মুক্তি পাচ্ছে ‘ধুরন্ধর ২’। ছবির সঙ্গে জুড়েছে ‘প্রোপাগান্ডা’ তকমা। তবে এই প্রথম নয়। এর আগে আদিত্য ধরের ‘উরি: দ্য সার্জিকাল স্ট্রাইক’ ছবির সঙ্গেও জুড়েছিল একই তকমা। এই প্রসঙ্গে কথা বলেছিলেন আদিত্য নিজেই।
হৃতিক রোশন প্রকাশ্যে জানিয়েছিলেন যে, তিনি ‘ধুরন্ধর’-এর রাজনীতির সঙ্গে একমত নন। যদিও এই ছবিটি হিন্দি ছবির ইতিহাসে সর্বোচ্চ আয় করার মতো যোগ্যতা রাখে বলেও স্বীকার করেছেন তিনি। কিছু দিন আগে স্বরা ভাস্করের মা ইরা ভাস্করও এই একই মন্তব্য করেছিলেন ছবি নিয়ে।
‘ধুরন্ধর ২’ মুক্তির ঠিক আগের দিন আদিত্য ধরের সেই পুরনো মন্তব্য ফের আলোচনায়। চলচ্চিত্র সমালোচক রাজীব মসান্দ ‘উরি’কে ‘প্রোপাগান্ডা’ ছবি বলেছিলেন। নির্বাচনের সময় এই ছবির মুক্তির কারণ ঘিরেও প্রশ্ন উঠেছিল। এ বারও সেই একই প্রশ্নের মুখে ‘ধুরন্ধর’ও। ভারতের পাঁচ রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন আসন্ন। সেই সময়েই মুক্তি পাচ্ছে ‘ধুরন্ধর ২’।
আরও পড়ুন:
‘উরি’র সময় আদিত্য বলেছিলেন, “দেখুন, দুটো বিষয় আছে। প্রথমত, ছবির মুক্তির তারিখ প্রযোজক ঠিক করেন, ছবির ব্যবসা ও অর্থনীতির কথা ভেবে। নির্বাচন হচ্ছে কি না, বা কোন দল লড়ছে, এ সব দেখে কিছু ঠিক করা হয় না।”
আদিত্য জানিয়েছিলেন, একজন চলচ্চিত্র নির্মাতা হিসেবে তিনি ঘটনাগুলি ধারাবাহিক ভাবে দেখানোর চেষ্টা করেছেন মাত্র। তিনি আরও বলেছিলেন, “দ্বিতীয়ত, যখন আপনি ছবিটা দেখবেন— যাঁরা একে ‘প্রোপাগান্ডা’ বলছিলেন, তাঁরাও পরে বুঝেছেন যে এটা তা নয় একেবারেই। শুধু ঘটনাগুলো ধারাবাহিক ভাবে দেখিয়েছি। আর যদি সেই প্রসঙ্গে বর্তমান সরকারের কোনও সিদ্ধান্ত নিয়ে হয়ে থাকে, তা হলে আমি সেটা কী ভাবে বাদ দেব? আমি তো সেটা দেখাতেই বাধ্য। এই বিষয়টা মাথায় রেখে আমি ভারসাম্য রাখার চেষ্টা করেছি। এখন কেউ যদি এটাকে প্রচার বলে, তা হলে হয়তো তাদের মাথায় আগে থেকেই এই ধারণা ছিল।”