বিয়ের পরে শ্বশুরবাড়িতে পা রাখার আগে শিবমন্দিরে গিয়ে আশীর্বাদ নিয়েছিলেন মধুমিতা সরকার-দেবমাল্য চক্রবর্তী। তাঁদের প্রীতিভোজের আসরেও সেই ‘ভোলেবাবা’ সঙ্গী!
শীতশেষের হিম হাওয়া গায়ে মেখে রবিবারের সন্ধ্যা জমজমাট অভিনেত্রীর বিয়ের প্রীতিভোজের উদ্যাপনে। আসর বসেছিল শোভাবাজার রাজবাড়িতে। দায়িত্বে দেবজিৎ ভট্টাচার্য এবং তাঁর দল। আনন্দবাজার ডট কম -কে তিনি বলেন, “শোভাবাজার রাজবাড়ি লাল-সাদা রঙে উজ্জ্বল। আমরাও উৎসবমঞ্চকে সাজিয়েছি সে ভাবেই। লাল গোলাপ আর সাদা রজনীগন্ধায়। মধুমিতা-দেবমাল্যও এই দুই রঙের পোশাকে সেজেছেন।” প্রীতিভোজের ‘থিম’ কালীপুজোর রাত!
যেমন, দেবমাল্য সেজেছেন জরির কাজ করা সাদা শেরওয়ানিতে, তার উপরে দুধসাদা জ্যাকেট। সঙ্গে সোনার চেন, রিস্টলেট, আংটি। মধুমিতা বেছে নিয়েছেন লাল ও রানি রঙের মিশেলে সিল্কের শাড়ি। তাতে সিকুইন আর জরির কাজ। গলায় কুন্দনের গয়না। খোলা চুলে লাল গোলাপের বাহার!
আরও পড়ুন:
অভিনেত্রীর বিয়ে যতটা তারকাখচিত, প্রীতিভোজে সেই তারকা সমাগমে কি ভাটা? সন্ধ্যায় এসেছিলেন বর্ষীয়ান অভিনেত্রী মাধবী মুখোপাধ্যায়। খবর, রাতের দিকে অভিনেত্রী যে ধারাবাহিকে অভিনয় করছেন সেই ‘ভোলেবাবা পার করেগা’-র টিমের অনেকেই উপস্থিত হয়েছেন। আসতে পারেননি ধারাবাহিকের কাহিনি-চিত্রনাট্যকার লীনা গঙ্গোপাধ্যায়, অভিনেত্রী রোশনি ভট্টাচাৰ্য, মধুমিতার বন্ধু তৃণা সাহা প্রমুখ।
বিয়ের দিনের মতোই এ দিনেও ভুরিভোজের এলাহি আয়োজন। ফুচকার পরেই গলা ভেজাতে গন্ধরাজ ঘোল, আমপোড়া সরবত, মিন্ট লেমন দিয়ে ডাবের জল, কেশর চা। টুকটাক মুখ চালাতে গোল্ডেন প্রন, ফিশফ্রাই, কাবাব, গন্ধরাজ চিকেন। তার পরেই পাত পেড়ে খাওয়ার মেনু। লুচি, কড়াইশুঁটির কচুরি, আলুরদম, ভেজিটেবিল চপ, সাদা ভাত, ফুলকপির রোস্ট, বাসন্তি পোলাও, ফিশ পাতুরি, চিংড়ির মালাইকারি, দই কাতলা, গোলবাড়ির কষা মাংস, চাটনি। শেষপাতে রসগোল্লা, রসমালাই, জিলিপির মতো রকমারি মিষ্টি।