঙ্গের ভোটের ক্ষেত্রে কমিশনের এই ‘সক্রিয়তা’ নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন তুলেছে শাসকদল তৃণমূল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এ ভাবে অপসারণের পদক্ষেপে অসন্তোষ প্রকাশ করে দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠিও লেখেন। চিঠিতে তিনি অভিযোগ করেন, রাজ্য সরকারের সঙ্গে আগাম কোনও আলোচনা না-করে বা কোনও মতামত না-নিয়ে বদলি করা হচ্ছে। তিনি আরও জানান, অতীতে নির্বাচন চলাকালীন কোনও গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা আধিকারিককে সরানোর প্রয়োজন হলে কমিশনের পক্ষ থেকে সাধারণত রাজ্য সরকারের কাছে তিন জনের একটি প্যানেল চাওয়া হত। সেই তালিকা থেকে কমিশন নিজেই এক জনকে বেছে নিত। মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, এ বার সেই প্রচলিত রীতির সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম ঘটেছে। প্রার্থিতালিকা ঘোষণার আগেও কমিশনকে এ বিষয়ে তোপ দাগেন মমতা। নিশানা করেন কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকেও।
-
২১:০৮
‘ভোটারদের আস্থা বৃদ্ধি করতেই মন্তব্য অজয়ের’! ‘সিংহম’ বিতর্কে বললেন সিইও মনোজ, মঙ্গলবারও রাতভর দফতরে -
২০:৪৫
ফলতা-সহ ছ’টি বিধানসভা এলাকায় অশান্তির আশঙ্কা, বাড়তি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত কমিশনের -
২০:৩০
তৃণমূলের ‘নিউক্লিয়াসে’ নির্বাচন দ্বিতীয় দফায়, সাত জেলার মধ্যে চারটিতেই বিজেপি ছিল ‘শূন্য’! নতুন জমি তৈরির লক্ষ্যে পদ্মফুল -
২০:১৯
অযথা কাউকে গ্রেফতার নয়! কমিশনকে নিরপেক্ষ ভাবে কাজ করতে বলল হাই কোর্ট, তবে খারিজ তৃণমূলের এক আর্জিও -
১৭:৫০
গত ৬০ ঘণ্টায় নানা অভিযোগে গ্রেফতার ২,৪৭৩ জন! জানাল কমিশন, দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে দিকে দিকে তৎপরতা