দীর্ঘ দিন ধরেই যকৃতের ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করছেন দীপিকা কক্কড়। একের পর এক অস্ত্রোপচার, কখনও কেমোথেরাপি — একাধিক জটিল চিকিৎসার মধ্যে দিয়ে যেতে হচ্ছে অভিনেত্রীকে। কয়েক দিন আগেই দীপিকা জানিয়েছিলেন, চিকিৎসকেরা তাঁর শরীরে নতুন দু’টি টিউমর পেয়েছেন। এর মধ্যেই গত শুক্রবার থেকে ‘ইমিউনোথেরাপি’ শুরু হয়েছে তাঁর। তার পর কেমন আছেন অভিনেত্রী? ভ্লগে নিজের স্বাস্থ্যের কথা তুলে ধরলেন দীপিকা।
আরও পড়ুন:
দীপিকার আবার অস্ত্রোপচার হতে চলেছে, এমন একটি গুঞ্জন ছড়িয়েছিল। কিন্তু, এই খবর ঠিক নয় বলে জানান শোয়েব। তিনি বলেন, “অনেকেই জানতে চাইছেন, দীপিকার আবার অস্ত্রোপচার হবে কি না। এই মুহূর্তে চিকিৎসকেরা এমন কিছু বলেননি। আপাতত কোনও অস্ত্রোপচার হচ্ছে না।” ২০২৫ সালে তাঁর বড় অস্ত্রোপচার হয়েছিল। এখনও নানা অসুখ নিয়ে লড়ছেন তিনি। এর মাঝেই শুরু হয়েছে ‘ইমিউনোথেরাপি’। দীপিকা বলেন, ‘‘শরীরে একটা অস্বস্তি রয়েছে আমার। যদিও বড়সড় কোনও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হয়নি। আসলে শরীরে এমন তীব্র কোনও ওষুধ ঢুকলে, কিছু জিনিসে তো বদল আসে।’’ যদিও এই চিকিৎসা চলাকালীন ঘন ঘন জ্বর ও পিঠের যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছেন অভিনেত্রী।
২০২৫ সালে ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার কথা জানিয়েছিলেন দীপিকা। জটিল অস্ত্রোপচারের পরে ক্রমশ সুস্থ হয়ে উঠছিলেন। তার মধ্যেই ফের একটি টিউমর ধরা পড়ে তাঁর যকৃতে। বিশেষ পদ্ধতিতে সেটি পুড়িয়ে দেহ থেকে বার করা হয়। ধীরে ধীরে তিনি সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরছেন বলে জানান দীপিকার স্বামী, অভিনেতা শোয়েব।
তবে এই অসুস্থতার পরে দীপিকা বুঝতে পেরেছেন যে, নারীশরীর ঠিক কতটা জটিল। দীপিকা আরও বলেন, যে দিন তিনি ক্লান্ত থাকেন, সে দিন তিনি তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে পড়েন। তিনি স্বীকার করে নেন যে, স্বাস্থ্যের কারণে তাঁর জীবনযাত্রায় অনেক কিছু বদল এসেছে। তিনি বলেন, “আমি জানি আমাকে ইতিবাচক থাকতে হবে। একই সঙ্গে চিকিৎসার দিকটা নিয়েও চিন্তিত থাকি। তাই মাঝে মাঝে গোটা বিষয়টা খুবই কষ্টকর হয়ে ওঠে।”
অন্য দিকে, মে মাসের শেষ সপ্তাহে মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণের কারণে শোয়েবের বাবা হাসপাতালে ভর্তি হন। তাঁর বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে শোয়েব বলেন, “বাবা এখন অনেকটা ভাল আছেন। প্রতিদিন তাঁর শারীরিক অবস্থার উন্নতি হচ্ছে। কথা বলার ক্ষমতা এবং শরীরের ডান দিক ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হয়ে উঠছে। ১০ দিন পর তিনি আবার কথা বলতে শুরু করেছেন। এখন হাসতেও পারছেন। তাঁর ‘স্পিচ থেরাপি’ শুরু হবে। কারণ, বড় বাক্য বলতে গেলে এখনও কথা জড়িয়ে যাচ্ছে।”