মা-দিদিমারা বলতেন, গর্ভধারণের পরে অন্তঃসত্ত্বার জৌলুস বাড়লে নাকি কন্যা হয়। স্ফীতোদরের আকার দেখেও সেই আমলের অনেকে পূর্বাভাস দিতেন, অন্তঃসত্ত্বার পুত্র হবে না কন্যা। সব সময়েই সেই ভবিষ্যৎদ্বাণী মিলত, এমন নয়। কিন্তু সেই রীতি যেন এখনও চলছে।
সম্প্রতি, সোনম কপূরকে দেখে এই ধরনের ফিসফাস শুরু হয়েছে। ৮ ফেব্রুয়ারি তাঁর সাধের অনুষ্ঠান ছিল। আমন্ত্রিত ছিলেন বলিউড তারকারা। সোনম এ দিন নিজেকে সাজিয়েছিলেন সবুজ রঙের লেহঙ্গায়। আমন্ত্রিতরা মুগ্ধ তাঁকে দেখে। উদ্যাপনের ছবি, ঝলক প্রকাশ্যে আসতেই প্রশংসায় পঞ্চমুখ অনুরাগীরাও। সে দিন যেন অভিনেত্রীর রূপ ফেটে পড়ছিল! সোনমের অনাবৃত স্ফীতোদরের ছবি দেখে জল্পনা শুরু। আনন্দ আহুজা আবার কি পুত্রের বাবা হবেন, না কি কন্যা আসবে পরিবারে? আলোচনায় মশগুল সবাই।
এই আলোচনায় পাল্লাভারী কন্যার। কারণ? পুরনো দিনের মানুষদের কথা অনুযায়ী, স্ফীতোদরের আকার নিটোল গোল হলে নাকি কন্যা হয়। একই ভাবে গর্ভে কন্যা থাকলে হবু মায়ের সৌন্দর্য নাকি দ্বিগুণ হয়ে যায়। অনুরাগীদের চোখে সোনমের নাকি সেটাই হয়েছে! প্রচলিত ধারণার আর একটি দিক, স্ফীতোদর নীচের দিকে নেমে এলে নাকি পুত্রসন্তান হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। যদিও এ সব নিয়ে বিন্দুমাত্র ভাবিত নয় আহুজা বা কপূর পরিবার। সুস্থ সন্তানের জন্ম দিন সোনম, মা-সন্তান ভাল থাকুন— আপাতত এটাই চাওয়া তাঁদের। চিকিৎসকের বক্তব্য অনুযায়ী, সব ঠিক থাকলে আহুজা এবং কপূর পরিবারে সম্ভবত এই বসন্তে নতুন অতিথি আসবে।