Advertisement
১৮ এপ্রিল ২০২৪
Kancahn-Sreemoyee

‘মিস্টার মল্লিক’ সময় দিচ্ছেন না, বরের উপর অভিমান করে কাকে নিয়ে ডেটে গেলেন শ্রীময়ী?

কাঞ্চন-শ্রীময়ীর বিয়ে নিয়ে সরগরম টলিপাড়া। চারিদিকে জোর আলোচনা। সেই চর্চা আরও খানিকটা উস্কে দিলেন শ্রীময়ী। ‘মিস্টার মল্লিক’ নন, শ্রীময়ী ডেটে গেলেন অন্য কারও সঙ্গে।

symbolic image.

কাঞ্চন মল্লিক এবং শ্রীময়ী চট্টরাজ। ছবি: সংগৃহীত।

আনন্দবাজার অনলাইন ডেস্ক
কলকাতা শেষ আপডেট: ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ ১৭:০৫
Share: Save:

গত ১৪ ফেব্রুয়ারি আইনি বিয়ে সেরেছেন অভিনেতা কাঞ্চন মল্লিক এবং অভিনেত্রী শ্রীময়ী চট্টরাজ। প্রাক্তন স্ত্রী পিঙ্কি বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদের পরেই জীবনের নতুন অধ্যায় শুরু করেছেন কাঞ্চন। আগামী ৬ মার্চ সামাজিক বিয়ে করবেন দুজন। কাঞ্চন-শ্রীময়ীর বিয়ে নিয়ে সরগরম টলিপাড়া। চারিদিকে জোর আলোচনা। সেই চর্চা আরও খানিকটা উস্কে দিলেন শ্রীময়ী। ‘মিস্টার মল্লিক’ নন, শ্রীময়ী ডেটে গেলেন অন্য কারও সঙ্গে।

সামনেই লোকসভা নির্বাচন। বিধায়ক কাঞ্চন এখন রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিয়ে বেশ ব্যস্ত। সেই সঙ্গে শুটিংয়ের চাপ, স্টেজ শো তো রয়েছেই। অন্য দিকে শ্রীময়ীও ধারাবাহিকের কাজ নিয়ে ব্যস্ত। ব্যস্ততার কারণেই যে আইনি বিবাহের পর মধুচন্দ্রিমায় যেতে পারেননি দু’জনে, শ্রীময়ী তা জানিয়েছিলেন। স্বামী সময় দিতে পারছেন না বলেই কি অন্য কাউকে সঙ্গে নিয়ে ডেটে চলে গেলেন কাঞ্চন-ঘরনি?

শ্রীময়ী ডেটে গিয়েছেন বটে, তবে সঙ্গী তাঁর মা। মাকে নিয়ে গিয়েছেন কফি ডেটে। ইনস্টাগ্রামে একটি ভিডিয়ো পোস্ট করেছেন অভিনেত্রী। সেখানে শ্রীময়ী জানিয়েছেন, মেয়ের বিয়ে হয়ে যাচ্ছে বলে তাঁর মা নাকি কান্নাকাটি করছেন। শ্রীময়ীর মায়ের অভিমান, শ্বশুরবাড়ি যাওয়ার আগেই মেয়ে নাকি ‘পর’ হয়ে গিয়েছে। অভিমান ভাঙাতে তাই মাকে নিয়ে কফি খেতে গিয়েছেন শ্রীময়ী। তবে সেই ভিডিয়োয় কাঞ্চনের প্রতি কপট অভিমান প্রকাশ করেছেন শ্রীময়ী। তিনি বলেন, ‘‘বরের সঙ্গে তো প্রেম করার সুযোগ পেলাম না, তাই মাকেই সঙ্গে নিয়ে এলাম কফি খেতে।’’

(সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের Google News, X (Twitter), Facebook, Youtube, Threads এবং Instagram পেজ)

অন্য বিষয়গুলি:

Kanchan Mullick Sreemoyee Chattoraj
সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি:
Advertisement
Advertisement

Share this article

CLOSE