Follow us on

Download the latest Anandabazar app

© 2021 ABP Pvt. Ltd.

Advertisement

০২ ডিসেম্বর ২০২১ ই-পেপার

বিনোদন

এই বলি সেলেবদের বিয়ের কার্ড কেমন দেখতে ছিল জানেন?

নিজস্ব প্রতিবেদন
২৬ এপ্রিল ২০১৮ ১৪:১৩
বলি সেলেব মানেই গ্ল্যামারের ঝলকানি। এই গ্ল্যামারের ছাপ রয়ে গিয়েছে তাঁদের বিয়ের কার্ডেও। আভিজাত্য এবং নতুনত্বের মিশেলে কেমন ছিল এই বলি সেলেবদের বিয়ের কার্ড? জানতে চোখ রাখুন গ্যালারির পাতায়।

সোহা আলি খান-কুনাল খেমু: একেবারেই ঘরোয়া অনুষ্ঠানে বিয়ে সেরেছিলেন সোহা ও কুনাল। তাঁদের বিয়ের কার্ডও ছিল বেশ ছিমছাম। ফ্লোরাল প্রিন্টের উপর সোনালী ফিতে দিয়ে বাঁধা কার্ডটি দেখতেও ছিল অসাধারণ।
Advertisement
দিয়া মির্জা-সাহিল সাঙ্গা: ২০১৪ সালে বলি ডিভা দিয়া মির্জার সঙ্গে চার হাত এক হয় সাহিল সাঙ্গার। তাঁদের বিয়ের কার্ডটি ছিল খুবই সাদামাটা, ছিমছাম। অফ হোয়াইট রঙের ফ্লোরাল প্রিন্টের কার্ডের সঙ্গে মিষ্টির বাক্সও পৌঁছে গিয়েছিল নিমন্ত্রিতদের কাছে।

শাহিদ কপূর-মীরা রাজপুত: দিল্লির ডিজাইনার রবীশ কপূরকে দিয়ে নিজেদের বিয়ের কার্ড বানিয়েছিলেন শাহিদ-মীরা। ক্রিম রঙা কার্ডটি দেখতে অনেকটা উপহারের বাক্সের মতো। কার্ডের ভিতরে হাল্কা সোনার ছোঁয়াও ছিল বলে জানিয়েছিলেন শাহিদ। বাক্সের ভিতরে রাখা ছিল চা ও মধু।
Advertisement
পুলকিত সম্রাট-শ্বেতা রোহিরা: পুলকিত-শ্বেতার বিয়ের কার্ডে ছিল যেন রূপকথার ছোঁয়া। ছোটবেলায় পড়া রূপকথার নানা গল্প ছবির আকারে সাজিয়ে কার্ডটি বানানো হয়। কার্ডের উপর নিজেদের কার্টুনও বানিয়েছিলেন তাঁরা।

এষা দেওল-ভরত তাখতানি: এষা-ভরতের বিয়ের মতো তাঁদের বিয়ের কার্ডেও ছিল আভিজাত্যের ছোঁয়া। গোল্ডেন ও ক্রিম রঙা কার্ডটি বানানো হয় বাক্সের আকারে। সোনালী পাতে মোড়া বাক্সের কভার বানানো হয় রাধা-কৃষ্ণের ছবি দিয়ে। কার্ডের সঙ্গে মতিচূরের লাড্ডু ও ড্রাই ফ্রুটস পাঠানো হয় নিমন্ত্রিতদের কাছে।

ইমরান খান-অবন্তিকা মালিক: নিমন্ত্রণপত্রের সঙ্গে বাক্সবন্দি চকোলেট পাঠিয়ে নিমন্ত্রিতদের চমকে দিয়েছিলেন ইমরান-অবন্তিকা। নিমন্ত্রণ কার্ডের সঙ্গে দু’টি বাক্স পাঠানো হয়েছিল, যার একটিতে ছিল চটোলেট ও অন্যটিতে ইয়ার প্ল্যানার ডায়েরি, সুগন্ধি ও রঙিন কাগজের ঘূর্ণি। ঘূর্ণির গায়ে সাঁটা হলুদ কাগজে লেখা ছিল বিয়ের যাবতীয় তথ্য।

বিবেক ওবেরয়-প্রিয়ঙ্কা আলভা: দামি পাথর ও সোনা দিয়ে বানানো হয় এই যুগলের বিয়ের কার্ড। কার্ডটি দেখতে ছিল বড় গয়নার বাক্সের মতো। তার একদিকে ছিল নিমন্ত্রিতদের জন্য চকোলেট ও অন্যদিকে বিয়ের সূচিপত্র। হাজার দু’য়েক অতিথিকে নিমন্ত্রণ করা হয় বিয়েতে।

শিল্পা শেট্টি-রাজ কুন্দ্রা: রীতিমতো ধর্মীয় আচার মেনে বানানো হয় রাজ-শিল্পার বিয়ের কার্ড। সোনালী রঙের বাক্সের আকারে তৈরি কার্ডের উপরে সংস্কৃত শ্লোকও লেখা হয়। কার্ডের মাঝখানে আঁকা হয় গণেশের ছবি। সেই ছবির উপরেই সূক্ষ কারুকাজ করে লেখা হয় বিয়ের সূচিপত্র। কার্ডের সঙ্গে নিমন্ত্রিতদের কাছে পাঠানো হয় চকোলেট।

ঐশ্বর্য রাই-অভিষেক বচ্চন: বলিউডের হাই প্রোফাইল এই জুটির বিয়েতে তিনটি আলাদা বাক্সে পাঠানো হয় নিমন্ত্রণপত্র। বাক্সগুলির উপরে লেখা ছিল ঐশ্বর্য-অভিষেকের নামে আদ্যক্ষর ‘এএ’। লাল ফিতে দিয়ে বাঁধা প্রতিটি বাক্সের প্রথমটিতে রাখা ছিল নিমন্ত্রণপত্র, দ্বিতীয়টিতে মিষ্টি আর তৃতীয়টিতে গণেশের মূর্তি। ছিল অমিতাভ বচ্চনের বাবা প্রয়াত হরিবংশ রাই বচ্চনের কবিতাও।