খোলাচুলে উপুড় হয়ে খাটে শুয়ে নবনীতা দাস। উন্মুক্ত পিঠ, গায়ে কাপড় বলতে শুধু একটা সাদা চাদর। অভিনেত্রী নিজের এমন ছবি তুলে ছবির ক্যাপশনে চিত্রগ্রাহক হিসাবে নিজের নাম দিয়েছেন। এই ছবি দেখেই উড়ে এসেছে একের পর এক মন্তব্য। অভিনেত্রীর এই ছবি দেখে কেউ টেনেছেন তাঁর সঙ্গে অভিনেতা জীতু কমলের সম্পর্ক ভাঙার প্রসঙ্গ। কারও কথায়, নবনীতা এখনও ‘মহাপীঠ তারাপীঠ’ ধারাবাহিকে ‘তারা মা’। নিজের করা এই সব চরিত্রের ভাবমূর্তিতেই যেন আটকে নবনীতা। এমন সাহসী পোশাকে দেখে আপত্তি জানিয়েছেন তাঁরা। এ বার পাল্টা মুখ খুললেন অভিনেত্রীও।
আরও পড়ুন:
সম্প্রতি মুম্বইয়ে গিয়েছিলেন অভিনেত্রী। সেখানেই একটি হোটেলের ঘরে নিজের চেষ্টায় একা একা ছবিগুলো তুলেছেন বলে দাবি নবনীতার। যদিও তাতে সমালোচনা থামেনি। কখনও বলা হয়েছে তিনি টলিপাড়ার আর এক অভিনেত্রীকে নকল করে এ সব ছবি তুলেছেন, কেউ কেউ তুলেছেন তাঁর প্রাক্তন স্বামীর প্রসঙ্গ। কেউ আবার নবনীতার এমন খোলামেলা ছবি দেখে রাগে নিজের সমাজমাধ্যমের পাতায় না রাখবেন না বলে জানিয়েছেন। তাঁদের বক্তব্য, একটা বড় অংশের অনুরাগী নাকি এখনও নবনীতাকে ‘মা তারা’র চরিত্রেই মনে রেখেছেন।
যদিও নবনীতা বলেন, ‘‘আমি একটা স্বাভাবিক মেয়ে। ২০২২ সালে এই ধারাবাহিকটা করেছিলাম। নবনীতা আর কতদিন মা তারা হয়ে পড়ে থাকবে? তবে আমি তাঁদের দোষ দিই না তাঁদের নজরে হয়তো ওই ভাবমূর্তিটা বসে গিয়েছে। কিন্তু আমাকেও তো জীবনে এগোতে হবে। ওই একটা চরিত্রে আটকে থাকতে তো চলবে না।’’
নবনীতা জানান, অনেকে তাঁর প্রাক্তন স্বামীকে টেনেছেন তাতে তিনি অনেকটাই বিরক্ত। যদিও তিনি সাফ জানান, জীতুর সঙ্গে কোনও সম্পর্ক নেই তাঁর। তাই প্রতিটা বিষয়ে জীতুকে টানাটা তাঁর জন্য বিরক্তিকর। নবনীতা জানান, এই ধরনের সমালোচনা তাঁকে একেবারেই বিচলিত করে না। কারণ, তাঁর প্রতি দর্শকের যে প্রত্যাশা সেটা বুঝতে পারেন তিনি। বেশ কয়েক বছর হল ছোটপর্দা থেকে দূরে থেকে নিজস্ব ব্যবসা শুরু করেছেন। সেটার কাজে মাঝে মধ্যে মুম্বইয়ে যেতে হয় নবনীতাকে। তাই সমালোচনা কিংবা কটাক্ষ এসব নিয়ে সময় নষ্ট করতে নারাজ তিনি।