বলিউডে অন্য ধরনের ছবি তৈরির জন্য বিখ্যাত তিগমাংশু ধূলিয়া। ‘পান সিংহ তোমর’ বা ‘সাহেব বিবি অউর গ্যাংস্টার’-এর মতো ছবি পরিচালনার পাশাপাশি ‘গ্যাংস অফ ওয়াসেপুর’ ছবিতে রামাধীর সিংহের চরিত্রে অভিনয়— বার বার মুগ্ধ করেছেন তিনি। ২০০৩ সালে মুক্তি পায় তাঁর পরিচালিত ছবি ‘হাসিল’। সেই ছবির শুটিং করতে গিয়ে ইলাহাবাদে নাকি চূড়ান্ত হেনস্থার শিকার হন তিনি। সেখানে ত্রাতা হয়ে আসেন জয়া বচ্চন।
তিগমাংশুর পরিচালিত প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্যের ছবি ‘হাসিল’-এর প্রেক্ষাপট ছিল তাঁর নিজের জন্মস্থান ইলাহাবাদের ছাত্র-রাজনীতি। পরিচালক তাঁর ছবিতে ইলাহাবাদ বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্দরের রাজনীতি-সহ সেখানকার ‘বাহুবলী’দের নিয়ে সিনেমা তৈরির পরিকল্পনা করেন। সেই সময়ে ইলাহাবাদ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রনেতা লক্ষ্মী শঙ্কর ওঝা। এই চরিত্রটিতে ছবিতে দেখা যায় আশুতোষ রানাকে। ছবিতে নাম হয় লক্ষ্মী শঙ্কর পাণ্ডে। কিন্তু এমন একটা গল্প নিয়ে ছবি হচ্ছে শুনে পরিচালকের উপর নাকি ২০ থেকে ২৫ জন হামলা চালায়।
তিগমাংশুর কথায়, ‘‘আমি নিজের জন্মস্থানে শুটিং করব, তাঁর জন্য বেশ উত্তেজিত ছিলাম। কিন্তু চূড়ান্ত হেনস্থার শিকার হতে হয় আমাদের। আমাকে হুমকি দেওয়া হয়। আমি যে হোটেলে ছিলাম, সেখানে আমাকে জ্যান্ত পুড়িয়ে দেওয়া হবে বলে হুমকি আসে। আমার মুখ কালি করে গাধার পিঠে ঘোরানো হবে বলেও হুমকি পাই। সেই সময়ে ভয় পেয়ে যাই খুব, কান্নাকাটি শুরু করি। তখন নিরুপায় হয়ে জয়াজিকে ফোন করি। উনি সমাজবাদী পার্টির নেত্রী। অমর সিংহকে ফোন করে তিনিই গোটা বিষয়ের মধ্যস্থতা করেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।’’ তিনি এখনও সেই কারণে জয়া বচ্চনের প্রতি কৃতজ্ঞ।