বলিউড তারকাদের কাছে নিজেদের চোখ-মুখ-নাকে কাটাছেঁড়া করা বা চুলের ভোল বদলানো, নতুন কোনও ঘটনা নয়। শোনা যায়, একসময়ে নাকি সলমন খানের মাথা থেকে প্রচুর চুল পড়তে শুরু করে। তখন নাকি চুল প্রতিস্থাপন করান। ২০০০ সালের শুরুর দিকে পর্দায় নাকি স্পষ্ট বোঝা যায় যে, তাঁর মাথায় চুল কম। তাই নাকি একটা দীর্ঘ সময় মাথায় রুমাল বেঁধে রাখতেন। পরে ভোল বদল করেন। এর নেপথ্যে নাকি ছিলেন গোবিন্দ। তিনিই বলেন, ‘‘সাধারণত মদ খাই না। কিন্তু, একদিন মদ খেয়ে সত্যিটা বলে দিই।’’
আরও পড়ুন:
২০০৭ সালে মুক্তি পায় ‘পার্টনার’। ছবিতে গোবিন্দ ও সলমন একসঙ্গে কাজ করেছিলেন। ছিলেন ক্যাটরিনা কইফও। এই ছবিতে প্রেমিক নায়কের খোলস ছেড়ে সলমন হয়ে ওঠেন ‘মাচো ম্যান’। গোবিন্দ জানান, ‘পার্টনার’ ছবিতে সলমনের ‘লুক’ বদলের পরিকল্পনা করেছিলেন তিনি নিজেই। অভিনেতার কথায়, ‘‘আমি ওকে বললাম, ‘তোমার তো মুখ শুকিয়ে গিয়েছে। চেহারা খরাপ হচ্ছে। চুল উঠে যাচ্ছে। কিছু করো!’’ গোবিন্দের দাবি, তাঁর কথা শুনেই নাকি শরীরচর্চা শুরু করেন সলমন। তাঁর কথা শুনেই চুল প্রতিস্থাপন করান সলমন।
সলমন নাকি কখনওই গোবিন্দের সঙ্গে কাজ করতে চাননি। কেন? সলমন মনে করেন, গোবিন্দের ‘কমেডি’র সময়জ্ঞান ও অভিব্যক্তি, অন্য অভিনেতাদের কাজকে ঢেকে দেওয়ার ক্ষমতা রাখে। যদিও এই ছবিতে দু’জনেই একসঙ্গে কাজ করেছেন। তবে বলা হয়, সলমনের মেজাজের তল পাওয়া নাকি বেশ শক্ত। তাই মদ্যপান করেই নাকি সলমনকে নিজের ভোলবদলের উপদেশ দেন গোবিন্দ।