শারীরিক অসুস্থতার জেরে ২০১২ সালে মৃত্যু হয় রাজেশ খন্নার। অভিনেতার মৃত্যুর পর বলিউডের বর্ষীয়ান অভিনেত্রী অনিতা আডবাণী দাবি করেন, তিনি রাজেশের সঙ্গে থাকতেন, বিবাহিত স্ত্রীর মতোই। তাঁদের বিয়ের বৈধতা দাবি করে আদালতের দ্বারস্থ হন অনিতা। প্রায় ১৪ বছর রাজেশের স্ত্রী ডিম্পল কপাড়িয়া ও তাঁর কন্যাদের সঙ্গে আইনি লড়াই লড়তে শুরু করেছিলেন। কিন্তু অভিনেত্রীর আবেদন খারিজ করে দেয় বম্বে আদালত। এ বার অনিতা জানালেন, রাজেশ নাকি তাঁকে সিঁদুর পরিয়ে বিয়ে করেছিলেন।
রাজেশের মৃত্যুর পর ‘বিগ বস্’ রিয়্যালিটি শোয়ে প্রতিযোগী হিসাবে অংশগ্রহণ করেছিলেন অনিতা। শোয়ে এসে তিনি জানান, রাজেশের মৃত্যুর পর তিনি একা হয়ে গিয়েছিলেন। সেখানেই তিনি দাবি করেন, রাজেশের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়নি। কিন্তু সাত-আট বছর অভিনেতার সঙ্গে একত্রবাস করেছিলেন। অনিতা বলেন, ‘‘আমি ওর জন্য ব্রত রাখতাম। স্ত্রী হিসাবে যা কর্তব্য প্রয়োজন, আমি রাজেশের জন্য সব করেছিলাম।’’
যদিও এখন সুনীতা অন্য কথা জানাচ্ছেন। তিনি বলছেন, ‘‘আমাদের সম্পর্কের কথা ইন্ডাস্ট্রিতে সকলেই জানত। কেউ কিছু বলেনি। আমরাও ফলাও করে ঘোষণা করিনি। আমাদের বাড়িতে ছোট্ট একটা মন্দির ছিল। সেখানেই ঈশ্বরকে সাক্ষী রেখে আমাকে সিঁদুর পরান রাজেশ। তার পর উনি সোনার মঙ্গলসূত্র পরতে বলেন আমাকে। সিঁদুর দানের পর উনি বলেন, আজ থেকে তোমার সব দায়িত্ব আমার। আসলে আমরা যে বিবাহিত সেটার ঘোষণা করিনি।’’
সত্তর থেকে আশির দশকে অসংখ্য মহিলা অনুরাগী ছিল রাজেশের। বলিপাড়ার একাধিক অভিনেত্রীর সঙ্গেও নাম জড়িয়েছিল তাঁর। অঞ্জু মহেন্দ্রুর সঙ্গে রাজেশের সম্পর্কের কথা কারও অজানা নয়। তবে অনিতাই অবশ্য নিজেকে অভিনেতার স্ত্রী হিসেবে দাবি করলেন।
আরও পড়ুন:
১৯৮২ সালে রাজেশের বাড়ি ‘আশীর্বাদ’ ছেড়ে চলে যান ডিম্পল। তার পরেই রাজেশের জীবনে প্রবেশ ঘটে অনিতার। রাজেশের ঘনিষ্ঠ বন্ধু ভূপেশ রাসিনের পুত্র হর্ষ রাসিনের দাবি, অনিতাকে তিনি রাজেশের বাড়িতে বহু দিন দেখেছেন। কিন্তু তাঁরা কোনও সম্পর্কে ছিলেন না। এমনকি অনিতার সঙ্গে সম্পর্কের কথা জীবদ্দশায় স্বীকার করেননি রাজেশ নিজেও।