হাড় ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে গিয়েছিল। মাথা থেকে পা পর্যন্ত অসংখ্য সমস্যা। মানসিক শক্তির সাহায্যে কেবল জীবনযাপন করছেন। দাবি করলেন অমাল মালিক।
শারীরিক সমস্যা থাকলেও অর্থের অভাবে বেশ কিছু অস্ত্রোপচার করতে পারেননি অমাল। সঙ্গীতশিল্পী সাক্ষাৎকারে বলেন, “আমার বেশ কিছু অস্ত্রোপচার এখনও বাকি। হাঁটুতে সমস্যা, মাত্র ১৯ বছর বয়সে আমার চোয়াল ভেঙে গিয়েছিল। তার পর অস্ত্রোপচার করে সব ঠিক করতে হয়। চোয়ালের কাছে ৪৫টি সেলাই রয়েছে। আমার কাঁধের হা়ড়ও সরে গিয়েছে। বাঁ হাত এক বার পুরো ভেঙে গিয়েছিল। নাক ভেঙে যায়। প্রতিদিন সকালে উঠে আমি কাজ করি। শুধুমাত্র মানসিক জোর রয়েছে বলে কাজ করতে পারি।”
আরও পড়ুন:
একসময় বিতর্কে জড়িয়েছিলেন। কিন্তু ‘বিগ বস্’ থেকে বেরোনোর পরে মানুষের মন জয় করেছেন তিনি। এ বার তিনিও থিতু হয়েছেন। এ বার একে একে নিজের অসুস্থতাগুলো সারিয়ে তুলতে চান। গায়কের কথায়, “এখন সব ঠিক করে কাজে মন দিতে চাই। সৌভাগ্যবশত কিছু ভাল ‘নি ব্রেসেস’ রয়েছে, যেগুলি হাঁটুতে জড়িয়ে আমি অনুষ্ঠান করি। একটা সময়ে আমার হাঁটু সহজেই মচকে যেত। ‘বিগ বস’-এর মঞ্চেও একবার নাচতে গিয়ে হাঁটুতে সমস্যা হয়েছিল। আগে টাকা ছিল না বলে চিকিৎসা করাতে পারিনি। এখন সময় নেই বলে পারি না।”
মাথার খুলিও একবার ফেটে গিয়েছিল অমালের। সেই সময়ে ৫ লক্ষ টাকা ঋণ নিতে হয়েছিল তাঁকে। শিল্পীর স্বীকারোক্তি, “অস্ত্রোপচার করাতে অনেক খরচ হয়। আমাকে ৫ লক্ষ টাকা লোন নিতে হয়েছিল। মাথার খুলির ডান দিকটা ভেঙে গিয়েছিল। এই নিয়েই কাজ করতাম। দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষার সময়ে আমার মুখের হাড়ও ভেঙে যায়। মনে আছে মাত্র ৩-৪ ঘণ্টা আমি চোখ খুলে থাকতে পারতাম, তাও একটা যন্ত্রের সাহায্যে। সেই ভাবেই গোটা পরীক্ষাটা দিয়েছিলাম আমি। এ ভাবেই আমি জীবনের গোটা ৩৫টা বছর কাটিয়ে দিয়েছি। কারণ লড়াইটা শুরু হয়েছিল মাত্র পাঁচ বছর বয়সে।”