যে ‘মির্জাপুর’ সিরিজ নিয়ে এত চর্চা, এত প্রতীক্ষা, সেই শোয়ের নেপথ্যে এমন কলঙ্ক, কে জানত! মির্জাপুর ৩-এর কাজ শেষ হওয়ার পর কর্মীদের ২০-২৫ লক্ষ টাকা পারিশ্রমিক বকেয়া রেখেছে ফারহান আখতারের প্রযোজনা সংস্থা ‘এক্সেল এন্টারটেনমেন্ট’, এমনটাই অভিযোগ।
মে মাসে কাজ শেষ হয়েছে, কিন্তু এখনও পাওনা টাকা মেটায়নি ফারহান এবং রিতেশ সিধওয়ানির সংস্থা। এর পরই ‘ফিল্ম স্টুডিওস সেটিং অ্যান্ড অ্যালাইড মজদুর ইউনিয়ন’ (এফএসএসএসএমইউ)-এর দ্বারস্থ হন মির্জাপুর ৩-এর প্রোডাকশন ডিজাইন টিমে কাজ করা ৩০০ কর্মী।
তাতেই আইনি সমস্যায় পড়েন ফারহান। ইউনিয়নের দাবি, ২০-২৫ লক্ষ টাকা বকেয়া আছে কারণ, ২০২২ সালের মে থেকে দৈনিক মজুরি মেটানো হয়নি। তা সত্ত্বেও জনপ্রিয় ওয়েব সিরিজের সেটগুলিতে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন ওই কর্মীরা।
এফএসএসএএমইউ এক্সেল এন্টারটেনমেন্টকে টাকা না দেওয়ার অভিযোগে একটি চিঠি পাঠিয়েছে। সেই চিঠিতে বলা হয়েছে, শ্রমিকদের বাড়তি সময় কাজ করতে বাধ্য করা হয়েছে। পাওনা টাকাও দেওয়া হয়নি। যা শ্রম আইন অনুসারে অনুমোদিত সীমা ছাড়িয়ে যাবে। শুধু তা-ই নয়, শ্রমিকদের পুষ্টিকর খাবার এবং বসার ব্যবস্থা করা হয়নি বলেও চিঠিতে অভিযোগ করা হয়েছে।
জানা যায়, ইতিমধ্যেই এক্সেল এন্টারটেনমেন্টকে তিনটি চিঠি পাঠানো হয়েছে। শেষ বার জলঘোলার পর অবশ্য নড়েচড়ে বসেছে ফারহানের প্রযোজনা সংস্থা। তাঁদের তরফে জানানো হয়েছে, আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে কর্মীদের বকেয়া টাকা মিটিয়ে দেওয়া হবে।