Advertisement
E-Paper

অন্যান্য রাজ্যে নিরাপত্তা ব্যবস্থা অনেক কড়া, তাই বাংলার মতো সর্বত্র বুথ দখল হয় না: তনুশ্রী

তাঁরাও ভোটার। তবে তাঁদের ভাবনা-চিন্তা অনেককে দিশা দেখায়। রাজ্যে বিধানসভা ভোটের আগে তেমনই কয়েক জন তারকা ভোটারের কাছে ১৩টি প্রশ্ন নিয়ে হাজির আনন্দবাজার ডট কম। এ দফায় উত্তর দিলেন অভিনেত্রী তনুশ্রী চক্রবর্তী।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৪ এপ্রিল ২০২৬ ১০:০০
ভোট নিয়ে মতামতে তনুশ্রী চক্রবর্তী।

ভোট নিয়ে মতামতে তনুশ্রী চক্রবর্তী। গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে কাকে দেখতে চান?

তনুশ্রী চক্রবর্তী: সেটা এখন কী করে বলব? নিজের শহরে থাকলে আমার ভোট সেই জবাব দিত। এ বার তো শহরের বাইরে আছি। ভোট দিতে যেতে পারব না!

দল দেখে ভোট দেন না প্রার্থী দেখে?

Advertisement

তনুশ্রী: দুটোই। আগে প্রার্থীর কাজ দেখি। তার পর তিনি কোন দলের প্রতিনিধি, সেটাও দেখি।

প্রার্থী বাছাইয়ের পরীক্ষা হলে কেমন হয়? আর জেতার পরে যদি হয় বিধায়কের প্রশিক্ষণ?

তনুশ্রী: অবশ্যই রাজনীতি সম্পর্কে জ্ঞান থাকা দরকার। আবার কাজ করতে করতেও অনেক কিছু শেখা যায়। তবে পড়াশোনা জরুরি। এটা রাজনীতিতে যোগ দিয়ে বুঝেছি বলেই ভাল করে প্রস্তুতি নেওয়ার জন্য সরে এসেছি।

নির্বাচন নিয়ে কি ভাবছেন তনুশ্রী?

নির্বাচন নিয়ে কি ভাবছেন তনুশ্রী? গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

নিজে বিধায়ক হলে কী বদলাতে চাইতেন?

তনুশ্রী: মানুষের কিছু ভাবনা বদলাতে চাইতাম। বিশেষ করে কিছু আচরণ। যেমন, কর ফাঁকি দেওয়ার প্রবণতা। সমাজের পক্ষে যা যা ক্ষতিকর, সেই ভাবনা বা কাজ বদলাতে চাইতাম।

আপনার পেশার জগতের কোনও অভিযোগ কি ভোট প্রচারে গুরুত্ব পাওয়া দরকার?

তনুশ্রী: আমার মতে সমস্যার পাশাপাশি সমাধানও খোঁজা উচিত। কারণ, সবাই শুধুই সমস্যার কথা বলেন। সমাধানের রাস্তা দেখান না।

নির্বাচন প্রক্রিয়াকে দুর্নীতিমুক্ত রাখতে পারে কী কী?

তনুশ্রী: নির্বাচন কমিশনের কড়া পদক্ষেপ, নিরাপত্তা জোরদার করা আর ভোটারদের সততা। জনতা রুখে দাঁড়ালে সব অন্যায় থেমে যাবে। নিরাপত্তা কড়া হওয়ায় অন্যান্য রাজ্যে বাংলার মতো বুথ দখল হয় না।

ঘন ঘন দল বদলের বিরুদ্ধে কি ব্যবস্থা নেওয়া দরকার?

তনুশ্রী: সংবিধানে তো এমন বিধান নেই! আদর্শে না মিললে দলবদল করা যেতেই পারে। তার জন্য শাস্তি কেন?

মতামতে তনুশ্রী।

মতামতে তনুশ্রী। গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

রাজনীতিতে অপশব্দের প্রয়োগ কি জরুরি?

তনুশ্রী: অবশ্যই ভেবে কথা বলা দরকার। কারণ, জনপ্রতিনিধি নিজের দলেরও প্রতিনিধি। তাঁর মুখে ভাষার ভুল প্রয়োগ তাঁর পাশাপাশি দলের সম্মান নষ্ট করে। তাঁর অনুগামীরাও তাঁকে অনুসরণ করতে গিয়ে ঘৃণ্য ভাষা ব্যবহার করে ফেলেন। যা কাম্য নয়।

দেশজ সংস্কৃতি, উন্নয়ন না কি সমান অধিকার— ভোট প্রচারে কী বেশি গুরুত্বপূর্ণ?

তনুশ্রী: আমি বামদলের সাম্যবাদে বিশ্বাসী নই। একজন খেটেখুটে উন্নয়ন আনবে। বাকিরা কিছু না করেই তার সমান ভাগ পাবে, মানি না। উন্নয়ন হাতিয়ার হোক। এবং সেটা যিনি আনবেন, তিনি অন্যদের থেকে বেশি ফল ভোগ করবেন।

ভাতা-র রাজনীতি সমাজের উন্নতি করে কি?

তনুশ্রী: সেটা হয় কখনও? শুধু ভাতা বা অনুদানের উপরে নির্ভর করে কারও জীবনের মান উন্নত হয় না।

প্রায় বিরোধীশূন্য রাজনীতি কি স্বাস্থ্যকর?

তনুশ্রী: স্বাস্থ্যকর নয়। কারণ, সরকারকে সঠিক পথে চালাতে বিরোধীদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি, শুধুই সরকারের বিরোধিতা বা সমালোচনা নয়, ভাল কাজের প্রশংসাও বিরোধীদলের থেকে কাম্য।

রাজনীতি নিয়ে তনুশ্রীর মতামত।

রাজনীতি নিয়ে তনুশ্রীর মতামত। গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

তারকারা কি ভোট টানার শর্টকাট?

তনুশ্রী: অস্বীকার করি কী করে? কারণ, তারকারা কিছু বললে জনতা শোনে। তাঁদের মাধ্যমে দ্রুত বার্তা পৌঁছে দেওয়া যায়। আবার কোনও তারকা জনদরদি হলে তিনিও রাজনীতিতে এসে মানুষের জন্য বেশি কাজ করতে পারেন।

পছন্দের রাজনীতিবিদ কে?

তনুশ্রী: বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। আর শরদ পাওয়ার, প্রণব মুখোপাধ্যায়।

Tanusree Chakraborty Celebrity Voter Interview
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy