Advertisement
E-Paper

৮,০০০ সেনা, যুদ্ধবিমান সৌদিতে পাঠাল পাকিস্তান! যুদ্ধবিরতি ভেঙে ফের কি হামলার পথে ইরান?

২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে এই প্রতিরক্ষা চুক্তি করে পাকিস্তান এবং সৌদি আরব। সেই চুক্তির একটি শর্ত ছিল, যে এক দেশে আক্রমণ হলে দ্বিতীয় দেশ তা নিজেদের উপর আক্রমণ বলেই ধরে নেবে।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৮ মে ২০২৬ ২১:৪২
Pakistan deploys 8,000 troops, jets to Saudi under defence pact

—প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র।

আমেরিকা এবং ইরানের মধ্যে মধ্যস্থতার ভূমিকায় পাকিস্তান। দুই পক্ষই সমঝোতা শর্ত চাপাচ্ছে। আর সেই শর্ত চালাচালি করার দায়িত্বও ইসলামাবাদের। বিশ্ব জুড়ে একটাই প্রশ্ন, কবে পুরোপুরি থামবে পশ্চিম এশিয়ার সংঘাত? তবে এই আশঙ্কা-উৎকণ্ঠার মধ্যে পাকিস্তান আবার এক বার সৌদি আরবে যুদ্ধবিমান পাঠাল। শুধু তা-ই নয়, সৌদি গেল হাজার হাজার পাক সেনা! এমনই দাবি সংবাদসংস্থা রয়টার্সের রিপোর্টে।

রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, আট হাজার সেনা সৌদিতে পাঠিয়েছে পাকিস্তান। এ ছাড়াও, পাক যুদ্ধবিমান মোতায়েন করা হয়েছে। পাঠানো হয়েছে একটি বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাও। কেন এত সেনা, যুদ্ধবিমান পাঠাল পাকিস্তান? রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সৌদির সঙ্গে পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তি রয়েছে পাকিস্তানের। সেই চুক্তির শর্ত অনুয়ায়ী সৌদিতে যুদ্ধবিমান, সেনা পাঠিয়েছে তারা। আগেও যুদ্ধবিমান পাঠানো হয়েছে।

২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে এই প্রতিরক্ষা চুক্তি করে পাকিস্তান এবং সৌদি আরব। সৌদিতে গিয়ে যুবরাজ মহম্মদ বিন সলমনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন পাক প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ় শরিফ। ওই চুক্তি কী কী শর্ত রয়েছে, তা নিয়ে বিশদে দু’দেশের কেউই মুখ খোলেনি। তবে উভয় পক্ষই জানিয়েছিল যে, এক দেশে আক্রমণ হলে দ্বিতীয় দেশ তা নিজেদের উপর আক্রমণ বলেই ধরে নেবে। আর তখনই প্রতিরোধ হিসাবে সাহায্য করবে।

পাক এবং সৌদির বিভিন্ন সূত্রকে উদ্ধৃত করে রয়টার্স জানিয়েছে, প্রায় ১৬টি বিমানের একটি পূর্ণাঙ্গ স্কোয়াডন পাঠিয়েছে পাকিস্তান। তার মধ্যে বেশির ভাগ যুদ্ধবিমানই চিনের সঙ্গে যৌথভাবে তৈরি জেএফ-১৭। এপ্রিলের শুরুতেও এই একই যুদ্ধবিমান সৌদিতে পাঠিয়েছিল পাকিস্তান। যুদ্ধবিমান বা যে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পাঠানো হয়েছে তা পরিচালনার দায়িত্বে থাকবে পাকিস্তানই। তবে খরচ দেবে সৌদি।

ইরানে ইজ়রায়েল এবং আমেরিকার যৌথ হামলার পরে তেহরান প্রত্যাঘাত শুরু করে। তারা জানিয়ে দেয়, পশ্চিম এশিয়ার যেখানে যেখানে আমেরিকার ঘাঁটি রয়েছে, সেখানে হামলা চলবে। সেই তালিকায় ছিল সৌদিতে থাকা মার্কিন ঘাঁটিও। ইরান প্রত্যাঘাত শুরু করার পর থেকেই পাকিস্তান সংঘাতে উভয় পক্ষের সঙ্গে সম্পর্কে ভারসাম্য রেখে চলেছে। দুই পক্ষের মাঝে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা নিতেও আগ্রহ প্রকাশ করেছে। তাদের উদ্যোগেই ইসলামাবাদে বৈঠকে বসেছিল ইরান এবং আমেরিকা। যদিও সেই বৈঠকে কোনও রফাসূত্র বার হয়নি। আপাতত দু’দেশের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চলছে। যদিও শান্তিচুক্তি চূড়ান্ত না-হয়, তবে কত দিন এই বিরতি থাকবে, তা নিয়ে সংশয়ে অনেকেই। তার মধ্যে সৌদিতে সেনা, যুদ্ধবিমান পাঠানো নিয়ে পাকিস্তান পদক্ষেপও প্রশ্ন তুলেছে। তবে কি আবার ইরান হামলা চালাতে পারে সৌদি বা পশ্চিম এশিয়ার অন্যান্য দেশে? আর তাই আগেভাগে প্রতিরোধ ব্যবস্থা মজবুত করছে সৌদি?

US-Iran Conflict Pakistan Saudi Arab
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy