বিয়ের চার বছর হয়ে গিয়েছে। কিন্তু এখনও তাঁদের সম্পর্ক নিয়ে নানা রকমের কটাক্ষ শুনতে হয় আলিয়া ভট্ট ও রণবীর কপূরকে। তাঁদের সম্পর্ক নিয়ে নেতিবাচক মন্তব্য থেকে ট্রোলিং প্রায়ই ঘুরে বেড়ায় সমাজমাধ্যমে। তার প্রভাব কি বাস্তবে দাম্পত্যে পড়ে?
ক্যাটরিনা কইফের সঙ্গে সম্পর্ক ভাঙার পরে আলিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি হয় রণবীরের। একসময়ে ক্যাটরিনা ও আলিয়া নিজেদের ‘বেস্ট ফ্রেন্ডস’ বলতেন। কিন্তু রণবীরের সঙ্গে সম্পর্ক শুরু হওয়ার পরে তাঁদের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয়। সৌজন্য আলাপ থাকলেও প্রিয় বান্ধবীর জায়গা তাঁরা হারান। দীর্ঘ দিন সম্পর্কে থাকার পরে ২০২২ সালের ১৪ এপ্রিল ঘরোয়া আবহে বিয়ে করেছিলেন আলিয়া ও রণবীর। এর কয়েক মাসের মাথায় তাঁরাই সন্তানের সুখবর দেন। এই ঘটনায় ফের সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন রণবীর-আলিয়া। সেই সব নেতিবাচক মন্তব্য এখনও দেখতে পান তাঁরা। কিন্তু এখন কিছুই যায় আসে না তাঁদের। বরং কিছু ‘মিম’ দেখে তাঁরা নিজেরাই হাসাহাসি করেন।
আরও পড়ুন:
আলিয়ার দাবি, নেতিবাচক মন্তব্য তাঁদের জীবনে কোনও সমস্যাই তৈরি করতে পারে না। সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রী বলেছেন, “এই ধরনের মন্তব্য নিয়ে শোরগোল আমাদের পর্যন্ত পৌঁছোয় না। কারণ এগুলোর কোনও সত্যতাই নেই। লোকজন ভিডিয়োয় কয়েক সেকেন্ডের জন্য মন্তব্য করেন। অন্য দিকে আমি আর রণবীর সাত বছর একসঙ্গে আছি। তাই ওই সব মন্তব্যের চেয়ে অনেকগুণ বেশি আমরা পরস্পরকে জানি।”
হাতেগোনা মানুষ ভাল চান। বাকিরা হয়তো খারাপই চান। কিন্তু সেগুলো নিয়ে ভাবেন না বা জানার চেষ্টাও করেন না বলে দাবি আলিয়ার। তাই কে কী বলল, তা নিয়ে মাথা ঘামান না অভিনেত্রী। প্রতি রাতে নিজের জীবনের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি ঘুমোতে যান।