পর্দায় ‘ড্যাডি’-র ডিরেক্টর তিনি। কিন্তু বাস্তবে ডিরেক্টর-‘ড্যাডি’ হতে চান না। তিনি মহেশ ভট্ট। কন্যা আলিয়াকে ডিরেকশন দিতে চাইছেন না এই অভিজ্ঞ পরিচালক। কিন্তু কেন? বাবা মহেশের মনে হচ্ছে আলিয়াকে পরিচালনা করার মতো ‘ট্যালেন্টেড’ তিনি নন।

মহেশ ও তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী সোনি রাজদানের মেয়ে আলিয়া বলিউডে পা রেখেছেন ২০১২ সালে। এ যাবত্ তাঁর মুক্তিপ্রাপ্ত চারটি ছবিই বক্স অফিস মাতিয়েছে। অভিনয়ের পাশাপাশি ‘হাম্পটি শর্মা কি দুলহানিয়া’ ছবিতে গায়িকা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন আলিয়া। সেখানেও তিনি সফল। তাই মেয়ের সাফল্যে গর্বিত বাবা মেয়েকে ডিরেকশন দিতে নারাজ। তবে সে রকম কোনও ভাল স্ক্রিপ্ট থাকলে অবশ্যই তিনি ‘অভিনেত্রী’ আলিয়ার সঙ্গে কথা বলবেন বলে জানিয়েছেন। ব্যক্তিগত সম্পর্কের বাইরে পেশাদারি সম্পর্কই সেখানে প্রাধান্য পাবে।

‘অর্থ’, ‘সারাংশ’, ‘আশিকি’-র মতো হিন্দি কমার্শিয়াল হিট ছবির পরিচালক মহেশ ভট্ট ১৯৭৪ সাল থেকে এই পেশার সঙ্গে যুক্ত। বলিউডের তাবড় তাবড় অভিনেতাকে নিজের মতো করে ছবিতে কাজ করিয়েছেন দীর্ঘকাল ধরে। সেই তালিকায় যেমন রয়েছেন শাবানা আজমি, কুলভূষণ খারবান্দা, অনুপম খের, স্মিতা পাটিল প্রমুখ। তেমনই আবার বেশ কিছু নবাগত অভিনেতাও তাঁর পরিচালিত ছবিতে বলিউডে নিজেদের পরিচিতি পেয়েছেন। রাহুল রায়, অনু আগরওয়াল, অতুল অগ্নিহোত্রীর সঙ্গে এই তালিকায় রয়েছেন প্রাক্তন ‘মিস ইউনিভার্স’ সুস্মিতা সেনও।

তবে ‘অভিনেত্রী’ আলিয়ার কেরিয়ার নিয়ে এটা কি মহেশের দূরদৃষ্টি, না কি মেয়েকে প্রমোট করার নতুন মার্কেটিং চমক?