×

আনন্দবাজার পত্রিকা

Advertisement

২৯ জুলাই ২০২১ ই-পেপার

বিনোদন

প্রিয়ঙ্কা, দীপিকা, রণবীররা সকালে উঠে কী দিয়ে ব্রেকফাস্ট করে জানেন?

নিজস্ব প্রতিবেদন
কলকাতা ২৬ মার্চ ২০১৯ ১১:১৫
‘দেহ পট সনে নট সকলি হারায়’, কথাটা তো শুনেছেন আপনারা। মাথার চুল থেকে পায়ের নখ পর্যন্ত যত্ন করতে হয়, আর শুধু ত্বকের যত্ন নয়, সারা দিনে স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়াটা বাধ্যতামূলক অভিনেতা-অভিনেত্রীদের কাছে। আপনার প্রিয় তারকারা সকালে উঠে কী কী খান জানেন?

হৃত্বিক রোশন দিন শুরু করেন চারটি ডিমের সাদা অংশ খেয়ে। সঙ্গে থাকে দুটি ব্রাউন ব্রেড, প্রোটিন শেক ও এক থালা ফল।
Advertisement
মালাইকা অরোরা খান ইডলি, পোহা বা উপমা, এ ছাড়া ফলের রস ও নানারকম মরসুমি ফলও থাকে জলখাবারের মেনুতে।

জন আব্রাহাম দিন শুরু করেন ৬টি ডিমের সাদা অংশ খেয়ে। তাঁর ব্রেকফাস্টে থাকে চার পিস মাখন পাউরুটি, ১০টি কাঠবাদাম, একটি বড় গ্লাস ফলের রস।
Advertisement
করিনা কপূর সকালে খান মুসলি। সঙ্গে থাকে বাদাম, মাঝেসাঝে পরোটা খান দই দিয়ে। দই রোজ খেতেই হবে তাঁকে, জানান বেবো।

রণবীর কপূরের ব্রেকফাস্টে থাকে তিনটি ডিমের সাদা অংশ। এ ছাড়াও ব্রাউন ব্রেড, প্রোটিন শেক ও বেশ কিছু কাঠবাদামও খান রণবীর। জলখাবারের দেখভাল করেন মা নীতু কপূরই।

দীপিকা পাড়ুকোন বড় হয়েছেন বাবা প্রকাশ পাড়ুকোনের সান্নিধ্যে। তাই ছোট থেকেই খেলোয়াড়সুলভ খাবারদাবারে অভ্যস্থ ‘পিকু’ নায়িকা। ডিমের সাদা অংশ, ডিমের ওমলেট, ফল রোজই থাকে তাঁর জলখাবারে।

সলমন খান সকালে উঠেই খান ডিমের সাদা অংশ, এ ছাড়াও মাখন পাউরুটি, চাপাটি, কম ফ্যাট যুক্ত দুধ ও ফলও খান ‘দাবাং’ তারকা।

মল্লিকা শেরওয়াত সকালে উঠে খান ডিম, মাল্টিগ্রেন টোস্ট, এক বাটি টাটকা ফল। কলা ও প্রোটিন শেকও খান তিনি।

টাইগার শ্রফের জলখাবারে থাকে আটটি ডিমের সাদা অংশ। ওট মিল খান তিনি। ধূমপান বা মদ্যপানের বিন্দুমাত্র নেশাও তাঁর নেই।

মন্দিরা বেদী সকালে খান টোস্ট, কফি ও ডিমের সাদা অংশ।

শিল্পা শেট্টি সকালে উঠে খান দুটি খেজুর, আটটি কালো কিশমিশ, প্রোটিন শেক।

ইলিয়ানা ডি ক্রুজ জলখাবারে খান এক বাটি কর্নফ্লেক্স বা ওট মিল। ডিমের সাদা অংশ ও ফলও খান রোজ সকালেই।

মাধুরী দীক্ষিত সকালে উঠে মাখন পাউরুটিও খান, আবার রুটি-সবজি-ডিমও খান কখনও কখনও। মোট কথা হেভি ব্রেকফাস্ট করেন তিনি।

প্রিয়ঙ্কা চোপড়া ঘরে তৈরি যে কোনও হাল্কা খাবার খেতেই পছন্দ করেন। ফলের রস তো থাকেই সঙ্গে। মনের মতো খাবার খেলেও ক্যালরি ঝরিয়ে ফেলতে হবে, এটাই প্রিয়ঙ্কা বিশ্বাস করেন।