১৯৬৮ সালের ১৯ এপ্রিল মুম্বইয়ে অরশদের জন্ম। ১৪ বছরের মধ্যেই বাবা-মাকে হারান। নাসিকের স্কুলের পড়ুয়া দশম শ্রেণির পরে আর পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারেননি। স্কুলে পড়ার সময় থেকেই জাতীয় স্তরের জিমন্যাস্ট ছিলেন। ১৭ বছর বয়সে চূড়ান্ত অর্থাভাবে দরজায় দরজায় গিয়ে প্রসাধনী জিনিস বিক্রির কাজ শুরু করতেন অরশদ। কিছু দিন সে কাজের পর ফোটো ল্যাবে কাজ শুরু করেন। তার পর নাচ শিখে বলিউডে। এই ঝলমলে দুনিয়াতেও নাকি বন্ধু হতে বেগ পেতে হয়। সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে অমিতাভ বচ্চন ও জয়া বচ্চনের মতো মানুষের স্নেহ পেয়েছেন বলে জানান অরশদ।
৫৮ পূর্ণ করলেন অরশদ। এই এতগুলো বছরে তিনি একাধিক বার জানিয়েছেন, এই ইন্ডাস্ট্রিতে তাঁর তেমন বন্ধু নেই। কিন্তু এমন বন্ধূহীন ইন্ডাস্ট্রিতে অরশদ জানান, তিনি অমিতাভ ও জয়া বচ্চনের সান্নিধ্য পেয়েছেন। অরশদের কথায়, ‘‘এখনও আমার জন্মদিনে রাত ১২টা বেজে গেলেই ফোন করেন ওঁরা। আসলে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এই ইন্ডাস্ট্রির থেকে অনেকটা ভালবাসা পেয়েছি।’’
২০০৩-এ ‘মুন্নাভাই এমবিবিএস’-এর ‘সার্কিট’ চরিত্রটি অরশদকে জনপ্রিয়তার শিখরে পৌঁছে দিয়েছিল। নিজেকে ধীরে ধীরে বলিউডের প্রথম সারির কমেডি অভিনেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন। পাশাপশি, ‘চকোলেট’, ‘কাবুল এক্সপ্রেস’-এর মতো অন্য ধারার ছবিতেও তাঁর অসাধারণ অভিনয় দেখেছেন দর্শক। সম্প্রতি ‘ব্যাডস্ অফ বলিউড’ সিরিজ়ে গফুরের চরিত্রে অরশদের অভিনয় বহুল প্রশংসিত হয়েছে।