অভিনয়, পরিচালনা, প্রযোজনা... প্রথম দু’টি ক্ষেত্রে ছাপ রাখার পরে তৃতীয় ময়দানে নামার জন্য প্রস্তুতি তুঙ্গে কঙ্গনা রানাউতের। আগামী বছরের জানুয়ারি মাসেই দিনের আলো দেখবে তাঁর প্রোডাকশন হাউস, মণিকর্ণিকা ফিল্মস। মুম্বইয়ের পালি হিলে স্টুডিয়োর জন্য জায়গা কিনেছেন অভিনেত্রী। ২০১৭ সালে প্রোডাকশন হাউস খোলার কথা প্রথম বার জনসমক্ষে বলেছিলেন অভিনেত্রী। তাঁর শেষ কয়েকটি ছবি খুব ভাল ব্যবসা না করলেও রাজনৈতিক ভাবে সক্রিয় হওয়ার পুরস্কার যে তিনি পাচ্ছেন, তা প্রোডাকশন হাউসের অগ্রগতিই বলে দিচ্ছে।

কঙ্গনা বলেছেন, ‘‘অনেক ভাল ভাল স্ক্রিপ্ট শুনেছি। সেগুলো বড় পর্দায় নিয়ে আসা একটা দায়িত্ব।’’ তবে অভিনেত্রী স্পষ্ট করে দিয়েছেন, নিজের প্রোডাকশনে তিনি অভিনয় করবেন না। ‘‘আমাদের চারপাশে এত নতুন প্রতিভা রয়েছে, তাদের সুযোগ করে দেওয়াও একটা কর্তব্য। নতুন প্রতিভাদের গাইড করব।’’

হিন্দি ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে কম বাজেটের কনটেন্ট-নির্ভর ছবি এখন বেশি চলছে। কঙ্গনাও সেই পথে ভরসা রাখছেন। তাঁর মুক্তি পাওয়া শেষ ছবি ‘জাজমেন্টাল হ্যায় কেয়া’র দৃষ্টান্ত দিয়ে অভিনেত্রী বলেছেন, ‘‘যদি ওই ছবিটা আমাকে ছাড়া ১০ কোটি বাজেটে বানানো হত, তবেই ছবিটি (ব্যবসা করেছে ৪০ কোটি) সুপারহিট হত। তবে ছবিটির বাজেট ৩০ কোটি হওয়ায় লাভ হয়নি। তাই আমিও কম বাজেটের ছবি দিয়ে শুরু করব।’’ ব্যবসার মারপ্যাঁচ তিনি যে ভালই বোঝেন, এতেই তা স্পষ্ট। যখন প্রথম ছবি পরিচালনা করলেন, সেটা বিগ বাজেট জায়ান্ট স্কেলে। কিন্তু প্রযোজনার ক্ষেত্রে কম বাজেটেই হাতেখড়ি করতে চান।

এই মুহূর্তে ‘থালাইভি’র প্রস্তুতি নিয়ে ব্যস্ত কঙ্গনা। সেখানে জয়ললিতার ভূমিকায় তিনি। কঙ্গনার সিনেমার জার্নির পাশাপাশি রাজনৈতিক ভূমিকা যে স্পষ্টতর হচ্ছে, তা বোঝাই যাচ্ছে।