Advertisement
E-Paper

গ্রাফিক ডিজ়াইনিং শিখবেন, না কি দক্ষ হবেন অ্যানিমেশন-এ! কোন কাজের কেমন কদর?

অ্যানিমেশন এবং গ্রাফিক ডিজ়াইনের ছোঁয়ায় যে কোনও ছবি আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে। ভিডিয়ো এডিটিং বিষয়ে কাজ করতে আগ্রহীরা এর মধ্যে কোন বিষয়ে নিজেদের দক্ষতা বৃদ্ধি করতে পারেন, কোথায় কেমন চাহিদা রয়েছে— সেই সম্পর্কে রইল বিশদ তথ্য।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৯:০১

ছবি: এআই।

প্রযুক্তির কল্যাণে চারুশিল্প জগতে ঠাঁই পেয়েছে অ্যানিমেশন এবং গ্রাফিক ডিজ়াইনিং। উনিশ শতকের শেষ থেকেই অ্যানিমেশন তৈরির চেষ্টা চলছে। বিশ শতকের গোড়ায় তা হৈ চৈ ফেলে দেয় বিনোদন দুনিয়ায়। কিন্তু গত দু’দশকে চাকচিক্য বেড়েছে অ্যানিমেশনের। দোসর হয়েছে গ্রাফিক্স। ফলে কাজের বাজারেও কদর বাড়ছে দক্ষ শিল্পীর।

অ্যানিমেশন-এর কাজ কী?

টেলিভিশন থেকে মুঠোফোন— সবত্রই টম অ্যান্ড জেরি বা নারুতোদের উজ্জ্বল উপস্থিতি। এর বাইরে অ্যানিমেশন ছড়িয়ে রয়েছে চলচ্চিত্র থেকে শুরু করে ভিডিয়ো গেম-এর দুনিয়ায়। দ্বিমাত্রিক বা ত্রিমাত্রিক (টুডি বা থ্রিডি) ছবির কারিগরিতে আঁকা দৃশ্য হয়ে ওঠে জীবন্ত। গত কয়েক বছরে অ্যানিমেশনের সঙ্গে যোগ হয়েছে ভার্চুয়াল রিয়্যালিটি এবং অগমেন্টেন্ট রিয়্যালিটি-র মতো প্রযুক্তিও। ফলে স্থির চিত্র হয়ে উঠেছে আরও প্রাণবন্ত।

চাকরির সুযোগ:

অ্যানিমেশনে দক্ষতার অর্জনের পর সিনেমা, তথ্যচিত্র, অ্যানিম (জাপানি কার্টুন), টেলিভিশনের বিভিন্ন অনুষ্ঠান, বিজ্ঞাপনের ভিডিয়ো, সমাজ মাধ্যমের কন্টেন্ট এবং ভিডিয়ো গেম তৈরির কাজে সুযোগ পাওয়া যেতে পারে। তবে, বিভিন্ন সরকারি সংস্থায় অ্যানিমেটর হিসাবে চাকরি করতে চাইলে ডিজ়াইন, ভিস্যুয়াল কমিউনিকেশন বা অ্যাপ্লায়েড আর্টস-এর মতো বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি থাকা আবশ্যক। এ ক্ষেত্রে অ্যানিমেটর ছাড়াও স্টোরিবোর্ড আর্টিস্ট, ক্যারেক্টার ডিজ়াইনার পদেও চাকরির সুযোগ থাকে।

গ্রাফিক ডিজ়াইন কী?

গ্রিক শব্দ ‘গ্রাফে’ থেকে গ্রাফিক শব্দটির উৎপত্তি, যার অর্থ লেখা ও আঁকা। কোনও ছবিকে নির্দিষ্ট আকার দেওয়া বা তার মাধ্যমে কোনও গল্প বলার কাজটি গ্রাফিক ডিজ়াইন-এর মাধ্যমে করা হয়। কোনও কথা না বলেও ঘটনা সম্পর্কিত তথ্য ছবির মধ্যে থাকা লেখা থেকেই জেনে নেওয়া যায়।

তাই যাঁদের গ্রাফিক ডিজ়াইন তৈরি করার প্রতি আগ্রহ রয়েছে, তাঁদের নকশা তৈরির কাজে দক্ষ হতে হবে। জানতে হবে ছবি আঁকার সাধারণ নিয়ম। থাকতে হবে ছবিতে তথ্য কী ভাবে সাজাতে হবে— তার দক্ষতা। এ জন্য ছবি অনুযায়ী নকশা বাছাই, ছবির বিষয়ের সঙ্গে মানানসই রং ব্যবহারের দক্ষতা, বিন্যাসের কৌশল শিখে নিতে হয়। এই সমস্ত কিছুই কাজের প্রয়োজনে ব্যবহার করার সুযোগ পাওয়া যায়।

কাজের সুযোগ:

কর্পোরেট সংস্থা, তথ্য প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি, বিজ্ঞাপন এবং মার্কেটিং বিভাগে লোগো অ্যানিমেশনস, ব্যাখ্যামূলক ভিডিয়ো, রিল, প্রচারমূলক কাজে গ্রাফিক ডিজ়াইনারদের চাহিদা রয়েছে যথেষ্ট। এ ক্ষেত্রেও সরকারি প্রকল্পের অধীনে কাজ করতে চাইলে গ্রাফিক্স ডিজ়াইনে ডিগ্রি থাকতেই হবে।

এখন ব্র্যান্ড আইডেন্টিটি ডিজ়াইনার, ইউজ়ার ইন্টারফেস বা ইউজ়ার এক্সপেরিয়েন্স ডিজ়াইনার পদে গ্রাফিক ডিজ়াইন-এ দক্ষদের চাহিদা রয়েছে যথেষ্ট।

ডিজ়াইন নিয়ে পড়াশোনা না করেও কি কাজ শুরু করা যায়?

সাধারণত, ছবি আঁকা কিংবা মোবাইলে ভিডিয়ো এডিটিং-এ আগ্রহীরা এই কাজে যোগ দিতে চান। সে ক্ষেত্রে তাঁদের বিভিন্ন ভিডিয়ো এডিটিং সফট্‌অয়্যার ব্যবহারের কৌশল আলাদা করে শিখে নিতে হবে। কোন ছবির ক্ষেত্রে কেমন রং থাকবে, কিংবা পর পর ভিডিয়ো ফুটেজের মধ্যে গ্রাফিক কী ভাবে বসানো যায়— সেই সমস্ত ডিজ়াইন নিয়ে খুঁটিয়ে পর্যবেক্ষণ করতে হবে।

এই বিষয়ে প্রাথমিক স্তরের জ্ঞান অর্জনের জন্য ইন্টারনেটের সাহায্য নেওয়া যেতে পারে। এ ছাড়াও বিভিন্ন সরকারি এবং বেসরকারি সংস্থার অধীনে বিশেষ কোর্সও করে নেওয়া যায়। পাশাপাশি নিয়মিত অভ্যাস করতে হবে। তাতেই সৃজনশীল ভাবনার বিকাশ হওয়ার সুযোগ থাকছে।

Graphic Designing Animation Courses After 12th Career Options after 12th
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy