৪ মে বিধানসভা নির্বাচনের ফলপ্রকাশের কয়েক দিন পরে নিজের প্রতিক্রিয়া জানান ব্যারাকপুরের প্রাক্তন বিধায়ক রাজ চক্রবর্তী। রাজনীতি থেকে দূরে সরার ইঙ্গিত পাওয়া যায় তাঁর লেখায়। এই আলোচনার মাঝে বিদেশে স্ত্রীর সঙ্গে ‘একান্ত’ মুহূর্তে ফ্রেমবন্দি পরিচালক রাজ।
১১ মে রাজ এবং শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়ের অষ্টম বিবাহবার্ষিকী। গত এক সপ্তাহে যা যা ঘটেছে, তার পরে ফোনে রাজ অধরা। তবে সমাজমাধ্যমে ঢুঁ দিয়ে দেখা গিয়েছে, এই কয়েক দিনের পরিবর্তিত পরিস্থিতির প্রভাব কোনও ভাবেই পড়তে দেননি ব্যক্তিগত জীবনে। ছবি দেখে বোঝা গিয়েছে, দেশের বাইরে এই দিনটা উদ্যাপন করছেন তারকাদম্পতি।
আদুরে মুহূর্তে রাজ এবং শুভশ্রী। ছবি: ইনস্টাগ্রাম।
সম্ভবত, তাইল্যান্ডের ক্র্যাবিতে ঘুরতে গিয়েছেন তাঁরা। প্রেমে মাখা ছবি ভাগ করে নেন শুভশ্রী। দেখা যাচ্ছে, কখনও স্ত্রী শুভশ্রীর গালে চুম্বন এঁকে দিচ্ছেন রাজ। কখনও আবার ‘ক্যান্ডেললাইট ডিনার’-এ ব্যস্ত যুগলে। রাজনৈতিক ডামাডোল, টালমাটাল পরিস্থিতির মধ্যেও যে তাঁরা নিজেদের সম্পর্কে তার কোনও প্রভাব ফেলতে রাজি নন, সে কথাই স্পষ্ট। ছবিতে দুই সন্তানকে দেখা যায়নি। দর্শকের একাংশের মতে, এই বিশেষ দিনটা দু’জনে নিভৃতে কাটাতে চান, তাই জন্যই হয়তো ফ্রেমে ইউভান এবং ইয়ালিনি নেই।
দু’দিন আগে রাজ নিজের সমাজমাধ্যমে লিখেছিলেন, “জীবনে যখনই কোনও দায়িত্ব পেয়েছি নিষ্ঠা এবং সততার সঙ্গে পালন করেছি৷ এক জন পরিচালক হিসাবে সিনেমার মাধ্যমে মানুষকে সব সময়ে আনন্দ দেওয়ার চেষ্টা করেছি। কখনও হেরেছি। কখনও জিতেছি। ২০২১-এ আমার রাজনৈতিক জীবনে পদার্পণ৷ মানুষ আমাকে সুযোগ দিয়েছিলেন কাজ করার। পাঁচ বছর ধরে সেই ভাবেই বিধায়কের দায়িত্ব পালন করার চেষ্টা করে গিয়েছি। সেই অধ্যায় শেষ হল ২০২৬-এ। সঙ্গে শেষ হল আমার রাজনৈতিক জীবনের পথচলা।”
বিশেষ নৈশভোজে যুগলে। ছবি: ইনস্টাগ্রাম।
তবে নির্বাচনের ফল বেরোনোর পরে শুভশ্রী লিখেছিলেন, “তুমি আমার হিরো। তুমি আমার জীবন, পৃথিবী। আমার সবটা জুড়ে তুমিই আছো।” যে কোনও পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে একসঙ্গে প্রস্তুত, সেই আভাসই মিলেছিল নায়িকার লেখায়।